শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন
সময়ের কষ্টিপাথরে যাচাই করা এক আপসহীন নেতৃত্বের নাম মোঃ শাহজাহান। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা মহানগর পশ্চিম সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তাঁর পরিচয় কেবল পদ-পদবিতে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তিনি দেশপ্রেম এবং জাতীয়তাবাদী চেতনার এক জীবন্ত ইশতেহার।
জিয়া পন্থী দর্শনে অবিচল পথচলা
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ তত্ত্বে উজ্জীবিত মোঃ শাহজাহান ছাত্ররাজনীতির শুরু থেকেই এক নির্ভীক যোদ্ধা। তিনি শুধু আদর্শ ধারণ করেন না, বরং সেই আদর্শকে হৃদয়ে লালন করে রাজপথের প্রতিটি ধূলিকণায় নিজের ত্যাগের স্বাক্ষর রেখেছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব এবং আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি, তারেক রহমানের ‘দেশ গড়ার ভিশন’ বাস্তবায়নে তিনি এক অতন্দ্র প্রহরী।
শৃঙ্খলাই যার সাংগঠনিক শক্তি
কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের রাজনীতিতে মোঃ শাহজাহান এক আস্থার নাম। দলের সিনিয়র নেতৃত্বের প্রতি তাঁর বিনম্র শ্রদ্ধা এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলার প্রতি তাঁর একনিষ্ঠতা জুনিয়র কর্মীদের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি শক্তিশালী সংগঠন গড়ার মূল ভিত্তি হলো ঐক্য এবং ভ্রাতৃত্ব। তাই প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে তিনি দলের অভ্যন্তরীণ বন্ধন সুদৃঢ় করতে পর্দার আড়াল থেকে এবং সামনে থেকে কার্যকর ভূমিকা পালন করে চলেছেন।
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের অগ্রসেনানী
গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ের আন্দোলনে তাঁর সাহসী ভূমিকা আজ সর্বজনবিদিত। হামলা, মামলা আর রাজপথের লড়াকু জীবন তাকে দমাতে পারেনি, বরং আরও ইস্পাতকঠিন করেছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়ে তাঁর বজ্রকণ্ঠ বারবার প্রকম্পিত করেছে শিক্ষাঙ্গন থেকে রাজপথ।
তারুণ্যের অহংকার ও আগামীর ভরসা
সততা এবং রাজনৈতিক দূরদর্শিতার এক বিরল সমন্বয় মোঃ শাহজাহান। তাঁর রাজনীতি কেবল ক্ষমতার জন্য নয়, বরং শোষিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য। একজন পরিচ্ছন্ন ইমেজের নেতা হিসেবে তিনি আজ তরুণ প্রজন্মের কাছে আইকন। ত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া তাঁর এই জনপ্রিয়তা প্রমাণ করে যে, রাজনীতিতে সততা আর নিষ্ঠাই শেষ কথা।
উপসংহার:
তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত কর্মীদের মাঝে আশার আলো জাগানো এই নেতা আগামী দিনের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে এক অপরিহার্য শক্তি। মোঃ শাহজাহানের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং দলের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আগামী প্রজন্মের জন্য কেবল অনুকরণীয় নয়, বরং এক অনুপ্রেরণার মহাকাব্য হয়ে থাকবে। ইনশাআল্লাহ।