1. amarpranerbd@gmail.com : news :
  2. amarpranerbangladesh@gmail.com : PRANER BD REPORTER : PRANER BD REPORTER
  3. editor.amarpranerbd.official@gmail.com : Newsdesk :
শিরোনাম :
সরফভাটা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী ও গুণীজন সংবর্ধনা কবে হবে সুন্দরবন দস্যুমুক্ত আজ থেকে নিষেধাজ্ঞা শেষে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বনে ফিরছেন জেলে-বাওয়ালিরা কেশবপুরে জামায়াতে ইসলামীর ইউনিট দায়িত্বশীল সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত সওজ’র গাফলতি চরমে,অকেজো হচ্ছে কোটি টাকার ফেরি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে চৈতী কম্পোজিট  লিঃকে ৭৫ লক্ষ ৪ হাজার টাকা জরিমান ধার্য করা হয়  প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মোহনগঞ্জে পতাকা উত্তোলন ও রেলিতে এমপি বাবর- নবনির্মিত প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ মানুষের কল্যাণে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম – মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ৪ নং পৈল ইউনিয়ন বাসীকে ভালবাসা ও শুভেচ্ছা জানালেন ফ্রান্স প্রবাসী ৪ নং পৈল ইউনিয়নের  চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ সোহেল রানা ভাই ।  শিবচরে গণউন্নয়ন সমবায় সমিতির প্রতারণায় নিঃস্ব নিম্নআয়ের মানুষ মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন বিএনপি’র ৪৮- তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে শীতলক্ষ্যা নদীতে মৎস্য অবমুক্ত করন।

