শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
জাতীয় স্মৃতিসৌধে আশুলিয়া থানা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত আওয়ামী প্রতিহিংসার শিকার তিতাস গ্যাস কর্মচারী শ্রমিক দল নেতা চাকরিচ্যুত শওকত ইমামের মানবেতর জীবনযাপন। বাকেরগঞ্জে উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও মালিকানার সংকট পঞ্চগড়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রম শক্তিশালী করতে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। রাজশাহী প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় নির্মাণাধীন মসজিদুল আকবর কমপ্লেক্সের ছাঁদ ধসে ক্ষয়ক্ষতি ! কন্ট্রাকটর ও প্রকৌশলীর গাফিলতির অভিযোগ !! প্রেমের অনন্য উপাখ্যান: কাপাসিয়ায় মালয়েশিয়ান তরুণী হাফিজা ও রাকিবের বিয়েতে নায়িকা প্রিয়াংকা ফোরকান মাস্টারকে ঘিরে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সত্য, মানবিকতা ও সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে এলাকাবাসীর আহ্বান গংগাচড়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কার্যকরী পরিষদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত মানবিক সহায়তার আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জি.আর চাল বিতরণ কোরবানির ঈদে পশুর সংকট নেই, ভারতীয় গরু ঠেকাতে কঠোর নজরদারি: সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন আমীরসহ তিন মরহুমের জানাজায় শোকাবহ পরিবেশ কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রে মিকাইল বিশ্বাসকে ঠেকানো যাবে না বললেন এলাকার সাধারণ জনগণ গাজীপুরে জুতা কারখানায় আগুন ভোলায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, ৩ মাস ৭দিনের কারাদণ্ড। আত্রাইয়ে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান-চাল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন মুরাদনগরে মাদকবিরোধী অভিযানে বিদেশি মদ, ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ আটক ২ গাজীপুরে টিকটক করতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল ২ এসএসসি পরীক্ষার্থীর গাজীপুরে আলোচিত ৫ খুন: সেই ফোরকানের মরদেহ উদ্ধার পদ্মা নদীতে ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার চাল বিতর অনিয়মে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা গাজীপুরের তুরাগ নদীতে তলিয়ে যাওয়া বন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই কিশোরের মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত নূরনবীকে দেখতে জনতার ভিড়! বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোসলেহ, সম্পাদক শামীমা পারভীন রাণীশংকৈলে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, ধর্ষক কিশোর গ্রেপ্তার প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিবের আস্থাভাজন ছাত্রনেতা তানভীর অসুস্থ, দোয়া কামনা ২০৬ পিস ইয়াবাসহ ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে গ্রেফতার ৫ মাদক ব্যবসায়ী সাতকানিয়ায় ২স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে আটক-৪!ভিকটিমদেরকে উদ্ধার। আটিগ্রাম ভূমি অফিসের ছত্রছায়ায় চলছে অবৈধ ড্রেজার ও মাটি বাণিজ্য কৃষিজমি ধ্বংসের অভিযোগ, প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ স্থানীয়দের
জরুরী নোটিশ :
জরুরী নোটিশ এবং সতর্কবার্তা ""গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক  মিডিয়া ভুক্ত পত্রিকা দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।  কিছু কুচুক্তি মহল বিভিন্ন গণমাধ্যমের আইডি কার্ড নকল করে বিভিন্ন প্রকার অপরাধে জড়াচ্ছে কিছুদিন পর পর পত্রিকার এসব খবরে আমরা বিভ্রান্ত। এরকম বেশ কয়েকজন অপরাধী দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার আইডি কার্ড নকল করেছে এমন প্রমাণিত হওয়াতে আমরা তাদের বিরুদ্ধে  তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি। এবং সংবাদ প্রকাশ করে এসব অপরাধীদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নাই বলে আমরা ঘোষণা দিয়েছি।  সেই সাথে আমরা আমাদের প্রদত্ত বিগত দিনের সকল আইডি কার্ড পরিবর্তন করে স্ক্যানিং কোড সিস্টেম করে নতুন আঙ্গিকে আইডি কার্ড তৈরি করেছি।  দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের কে সম্মানের সাথে জানাচ্ছি আপনারা  আপনাদের পুরনো আইডি কার্ড পত্রিকা অফিসে জমা দিয়ে সেই সাথে নতুন করে ভোটার আইডি কার্ড এবং  আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদের সত্যায়িত ফটোকপি সহ জমা দিয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন আইডি কার্ড সংগ্রহ করার জন্য নির্দেশ দেয়া গেল। পত্রিকা কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশ যারা অমান্য করবে তাদেরকে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃত বলে গণ্য করবেন। আপনাদের জ্ঞাতার্থে আরও জানাচ্ছি যে  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশক্রমে সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার মান নির্ণয় সহ সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরি করছেন, মাননীয় সাবেক বিচারপতি প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ইতিমধ্যে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছেন। পুনরায় আপনার ভোটার আইডি কার্ড এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা অভিজ্ঞতার সনদ সকল কিছু সত্যায়িত করে নতুনভাবে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার   কর্তৃপক্ষকে জমা দিয়ে পুরনো কার্ডটি ফেরত দিয়ে নতুন আইডি কার্ড নেওয়ার জন্য নির্দেশ রইল।  আদেশক্রমে --আব্দুল্লাহ আল মামুন--প্রকাশক ও সম্পাদক--দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ ।

