শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
জাতীয় স্মৃতিসৌধে আশুলিয়া থানা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত আওয়ামী প্রতিহিংসার শিকার তিতাস গ্যাস কর্মচারী শ্রমিক দল নেতা চাকরিচ্যুত শওকত ইমামের মানবেতর জীবনযাপন। বাকেরগঞ্জে উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও মালিকানার সংকট পঞ্চগড়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রম শক্তিশালী করতে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। রাজশাহী প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় নির্মাণাধীন মসজিদুল আকবর কমপ্লেক্সের ছাঁদ ধসে ক্ষয়ক্ষতি ! কন্ট্রাকটর ও প্রকৌশলীর গাফিলতির অভিযোগ !! প্রেমের অনন্য উপাখ্যান: কাপাসিয়ায় মালয়েশিয়ান তরুণী হাফিজা ও রাকিবের বিয়েতে নায়িকা প্রিয়াংকা ফোরকান মাস্টারকে ঘিরে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সত্য, মানবিকতা ও সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে এলাকাবাসীর আহ্বান গংগাচড়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কার্যকরী পরিষদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত মানবিক সহায়তার আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জি.আর চাল বিতরণ কোরবানির ঈদে পশুর সংকট নেই, ভারতীয় গরু ঠেকাতে কঠোর নজরদারি: সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন আমীরসহ তিন মরহুমের জানাজায় শোকাবহ পরিবেশ কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রে মিকাইল বিশ্বাসকে ঠেকানো যাবে না বললেন এলাকার সাধারণ জনগণ গাজীপুরে জুতা কারখানায় আগুন ভোলায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, ৩ মাস ৭দিনের কারাদণ্ড। আত্রাইয়ে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান-চাল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন মুরাদনগরে মাদকবিরোধী অভিযানে বিদেশি মদ, ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ আটক ২ গাজীপুরে টিকটক করতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল ২ এসএসসি পরীক্ষার্থীর গাজীপুরে আলোচিত ৫ খুন: সেই ফোরকানের মরদেহ উদ্ধার পদ্মা নদীতে ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার চাল বিতর অনিয়মে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা গাজীপুরের তুরাগ নদীতে তলিয়ে যাওয়া বন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই কিশোরের মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত নূরনবীকে দেখতে জনতার ভিড়! বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোসলেহ, সম্পাদক শামীমা পারভীন রাণীশংকৈলে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, ধর্ষক কিশোর গ্রেপ্তার প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিবের আস্থাভাজন ছাত্রনেতা তানভীর অসুস্থ, দোয়া কামনা ২০৬ পিস ইয়াবাসহ ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে গ্রেফতার ৫ মাদক ব্যবসায়ী সাতকানিয়ায় ২স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে আটক-৪!ভিকটিমদেরকে উদ্ধার। আটিগ্রাম ভূমি অফিসের ছত্রছায়ায় চলছে অবৈধ ড্রেজার ও মাটি বাণিজ্য কৃষিজমি ধ্বংসের অভিযোগ, প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ স্থানীয়দের
জরুরী নোটিশ :
জরুরী নোটিশ এবং সতর্কবার্তা ""গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক  মিডিয়া ভুক্ত পত্রিকা দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।  কিছু কুচুক্তি মহল বিভিন্ন গণমাধ্যমের আইডি কার্ড নকল করে বিভিন্ন প্রকার অপরাধে জড়াচ্ছে কিছুদিন পর পর পত্রিকার এসব খবরে আমরা বিভ্রান্ত। এরকম বেশ কয়েকজন অপরাধী দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার আইডি কার্ড নকল করেছে এমন প্রমাণিত হওয়াতে আমরা তাদের বিরুদ্ধে  তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি। এবং সংবাদ প্রকাশ করে এসব অপরাধীদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নাই বলে আমরা ঘোষণা দিয়েছি।  সেই সাথে আমরা আমাদের প্রদত্ত বিগত দিনের সকল আইডি কার্ড পরিবর্তন করে স্ক্যানিং কোড সিস্টেম করে নতুন আঙ্গিকে আইডি কার্ড তৈরি করেছি।  দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের কে সম্মানের সাথে জানাচ্ছি আপনারা  আপনাদের পুরনো আইডি কার্ড পত্রিকা অফিসে জমা দিয়ে সেই সাথে নতুন করে ভোটার আইডি কার্ড এবং  আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদের সত্যায়িত ফটোকপি সহ জমা দিয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন আইডি কার্ড সংগ্রহ করার জন্য নির্দেশ দেয়া গেল। পত্রিকা কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশ যারা অমান্য করবে তাদেরকে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃত বলে গণ্য করবেন। আপনাদের জ্ঞাতার্থে আরও জানাচ্ছি যে  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশক্রমে সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার মান নির্ণয় সহ সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরি করছেন, মাননীয় সাবেক বিচারপতি প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ইতিমধ্যে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছেন। পুনরায় আপনার ভোটার আইডি কার্ড এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা অভিজ্ঞতার সনদ সকল কিছু সত্যায়িত করে নতুনভাবে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার   কর্তৃপক্ষকে জমা দিয়ে পুরনো কার্ডটি ফেরত দিয়ে নতুন আইডি কার্ড নেওয়ার জন্য নির্দেশ রইল।  আদেশক্রমে --আব্দুল্লাহ আল মামুন--প্রকাশক ও সম্পাদক--দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ ।

