1. amarpranerbd@gmail.com : news :
  2. amarpranerbangladesh@gmail.com : PRANER BD REPORTER : PRANER BD REPORTER
  3. editor.amarpranerbd.official@gmail.com : Newsdesk :
শিরোনাম :
টঙ্গীতে শান্তা জুয়েলার্সের মালিক কাস্টমারের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ,থানায় একাধিক লিখিত অভিযোগ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গাইবান্ধায় আনন্দ র‍্যালি ও সমাবেশ শ্রীপুরের মানুষের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পুরাতন খলনায়ক নতুন করে আবির্ভাব। কুড়িগ্রামে পালিত হলো বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ডিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৭,  সরফভাটা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী ও গুণীজন সংবর্ধনা কবে হবে সুন্দরবন দস্যুমুক্ত আজ থেকে নিষেধাজ্ঞা শেষে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বনে ফিরছেন জেলে-বাওয়ালিরা কেশবপুরে জামায়াতে ইসলামীর ইউনিট দায়িত্বশীল সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত সওজ’র গাফলতি চরমে,অকেজো হচ্ছে কোটি টাকার ফেরি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে চৈতী কম্পোজিট  লিঃকে ৭৫ লক্ষ ৪ হাজার টাকা জরিমান ধার্য করা হয় 

অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া একজন জাতীয় শিক্ষক নেতা : ভালবাসতে না পারলেও উলঙ্গ হয়ে বিরোধিতা না করুন!

এ আর জাফরী
  • Update Time : Thursday, January 8, 2026,
  • 135 Time View

অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া একজন জাতীয় শিক্ষক নেতা : ভালবাসতে না পারলেও উলঙ্গ হয়ে বিরোধিতা না করুন!

এ আর জাফরী

গুণীজনের অসম্মান কোনো সমাজ বা দেশের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনতে পারে না। কুমিল্লার মেঘনার কৃতী সন্তান অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, যিনি শুধু মেঘনার গর্ব নন, তিনি সারা দেশের শিক্ষক সমাজের প্রেরণার বাতিঘর। নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা প্রচার ও প্রসারে তিনি একজন প্রধান কাণ্ডারি। অথচ দুঃখজনকভাবে, তার মতো একজন মানুষের বিরুদ্ধে নোংরা রাজনীতি করা হচ্ছে।
কেন এই নোংরা রাজনীতি?
হোমনা-মেঘনা আসন পুনর্বহালের দাবি তার নৈতিক দায়িত্ব। মেঘনার বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের কথা বলা মানে অন্য কোনো জাতীয় নেতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া নয়; এটা জন্মভূমির অধিকার আদায়ের দাবি। এই দাবিটি প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি অগ্রগামী ভূমিকা পালন করায় মেঘনার কতিপয় অসাধু ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্যসন্ত্রাস চালাচ্ছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় হাইকমান্ডের মানবিকতার দৃষ্টিতে দেখা জরুরি। কারণ গুণীজনের কদর না করা হলে ভবিষ্যতে আর কোনো গুণীজন জন্মাবে না।
ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, অনেক গুণীজন নিজ এলাকা বা স্বজনদের কাছ থেকে যথাযথ সম্মান বা মূল্যায়ন পাননি। মহানবী (সা.)-কেও নিজ স্বজন ও স্থানীয়দের অত্যাচারে মদিনায় হিজরত করতে হয়েছিল। অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার মতো একজন জাতীয় নেতাকে আমরা নিজেরাই হয়তো মেঘনা থেকে ‘হিজরত’ করতে বাধ্য করছি। তার সবচেয়ে বড় ভুল সম্ভবত এটাই যে, তিনি জাতীয় রাজনীতি ছেড়ে নিজ এলাকার উন্নয়নে মন দিয়েছেন।
নেতৃত্ব ও যোগ্যতার মূল্যায়ন
জাতীয় নেতাদের মানদণ্ড কেবল তাদের জন্মস্থানের সংকীর্ণ গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকে না। বরং তাদের যোগ্যতা, নেতৃত্ব এবং দেশের প্রতি তাদের অবদানই আসল পরিচয়। কুমিল্লা ১ ও ২-এর ভবিষ্যৎ কাণ্ডারি, আগামীর রাষ্ট্রনায়ক জননেতা তারেক রহমানের বিশ্বস্ত সিপাহসালা, বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মোঃ সেলিম ভূঁইয়া। তিনি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে এবং গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার পাশে থেকে দেশ রক্ষায় অগ্রগামী নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি জননেতা তারেক রহমানের প্রতিটি নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করে নেতাকর্মীদের ভালোবাসা ও বিশ্বাস অর্জন করেছেন।
আমাদের আহ্বান
আমরা যেন নিজেদের নাক কেটে অন্যের যাত্রা ভঙ্গ করতে পারদর্শী। বাইরের নেতাদের গোলামি করতে আমরা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি, কিন্তু নিজেদের মধ্য থেকে উঠে আসা নেতাদের আমরা বিন্দুমাত্র সম্মান দিতে পারি না। এই মানসিকতা যতদিন না বদলাবে, ততদিন মেঘনায় নতুন কোনো জাতীয় নেতার উত্থান হবে বলে মনে হয় না। এই প্রবণতা থেকে বেরিয়ে এসে আমাদের নিজেদের গুণীজনদের সম্মান করতে শেখা উচিত। এটাই আমাদের আত্মসমালোচনার মূল জায়গা।
পরিশেষে আমরা আশাবাদী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জননেতা তারেক রহমান তার বিশ্বস্ত সিপাহসালাকে চিনতে ভুল করবেন না। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা ২ থেকে ধানের শীষ প্রতীক দিয়ে তাকে যথাযথ মূল্যায়ন করেছেন। গুণীজনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আসুন, আমরা সকলে মিলে অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার মতো সৎ ও যোগ্য নেতার প্রতি সম্মান জানাই এবং নোংরা রাজনীতি পরিহার করি।
অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সেলিম ভূঁইয়া; মেঘনার রাজনীতিতে এক অদ্বিতীয় বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর*
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সেলিম ভূঁইয়া মেঘনা অঞ্চলের রাজনীতিতে এক উজ্জ্বল, অবিচ্ছেদ্য নাম। একটি উপমাটি তাঁর প্রতিপক্ষদের উদ্দেশ্যে তাঁর অবস্থানের দৃঢ়তাকে স্পষ্ট করে তোলে—যেমন শত শত সুপারি গাছ একত্রিত হলেও একটি সুউচ্চ তালগাছের সমকক্ষ হতে পারে না, ঠিক তেমনি অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়াকে প্রতিপক্ষ ভেবে ঈর্ষান্বিত হয়ে যারা নীল নকশা তৈরি করতে ব্যস্ত, তাদের সম্মিলিত শক্তিও তাঁর একক ব্যক্তিত্ব, জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতার সমতুল্য নয়।
অধ্যক্ষ ভূইয়া মজলুম, পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা; শিক্ষার আলোয় জনসেবা* :
অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া শুধুমাত্র একজন প্রথম সারির রাজনীতিবিদ নন, তিনি বিএনপি’র একজন মজলুম, পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহু প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেছেন, যা তাঁর নেতৃত্বের দৃঢ়তা ও আদর্শের প্রতি অবিচল আস্থা প্রমাণ করে। দলের ক্রান্তিলগ্নে তিনি সবসময় সামনের সারিতে থেকেছেন।