বিছানায় শুয়ে বাচ্চা পয়দা করলেই সংসার হয় না! আপনি কি মানুষ নাকি কেবল বংশবৃদ্ধির মেশিন

শের ই গুল: / ৭৩ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন

বিছানায় শুয়ে বাচ্চা পয়দা করলেই সংসার হয় না! আপনি কি মানুষ নাকি কেবল বংশবৃদ্ধির মেশিন

শের ই গুল:

[সতর্কবার্তা: দুর্বল চিত্তের এবং ভণ্ড সজ্জনদের জন্য এই লেখা নয়। সত্য হজম করার ক্ষমতা থাকলে পড়ুন, নতুবা এড়িয়ে যান।]
শুনতে খুব খারাপ লাগছে, তাই না? গায়ে জ্বালা ধরছে? ধরুক। কারণ, আপনি হয়তো সেই মানুষটা, যে নিজেকে মহান মনে করেন, কিন্তু আসলে আপনি আপনার পরিবারের জন্য একটা বোঝা ছাড়া আর কিছুই নন।
আসুন, সোজা কথায় আসি। কোনো রাখঢাক নয়, কোনো পলিটিক্যাল কারেক্টনেস নয়।
যদি আপনি একজন পুরুষ হন এবং আপনার ধমনীতে অঢেল টাকা কামানোর নেশা না থাকে, যদি আপনার সকাল-সন্ধ্যা শুধু “ডাল-ভাত” খেয়ে বেঁচে থাকার সন্তুষ্টি থাকে—তবে আপনি পুরুষ নন। আপনি স্রেফ একটা ‘কুকুর’-এর জীবন যাপন করছেন। শুনতে খুব ব্রুটাল লাগছে? বাস্তবতা এর চেয়েও ভয়ংকর। একটা রাস্তার কুকুরেরও লক্ষ্য থাকে—পেট ভরা। আপনার লক্ষ্যও যদি শুধুই পেট ভরা আর রাতে বাড়ি ফিরে কম্বল মুড়ি দিয়ে ঘুমানো হয়, তবে ওই চতুষ্পদ প্রাণীটির সাথে আপনার পার্থক্য কোথায়?
সমাজ আপনাকে শিখিয়েছে”অল্পে তুষ্ট থাকো”, “টাকায় সুখ নেই”। নির্লজ্জ মিথ্যা কথা! এই দর্শনের দোহাই দিয়ে আপনি আপনার অযোগ্যতা আর অলসতাকে ঢেকে রেখেছেন। বাস্তবতা হলো, টাকা ছাড়া আপনি অচল। আপনার সন্তান যখন ভালো স্কুলে পড়ার সুযোগ পাবে না, আপনার বাবা-মা যখন টাকার অভাবে বিনা চিকিৎসায় ধুঁকে ধুঁকে মরবে, আর আপনার স্ত্রী যখন অন্যের দামী শাড়ি বা গয়না দেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলবে—তখন আপনার এই “অল্পে তুষ্ট” থাকার দর্শন তাদের মুখে হাসি ফোটাবে না। উল্টো, তারা মনে মনে আপনাকে অভিশাপ দেবে।
একজন পুরুষের প্রধান এবং একমাত্র ধর্ম হলো—শিকার করা। আধুনিক যুগে শিকার মানে টাকা আয় করা। যে পুরুষ শিকার করতে জানে না, যার টাকা কামানোর ক্ষুধা নেই, সে নপুংসকের সমান। সে তার পরিবারকে নিরাপত্তা দিতে পারে না, সুখ দিতে পারে না। সে শুধু পারে অজুহাত দিতে আর ভাগ্যকে দোষ দিতে।
অন্যদিকে, নারীদের কথায় আসি।
যদি আপনি একজন নারী হন, আর আপনার মধ্যে সংসার আগলে রাখার মতো ধৈর্যের ছিটেফোঁটাও না থাকে, যদি গুছিয়ে সংসার করার বুদ্ধিমত্তা বা ‘ম্যানেজমেন্ট স্কিল’ আপনার না থাকে—তবে আপনিও সংসারের জন্য এক জীবন্ত অভিশাপ।
আজকালকার অনেক নারী মনে করেন, সংসার মানেই হলো স্বামীর টাকা ওড়ানো, সোশ্যাল মিডিয়ায় হ্যাপি কাপল ছবি পোস্ট করা আর বান্ধবীদের সাথে কিটি পার্টি করা। কিন্তু যখনই সংসারের ঝড় আসে, একটু ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয়, তখনই আপনারা খেই হারিয়ে ফেলেন। সামান্য স্যাক্রিফাইস বা বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে সংসারটাকে ধরে রাখার মুরদ আপনাদের নেই। আপনাদের কাছে সংসার মানে—”আমাকে সুখে রাখা হোক, আমি রানীর মতো থাকব”। কিন্তু রানীর মতো থাকতে হলে যে রাজ্য চালানোর যোগ্যতা লাগে, সেটা আপনাদের নেই।