অনিয়ম-দুর্নীতি ও ভুয়া বিল ভাউচার আর দালালে ঢাকা উত্তর সিটিতে ব্যাপক লুটপাট

রবিউল আলম রাজু :
  • Update Time : Sunday, May 3, 2026,
  • 189 Time View

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন যেন দালাল স্বজনপ্রীতি এবং বিভিন্ন জালজালিয়াতি করে পয়সা কামানোর এক অঘোষিত অবৈধ ব্যাঙ্কে পরিণত হয়েছে। এখানে যারা চাকরি করে তাদের মধ্যে অনেকেই যারা অসাধু পথ বেছে নিয়েছে প্রতিদিন খালি পকেটে আসে আর ব্যাগ ভরে টাকা নিয়ে যায় এমনটাই অভিযোগ বিভিন্ন ভুক্তভোগীদের। সিটি কর্পোরেশন সংশ্লিষ্ট সকল কাজকে তারা অবৈধ সেক্টরে পরিণত করেছে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভুক্তভোগীদের কে খোচা দিলেই বেরিয়ে আসে ঘুষ নামক কর করে নোটের বান্ডিল। ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত ঝামেলা ,জন্ম নিবন্ধন কিংবা অফিসিয়াল অন্য কোন কাজ কিংবা অনুমতি পত্র সিটি কর্পোরেশনের অনুমতি লাগবে এমন কোন জরুরী বিষয় সিটি কর্পোরেশনের আওতাভুক্ত রাস্তাঘাট নির্মাণ থেকে শুরু করে দোকানপাট এমন কোন জায়গা নেই যেখানে দুর্নীতির ছোঁয়া পড়েনি। এ সকল দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিউজ করলেও তাদের আত্মীয়-স্বজন পরিচয়ে রেপিড একশন ব্যাটালিয়ন কিংবা পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা থেকে সংবাদ এর প্রতিবেদক কে ফোন করে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়া হয়। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর আওতাভুক্ত উত্তরা সিটি কর্পোরেশন অফিস উত্তরা আজমপুর সংলগ্ন এখানে প্রতিদিন প্রতিটি অফিসারের নিজস্ব কিছু দালাল রয়েছে তারা বাহির থেকে কন্টাক করে টাকা পয়সা লেনদেন করে আর যার হয়ে লেনদেন করে সেই অফিসার বাবুটি যেন ভাজা মাছটি উল্টে খেতে জানে না এমন একটি ভাব নিয়ে বসে থাকে। এসব দালালরা সিটি কর্পোরেশনের কোন সরকারি কর্মকর্তা না হলেও তাদের মোটর বাইক কিংবা গাড়িতেও সিটি কর্পোরেশনের স্টিকার লাগিয়ে ঘুরে বেড়ায়। জানা যায় সিটি কর্পোরেশনের চাকুরীরত অফিসার কর্মকর্তা কর্মচারী অসাধু ব্যক্তিদের হিসাব তো দূরে থাক যারা তাদের দালালি করে তারাই রাজধানী ঢাকা শহরে বিশাল বাড়ি গাড়ি করে বর্তমানে এবং বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমল থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছে।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, ভুয়া বিল ভাউচারের নামে শত শত কোটি টাকা লুটপাটকারী সিন্ডেকেট এখনও বহাল রয়েছে। এতে চরম ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। যদিও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নতুন প্রশাসক জানিয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আমিনবাজার ল্যান্ডফিল্ড প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যেমে জালিয়াতি ও লুটপাট, যান্ত্রিক বিভাগের কয়েক শত কোটি টাকায় কেনাকাটায় অনিয়ম, এসটিএস নির্মাণের নামে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রয়োজন ছাড়া জ্বালানি তেলের ভাউচারসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে। তবে এ বিষয়ে জেনেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ায় অনিয়ম, দুর্নীতি ও ভুয়া বিল ভাউচারের নামে তারা দিনের পর দিন কোটি কোটি টাকা লুটপাট করে গেছেন বলে একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী অভিযোগ করেছেন। উত্তর সিটি সূত্রে প্রকল্পের মাধ্যমে আমিনবাজার ল্যান্ডফিল্ডের কথিত উন্নয়নের নামে শত শত কোটি টাকা আত্মসাত করেছে ওই সিন্ডেকেট। ল্যান্ডফিল্ড ঘিরে একাধিক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ নথিগুলো সংরক্ষণের তাগিদ দিয়ে বলাহয়, এসব নথিতে অনেক জালিয়াতি, ফাঁক ফোকড় ও লুটপাটের তথ্য প্রমাণ রয়েছে। ল্যান্ডফিল্ডের দীর্ঘদিনের কথিত উন্নয়নের নামে কিভাবে বিল ভাউচার তৈরি হয়েছে, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মালিকদের পরিচয় খোঁজ নিলেই থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে। সেই সাথে ওই ল্যান্ডফিল্ডের নতুন জমি কেনাতে আরো বড় ধরনের অনিয়ম ও জালিয়াতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, উত্তর সিটির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী দীর্ঘ দিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারি ও যান্ত্রিক ইঞ্জিনিয়ারি’ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ পদ দখল করে আছেন। তিনি আমিনবাজার ল্যান্ডফিল্ডের তত্ত্বাবধায়ক ও প্রকল্প পরিচালকসহ আরো বেশকয়টি দায়িত্ব নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। তিনি ডিএনসিসির সাবেক প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম ও সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামসহ মেয়র দপ্তরের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দাপটের সাথে ডিএনসিসিতে অর্থ লোপাট করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তারা জানান, এসএম শফিকুর রহমানের সহযোগী হিসেবে মাঠ পর্যায়ে কয়েকজন সদস্যদের মাঝে অন্যতম সহকারি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা অঞ্চল-১ এর মো. মহসিন। চক্রটি ৫৫-৬০ লাখ টাকা খরচ করে ডিএনসিসিতে ‘এসটিএস’ নির্মাণ করান। পরে আবার হঠাৎ করে ঠুনকো অজুহাতে ওই এসটিএস ভেঙ্গে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে নাম মাত্র মূল্যে বিক্রি দেখিয়ে পুরো টাকা আত্মসাত করে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিএনসিসির উত্তরা রানাভোলায় একটি ভাল এসটিএস নির্মাণের কিছু দিন পরই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কারণে অপসারণ করা হয়। ওই এসটিএসটি নিলামে বিক্রির সিদ্ধান্ত থাকলেও পরে নিজস্ব লোকজনের মাধ্যমে মো. সুলতান মিয়া নামে একজনের কাছে বিক্রি করে বেশিরভাগ টাকা আত্মসাৎ করে। এরা অনেকেই বিভিন্ন স্থানে বদলি হয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন সহ দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন জায়গায় ক্ষমতা পেয়ে সেখানেও দুর্নীতি করছে বলে অভিযোগ আছে।
এছাড়া, ডিএনসিসির যান্ত্রিক বিভাগের কয়েক শত কোটি টাকায় কেনা রোড সুইপাড়, পেলোডার ডাম্পার ট্রাকসহ অন্যান্য যানবাহন ও যন্ত্রপাতি রয়েছে। কেনার কিছু দিন পরই ওইসব যানের যন্ত্রপাতি অকেজো হয়েছে উল্লেখ করে মেরামতের নামে বড় অংকের বিল ভাউচার করা হয়েছে। পাশাপাশি ওয়ার্কশপে সেগুলো দিনের পর দিন পড়ে থাকলেও যান বা যন্ত্রপাতির তদারকিতে কেউ ছিল না বলে উল্লেখ করা হয়। এই সিন্ডেকেটের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ হলো সহকারী বর্জ্যব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মহসিনের নামে ডিএনসিসির দেওয়া মোটর সাইকেল যার নম্বর ঢাকা মেট্রো ১৫-২৮৯৩। এই গাড়িটি গত ১৮ জুলাই উত্তরায় আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে দুষ্কৃতকারীরা জ্বালিয়ে দিলেও সেই মোটর সাইকেলের নামে এখনো জ্বালানী তেল তোলা হচ্ছে প্রতিদিন। তিনি প্রতি ৫ দিন পর পর ৯ লিটার করে জ্বালানি তেল নিচ্ছেন। গত গত মঙ্গলবার ৯ লিটার জ্বালানি নিয়েছেন। এভাবে নানাভাবে অনিয়ম দুর্নীতি করে উত্তর সিটিতে শত শত কোটি টাকা আত্মসাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এসএম শফিকুর রহমান বলেন, এসটিএস’ বিক্রির পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করেছেন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল বাকী। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিক্রি করার জন্য। অপর অভিযোগগুলো তিনি অস্বীকার করেন। ডিএনসিসির নতুন প্রশাসক মিলটন ডিএনসিসিতে অনিয়ম, দুর্নীতি, ভুয়া বিল ভাউচারে কোটি কোটি টাকা লুটপাট অবশ্যই তদন্ত করা হবে। দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এখানে দুর্নীতিবাজদের কোন ছাড় দেয়া হবে না।

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 প্রানের বাংলাদেশ