
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা দেবিদ্বার উপজেলার ৯নং গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়নে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. কামরুল ইসলাম জলিল এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন।
ইতোমধ্যে তিনি ইউনিয়নবাসীর দোয়া ও সমর্থন কামনা করে মাঠে নেমেছেন, যা স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন তিনি। তার এই গণসংযোগ কর্মসূচিতে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা গেছে। তরুণ থেকে শুরু করে প্রবীণ—সব শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতি তার প্রচারণাকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে।
মো. কামরুল ইসলাম জলিল বলেন, “আমি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও জনসেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করতে চাই। ইউনিয়নবাসীর দোয়া ও সমর্থন পেলে একটি আধুনিক ও উন্নত ইউনিয়ন গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।”
তিনি আরও বলেন, “আমি ধলাহাস দক্ষিণপাড়া হাজীবাড়ির মরহুম মো. হোসেন মুন্সীর ছেলে। দীর্ঘ ৪৫ বছর পর ধলাহাস গ্রাম থেকে আমিই একমাত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে ডিস সংযোগ, গ্যাস সংযোগ ও রাস্তা নির্মাণে আমি নিজেই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।”এবং এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসি।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেকেই তাকে একজন যোগ্য ও সমাজসেবক প্রার্থী হিসেবে দেখছেন। তাদের আশা, তিনি চেয়ারম্যান হলে এলাকায় উন্নয়ন হবে এবং সাধারণ মানুষ আরও বেশি উপকৃত হবে।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা জমে উঠবে। বিভিন্ন দলের একাধিক প্রার্থী মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, ফলে নির্বাচনটি হতে পারে বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।
উল্লেখ্য, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের গণসংযোগ, সভা-সমাবেশ এবং নানা কর্মকাণ্ডে সরগরম হয়ে উঠেছে পুরো ইউনিয়ন। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত ভোটাররা কাকে তাদের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য বেছে নেন।