যে নারী তার স্বামীর কষ্টের উপার্জনকে সম্মান করতে জানে না, যে নারী ঘরটাকে প্রশান্তির জায়গা না বানিয়ে কুরুক্ষেত্র বানিয়ে রাখে—সে আসলে নারী নয়, সে একটা প্যারাসাইট বা পরজীবী।
সবচেয়ে ভয়ংকর পরিস্থিতি তখন তৈরি হয়, যখন এই দুই ধরণের “অপদার্থ” মানুষ এক ছাদের নিচে আসে। অথবা, যখন একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী বা ধৈর্যশীল মানুষের ঘাড়ে চাপে এমন কোনো অপদার্থ সঙ্গী।
আমাদের সমাজের ঘরে ঘরে আজ এই চিত্র। হয়তো স্বামী গাধার মতো খাটছে, সংসারের শ্রী বৃদ্ধির জন্য দিনরাত এক করছে, কিন্তু তার স্ত্রী ঘরে বসে সিরিয়াল দেখছে, পরচর্চা করছে আর স্বামীর টাকা ধ্বংস করছে। তার কোনো ভিশন নেই, সংসারের উন্নতি নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই। তার কাছে সংসার মানে—রাতে স্বামীর সাথে শোয়া আর বছর বছর বাচ্চা পয়দা করা। ব্যাস! এর বাইরে তার কোনো অবদান নেই।
আবার উল্টোটাও সত্য। স্ত্রী হয়তো হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে সংসার গুছিয়ে রাখতে চাইছে, ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছে, কিন্তু তার স্বামী এক নিরেট গর্দভ। যার কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা নেই, যে ভাবে—”আল্লাহ যা দেয়, তাতেই হবে”। আরে ভাই, আল্লাহ তো তাকেই দেন যে চেষ্টা করে! আপনার এই অকর্মণ্যতার কারণে আপনার স্ত্রী আপনার দিকে তাকিয়ে করুণা আর ঘৃণার মিশ্রণ অনুভব করে। সে মুখে হয়তো কিছু বলে না, কিন্তু মনে মনে সে জানে—সে এক হেরে যাওয়া পুরুষের সাথে সংসার করছে।
আপনাদের অনেকের কাছে সংসারের সংজ্ঞা হলো—একসাথে থাকা, নিয়ম করে সহবাস করা আর বাচ্চা জন্ম দেওয়া। বিশ্বাস করুন, এই কাজটা রাস্তার কুকুর-বিড়ালও আপনার চেয়ে ভালো পারে। ওদেরও বাচ্চা হয়, ওরাও একসাথে থাকে। তাহলে মানুষ হিসেবে আপনার শ্রেষ্ঠত্ব কোথায়?
যাদের মধ্যে সংসারের উন্নতির কোনো জেদ নেই, যারা প্রবলেম সলভ করতে জানে না, যারা শুধু সমস্যা তৈরি করতে জানে—তারা আসলে সমাজের আবর্জনা। এরা যখন মারা যাবে, তখন তাদের পরিবার হাঁফ ছেড়ে বাঁচবে। শুনতে খুব নিষ্ঠুর শোনাচ্ছে? কিন্তু এটাই সত্যি। কত পরিবারে দেখা যায়, বাবা মারা যাওয়ার পর সন্তানরা খুশি হয়, কারণ “বোঝা” নেমে গেছে। কত স্বামী মনে মনে কামনা করে, তার ঝগড়াটে ও অবিবেচক স্ত্রীর মৃত্যু হোক।
আপনার সঙ্গী কি আপনাকে নিয়ে গর্ব করে? নাকি আপনাকে সহ্য করে?
আজ রাতে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে প্রশ্ন করুন।
