শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন
খুলনা-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলার রাখাল রাজা। তাকে বাংলাদেশের মানুষ কোনোদিন ভুলবে না। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ঘুমন্ত ও নিরস্ত্র জনগণের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায় এবং ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যা সংঘটিত করে। পৃথিবীর ইতিহাসে এই নৃশংস গণহত্যা ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে পরিচিত। সেই ভয়াল রাতে মেজর জিয়াউর রহমান পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। পরদিন ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বেতার কেন্দ্রের কর্মীদের সহায়তায় তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা সারা জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শুধু স্বাধীনতার ঘোষকই নন, তিনি ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, রণাঙ্গনের সেক্টর কমান্ডার ও ‘জেড ফোর্স’ এর অধিনায়ক। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর, উৎপাদনমুখী ও জাতীয়তাবাদী চেতনায় গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন, গ্রামভিত্তিক উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাল খনন, শিল্পায়ন ও আত্মমর্যাদাশীল পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে তিনি দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন।
আজিজুল বারী হেলাল বলেন জিয়াউর রহমান ছিলেন সাধারণ মানুষের নেতা যিনি মাঠে-ঘাটে, কৃষকের পাশে দাঁড়িয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এ কারণেই তিনি বাংলার মানুষের হৃদয়ে ‘রাখাল রাজা’ হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।
তিনি ১৯ জানুয়ারি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে দিঘলিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সরকারি এম মজিদ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাসির উদ্দিন, সরোয়ার খান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আলতাফ হোসেন, মোল্লা জালাউদ্দিন কলেজের অধ্যক্ষ মো. শামিম হোসেন, অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মুফতি আহম্মদুল্লাহ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দিঘলিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোল্লা সাইফুর রহমান মিন্টু, অধ্যক্ষ মনিরুল হক বাবুল, অধ্যাপক শেখ মুনিবুর রহমান, মোজাম্মেল শরিফ, নাজমুল মোল্লা, মনির মোল্লা, রেজাউল ইসলাম রেজা, মো. রয়েল, হাসিবুর রহমান সাদ্দাম, কুদরতি ইলাহি স্পিকার, আব্দুল কাদের জনি, মনিরুল গাজী, টুটুল, হিমেল গাজী, মেহেদি সহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রফিকুল ইসলাম বাবু ও কামাল হোসেন প্রমুখ।