শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন
বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলা পৌর এলাকায় হাট বাজার,সরকারি হাসপাতাল সহ বেসরকারি ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চিকিৎসা বর্জ্যসহ পৌর কর্তৃপক্ষের বর্জ্য রাস্তার উপরে,হাট বাজারের মধ্যে,আবাসিক এলাকা থেকে নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে।
এসব বর্জ্য নদীর তীর থেকে রাস্তার ওপরেই জমে থাকছে বছরের পর বছর ধরে,পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে সড়কের ধারে ও ড্রেনে বর্জ্য ফেলে স্তুপ করে রাখা হয়েছে,এতে চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে পৌরবাসী। এর মধ্যেই বেড়েছে এডিসসহ সব মশার প্রজনন,মশার উৎপাতে নাজেহাল পৌর এলাকার মানুষ। বিশেষ করে পৌর এলাকার ১নং ওয়ার্ডের বাকেরগঞ্জ বরগুনা আঞ্চলিক সড়কের পাশে ও বাকেরগঞ্জ বন্দরে পুরানো লঞ্চঘাট তুলাতলা নদীর তীরে ময়লার ভাগাড় থেকে রোগ জীবাণুসহ মশা-মাছির বংশবিস্তারে আবাসিক এলাকায় মানুষ বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়,
বাকেরগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড ভিআইপি ক্লিনিক সংলগ্ন বাকেরগঞ্জ বরগুনা সড়কের পাশে গড়ে উঠেছে জাহানারা ক্লিনিক,গ্রীন লাইফ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ একাধিক ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে প্রতিদিনের চিকিৎসা বর্জ্য সড়কের উত্তর পাশে আবাসিক এলাকায় সাধারণ বর্জ্যরে মত কোনো সুরক্ষা ছাড়াই ঝুঁকিপূর্ণ ফেলা হচ্ছে যেখানে সেখানে,এমনকি পৌরসভার বর্জ্য একই স্থানে ফেলা হচ্ছে।
ইঞ্জেকশনের সূচ,জীবাণুযুক্ত তুলা,ব্যান্ডেজ বা মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সমস্ত পচে গলে মিশে যাচ্ছে বাসস্ট্যান্ড পৌর কাঁচা বাজারের ফেলে দেওয়া সাধারণ বর্জ্যরে সঙ্গে। এ ছাড়াও, টিএন্ডটি রোডের পাশে একাধিক স্থানে ময়লার স্তুপ রয়েছে,টিএন্ডটি রোডের সড়কের পাশে পৌর ড্রেন ময়লা আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে,এছাড়াও বন্দরের আবাসিক এলাকা ও পৌর কর্তৃপক্ষের বর্জ্য শহরের পাশ দিয়ে বয়ে খাল নদীতে দেখা যায়,
এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন,পৌরসভার পক্ষ থেকে শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন ময়লা অপসারণ করা হয়,তবে পৌর কর্তৃপক্ষের নির্দিষ্ট কোনো স্থান না থাকায় ময়লা আবর্জনা সড়কের পাশেই রাখা হচ্ছে,আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট স্থান স্থাপন করে সেখানে ময়লা আবর্জনা ডাম্পিং করার জন্য।