পুরুষদের জন্য প্রশ্ন:
আপনার পকেটে যদি আজ টাকা না থাকে, আপনার স্ত্রী কি আপনাকে ভালোবাসবে? দয়া করে সিনেমার ডায়লগ দেবেন না। বাস্তবতা হলো, অভাব যখন দরজা দিয়ে আসে, ভালোবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়। আপনার যদি তীব্র টাকা কামানোর নেশা না থাকে, তবে আপনি আপনার স্ত্রী-সন্তানকে ভবিষ্যতে এক অন্ধকার গহ্বরে ঠেলে দিচ্ছেন। আপনি কি প্রস্তুত সেই দিনের জন্য, যেদিন টাকার অভাবে আপনার সন্তান আপনার দিকে ঘৃণাভরা চোখে তাকাবে?
নারীদের জন্য প্রশ্ন:
আপনার রূপ-যৌবন দুদিন পর থাকবে না। তখন আপনার সংসারের পুঁজি হবে আপনার ব্যবহার, আপনার বুদ্ধিমত্তা আর আপনার সেবা। যদি আপনার মধ্যে সংসার গুছিয়ে রাখার ক্ষমতা না থাকে, তবে বৃদ্ধ বয়সে আপনি হবেন পরিবারের সবচেয়ে অপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র। স্বামী আপনাকে ঘরে ফিরতে ভয় পাবে, সন্তানরা আপনাকে এড়িয়ে চলবে। আপনি কি সেই একাকীত্বের জন্য প্রস্তুত?
দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছে যারা একাই একটা সংসার টেনে নিয়ে যাচ্ছে। একজন হয়তো গাধার মতো খাটছে, আর অন্যজন রক্তচোষার মতো চুষে খাচ্ছে। যে খাটছে, সে ভাবছে—”একদিন সব ঠিক হবে”।
শুনুন, কিচ্ছু ঠিক হবে না।
যে মানুষের রক্তে উন্নতির নেশা নেই, তাকে আপনি গিলিয়ে খাওয়ালেও সে উন্নতি করবে না। যার স্বভাবে ধৈর্য নেই, তাকে আপনি পায়ে ধরলেও সে শান্ত হবে না।
এই লেখাটা পড়ার পর যদি আপনার মনে হয়—”আমি তো ঠিকই আছি, আমার সঙ্গীই খারাপ”—তবে আপনি ভুল। আগে নিজের দিকে তাকান। আপনি কি ইনপুট দিচ্ছেন?
আপনি কি সেই পুরুষ, যে বাঘের মতো ছিনিয়ে আনতে পারে সাফল্য? নাকি আপনি সেই ভেড়া, যে শুধু ঘাস খেয়ে দিন পার করে?
আপনি কি সেই নারী, যে ছাই থেকেও সোনা ফলাতে পারে? নাকি আপনি সেই নারী, যে সাজানো বাগানও শুকিয়ে ফেলে?
জীবনটা কোনো রিহার্সাল নয়। আপনি একবারই পৃথিবীতে এসেছেন। যদি এই জীবনে নিজের ও পরিবারের জন্য একটা সচ্ছল, নিরাপদ ও সম্মানজনক অবস্থান তৈরি করতে না পারেন, তবে আপনার জন্মই বৃথা।
আর যদি ভাবেন, “এত কিছু ভেবে কী হবে? মরেই তো যাব একদিন”—তবে এখনই মরে যান। কারণ জীবিত অবস্থায় আপনি কেবল পৃথিবীর অক্সিজেন নষ্ট করছেন আর আপনার পরিবারের ঘাড়ে বোঝা হয়ে আছেন।

আপনার যদি গায়ে লাগে, তবে বুঝবেন সত্যটা আপনার চামড়া ভেদ করে কলিজায় লেগেছে। আর যদি গায়ে না লাগে, তবে বুঝবেন আপনার মেরুদণ্ড অনেক আগেই পচে গেছে।

সিদ্ধান্ত আপনার। আপনি কি রাজা/রানীর মতো বাঁচবেন এবং পরিবারকে বাঁচাবেন? নাকি আবর্জনার মতো পচে গলে হারিয়ে যাবেন?
সময় কিন্তু চলে যাচ্ছে। টিক-টক… টিক-টক…

জাহান্নাম অন্য কোথাও নয়, অযোগ্য মানুষের সংসারটাই হলো আসল জাহান্নাম। আপনি কি সেই জাহান্নামের বাসিন্দা?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *