শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন
আরবরিকালচার গণপূর্ত বিভাগে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত আবুল কালাম আজাদকে ১০% কমিশন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, আজাদ সরকারি প্রকল্পের ফাইল অনুমোদন ও তদারকির জন্য ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য অর্থ দাবি করেন। অভিযোগ পাওয়া গেছে যে, প্রায় প্রতিটি ফাইলের স্বাক্ষরের জন্য অর্থ ছাড়া কার্যক্রম এগোয় না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারি কর্মকর্তা বলেন, “সরকারি প্রকল্পে অনুমোদনের সময় স্বচ্ছতা অপরিহার্য। যদি কমিশন বা লোভ নেওয়া হয়, তা শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়, প্রশাসনিক বিশ্বাসযোগ্যতাকেও প্রভাবিত করে।”
সরকারি নীতি অনুযায়ী, কর্মকর্তাদের নৈতিক ও আইনি আচরণ বজায় রাখা আবশ্যক। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দুর্নীতি দমন কমিশন (ACC) তদন্ত শুরু করে এবং প্রমাণের ভিত্তিতে প্রশাসনিক বা আইনি ব্যবস্থা নিতে পারে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন অভিযোগ প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জনগণের আস্থা নষ্ট করে। সরকারি সম্পদ সঠিকভাবে ব্যবহার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের দায়িত্ব রয়েছে। ব্যক্তিগত আর্থিক লোভ প্রকল্পের সময়সূচী ব্যাহত, অতিরিক্ত খরচ বাড়ায় এবং জনমতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
সরকারের উচিত যথাযথ তদারকি, প্রমাণভিত্তিক তদন্ত এবং দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। জনগণও লিখিত প্রমাণসহ সঠিক চ্যানেলের মাধ্যমে অভিযোগ জানাতে পারেন, যা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
আজাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা অপরিহার্য। কর্মকর্তাদের নৈতিক ও স্বচ্ছ আচরণ নিশ্চিত না হলে সরকারি প্রকল্প ও দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় ক্ষতি হতে পারে।