ঝিনাইদহে ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন বাঁশের সাঁকো দিয়ে পার হচ্ছেন ৬ গ্রামের ২৫ হাজার মানুষ

সৌভিক পোদ্দার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি / ৬৫ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন

নদের একপাশে রয়েছে ৫ (পাঁচটি) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আর দুই পাশে রয়েছে ৬(ছয়)টি গ্রাম।এসব গ্রামে প্রায় ২৫ (পঁচিশ) হাজার মানুষের বসবাস। কিন্তু এই মানুষের বড় এবং একমাত্র ভোগান্তির কারণ একটি বাঁশের সাঁকো।
জলিলপুর ও যুগিহুদা গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া কপতাক্ষ নদের রয়েছে এই সাঁকো টি, যার উপর দিয়ে এলাকার মানুষ দীর্ঘ ২৫ (পঁচিশ)বছর ধরে পারাপার করছেন।
স্থানীয়রা জানান, এই স্থানে একটি সেতুর দাবি তাদের দীর্ঘদিনের, কিন্তু এখনো সেতু নির্মাণ হয়নি। প্রথম ২৫ বছর মানুষ নৌকায় পার হয়েছেন, আর পরের ২৫ বছর পার হচ্ছেন সাঁকো দিয়ে। গত বছর নদী খননের সময় সেই সাঁকোটিও ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। পরে এলাকার মানুষ নিজেদের অর্থায়নে আবার এটি তৈরি করেছেন। এমন পরিস্থিতি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা শহরের উত্তর পাশের গ্রামগুলোর।

যুগিহুদা গ্রামের বাসিন্দা রবিউল ইসলাম জানান, মহেশপুর উপজেলা শহরের উত্তর পাশ দিয়ে বয়ে গেছে কপোতাক্ষ নদ। এই নদের দুই পাড়ে রয়েছে জলিলপুর, যুগিহুদা, কদমতলা, সড়াতলা, নিমতলা ও বেড়েরমাঠ গ্রাম। এর মধ্যে যুগিহুদা গ্রামটি তিন দিক থেকে কপোতাক্ষ নদে ঘেরা। তিনি আরও জানান, এসব গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন প্রায় সব কাজই করতে হয় জলিলপুর বাজারে। এই বাজারেই রয়েছে একটি কলেজ, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ছেলে ও মেয়েদের জন্য আলাদা দুটি মাদ্রাসা। এসব প্রতিষ্ঠানে গ্রামের ছেলে-মেয়েরা পড়াশোনা করে। তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়েই এই বাঁশের সাঁকো পারাপার হয়।

রবিউল ইসলাম জানান, যেখানে বর্তমানে সাঁকো রয়েছে, তার দুই পাশে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। সেতুর পাশের এলাকার মানুষ এতে উপকৃত হচ্ছেন। কিন্তু এই ৬ গ্রামের মানুষকে মহেশপুর বা জলিলপুর শহরে যেতে হলে অন্তত ৪ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়।