পাশাপাশি, তিনি বাংলাদেশ শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য জোটের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং একজন প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ হিসেবেও সুপরিচিত। শিক্ষার আলো ছড়ানোর ব্রত নিয়ে তিনি যেমন অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তেমনি রাজনীতির মাঠেও তিনি তাঁর আদর্শ ও নীতির প্রতি অবিচল। তাঁর এই দুই ভিন্ন ক্ষেত্রে সফল পদচারণা তাঁর বহুমুখী যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার প্রমাণ দেয়।
বিশেষ করে, কুমিল্লার হোমনা-মেঘনা নির্বাচনী এলাকায় তাঁর অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ়; সেখানে তাঁর কর্মতৎপরতা স্থানীয় রাজনীতিতে তাঁকে এক ‘অদ্বিতীয়’ ও ‘অভিভাবক’-এর মর্যাদা দিয়েছে।
বিভিন্ন জনসভায় তাঁর পক্ষে ওঠা স্লোগান-“হোমনা-মেঘনার মাটি সেলিম ভূঁইয়ার ঘাঁটি”-এলাকার মানুষের হৃদয়ে তাঁর স্থানটি কতখানি, তা স্পষ্ট করে দেয়।
মেঘনার একক শক্তি; সমকক্ষহীন এক নেতৃত্ব*
উপরে উল্লেখিত প্রখর উপমাটি তুলে ধরা হয়েছে, তা অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার আত্মবিশ্বাস এবং তাঁর অবস্থানের অনিবার্যতাকে তুলে ধরে:
“ফ্যাক্ট- মেঘনায় অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া একজনই, যারা অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়াকে প্রতিপক্ষ ভেবে, ঈর্ষার্নিত হয়ে নিল নকশার ছক তৈরিতে ব্যস্ত, তাদের সবকটাকে একত্র করিলে ও একজন অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার সমান হবেনা, তাই ফাও চিগলায়া কোন লাভ নাই, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া একটাই।”
এই বক্তব্য কেবল একটি হুঁশিয়ারি নয়, বরং এটি তাঁর দীর্ঘদিনের ত্যাগ, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার এক অকাট্য স্বীকৃতি। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা এবং সাংগঠনিক গভীরতা তাঁকে মেঘনার রাজনীতিতে এক অপ্রতিরোধ্য অবস্থানে নিয়ে এসেছে।
মেঘনায় তার সমকক্ষ কেউ নাই আর হবেও না, বাকিরা এপার ওপারের সেবাদাস মাত্র। তাঁর এই একক অবস্থানই প্রমাণ করে, তিনি কেবল একজন নেতা নন, তিনি মেঘনার জনসাধারণের আশা-আকাঙ্ক্ষার মূর্ত প্রতীক। দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর কঠোর অবস্থান, নারীর উন্নয়ন এবং যুবকদের জন্য প্রশিক্ষণের মতো জনকল্যাণমূলক কাজের অঙ্গীকার তাঁকে এলাকার মানুষের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।
তাঁর এই অদম্য স্পৃহা ও নেতৃত্ব গুণই তাঁকে রাজনীতির মাঠে একজন অবিসংবাদী চরিত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে, যেখানে ফিসফিসানি বা চক্রান্ত তাঁকে সামান্যতমও টলাতে পারে না।

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 প্রানের বাংলাদেশ