মহেশপুর পৌর মহিলা কলেজের শিক্ষক ও যুগিহুদা গ্রামের বাসিন্দা এম. এ. আসাদ জানান, ছোটবেলায় তিনি দেখেছেন ৬টি গ্রামের মানুষ কষ্ট করে নৌকায় পার হচ্ছেন। পারাপারের খাজনা হিসেবে অনেকের মাসিক চুক্তিও ছিল। পরে ৯০-এর দশকে এলাকার মানুষ গ্রামে গ্রামে বাঁশ সংগ্রহ করে সাকো তৈরি করেন। এরপর সবাই সেই সাকো দিয়ে পার হতে শুরু করেন। কিন্তু দুই বছরের বেশি সাঁকো টেকে না, ভেঙেচুরে যায়। তাই প্রতি দুই বছর পর নতুন করে সাঁকো তৈরি করতে হয়। তিনি বলেন, নতুন করে সাঁকো তৈরি করলে কিছুদিন মোটামুটি চলাচল করা যায়। এরপর আবার ভেঙে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। সেই ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়েই চলাচল করতে হয়। এভাবে চলতে চলতে প্রায় ২৫ বছর পার হয়ে গেছে। গত বছর কপোতাক্ষ নদ খনন করা হয়। সেই সময় তাদের তৈরি বাঁশের সাঁকোটি ভেঙে দেওয়া হয়। তখন মানুষের ভোগান্তির শেষ ছিল না। পরে গত ডিসেম্বর মাসে তারা আবার নতুন করে সাঁকো তৈরি করেছেন। এই সাঁকো তৈরি করতে তাদের অনেক টাকা ব্যয় হয়, যা এলাকার মানুষ নিজেদের প্রয়োজনেই দেন।

সরেজমিনে সাঁকোর স্থানে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় সবসময়ই সাঁকোর ওপর মানুষ চলাচল করছে। কেউ এপার থেকে ওপারে যাচ্ছেন, আবার কেউ ওপার থেকে এপারে আসছেন।

শেফালী বেগম নামের এক বৃদ্ধা কষ্ট করে বাঁশ ধরে সাকো পার হচ্ছিলেন। তিনি বলেন, বাবা, এত কষ্ট করা যায় না। নুর আলী নামের আরেক পথচারী জানান, মাঝে মধ্যেই পত্রিকায় অপ্রয়োজনীয় সেতুর খবর দেখা যায় যেখানে দুই পাশে রাস্তা নেই, কিন্তু মাঝখানে সেতু আছে। অথচ তাদের এখানে প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও সেতু হচ্ছে না। ফলে ৬ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তিতে রয়েছেন। তিনি আরও বলেন, তাদের ও পাশের গ্রামগুলোর মানুষ এখন কাজ করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছেন। দৈনন্দিন জীবনে তেমন কোনো সমস্যা নেই, সমস্যা একটাই চলাচলের জন্য এই বাঁশের সাকো, যার দ্রুত সমাধান হবে বলে তিনি আশা করেন।

জলিলপুর বাজার কমিটির সভাপতি হায়াত আলী জানান, এখানে একটি সেতু খুবই প্রয়োজন। কোমলমতি শিশুরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সাঁকো দিয়ে পার হয়, যা দেখলে সবারই ভয় লাগে। এই সাঁকোতে অনেক দুর্ঘটনাও ঘটেছে। তিনি বলেন, প্রতি বছর বাজার থেকে টাকা তুলে এই বাঁশের সাঁকোটি মেরামত করা হয়।

জলিলপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুক্তি রানী বসু জানান, তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যুগিহুদা গ্রামের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। তারা প্রতিদিন খুব কষ্ট করে এই সাকো দিয়ে যাতায়াত করে।

জলিলপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিছুজ্জামান জানান, তাদের বিদ্যালয়ে যুগিহুদা, কদমতলা, সড়াতলা, নিমতলা ও বেড়েরমাঠ গ্রামের অনেক ছেলে-মেয়ে পড়াশোনা করে। তারা প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো পার হয়ে স্কুলে আসে-যায়। তিনি বলেন, একটি সেতুর জন্য বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেছেন, কিন্তু এখনো কোনো ফল হয়নি।

এলজিইডির মহেশপুর উপজেলা প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) সৈয়দ শাহরিয়ার আকাশ জানান, এই স্থানে একটি সেতু নির্মাণের চেষ্টা করা হচ্ছে। অনূর্ধ্ব ১০০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি সেতুর জন্য তিন দফা প্রস্তাব প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন পেলে তারা সেতুর কাজ শুরু করতে পারবেন বলে আশা করছেন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *