নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নের কৃতি সন্তান মালিহা তারান্নুম মৌপি ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় মেধাতালিকায় ৮৭৯তম স্থান অর্জন করে রংপুর মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার অর্জিত মেরিট স্কোর ১৮১.৫।
মালিহা তারান্নুম মৌপি রংপুর ক্যান্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার এই সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক, স্বজনসহ পুরো এলাকাজুড়ে আনন্দ ও গর্বের আবহ বিরাজ করছে।
মালিহার বাবা মামুনর রশীদ, পেশায় একজন শিক্ষক এবং পাগলাপীর স্কুল অ্যান্ড কলেজে কর্মরত। মা মোছাঃ আসমা আক্তার বানু, গংগাছড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষিকা। এছাড়া তার দাদাজান খায়রুল হোসেন (মরহুম) একজন শিক্ষক ছিলেন—যার শিক্ষার আলোতেই গড়ে উঠেছে এই পরিবার।
মেয়ের সাফল্যে আবেগাপ্লুত বাবা মামুনুর রশীদ বলেন,“মালিহা ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় মনোযোগী ছিল। আমি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। তার এই সাফল্যের পেছনে তার মা ও শিক্ষকদের অবদান অনেক। দেশ ও মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করুক—এটাই আমাদের চাওয়া।
”মা মোছাঃ আসমা আক্তার বানু বলেন,“একজন মা হিসেবে আজ আমার গর্বের শেষ নেই। মেয়েটা অনেক কষ্ট করেছে, নিয়মিত পড়াশোনা করেছে। আল্লাহ যেন ওকে একজন ভালো ডাক্তার ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলেন।”নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে মালিহা তারান্নুম মৌপি বলেন,
“এই সাফল্য আমার বাবা-মা ও শিক্ষকদের দোয়া ও পরিশ্রমের ফল। ভবিষ্যতে একজন মানবিক চিকিৎসক হয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই।”উল্লেখ্য, সংবাদটির প্রতিবেদক মেয়েটির নিকটাত্মীয় (ভাতিজী) হলেও তথ্যের সত্যতা ও সাংবাদিকতার নৈতিকতা বজায় রেখে সংবাদটি প্রস্তুত করা হয়েছে।মালিহার এই অর্জন নাউতারা ইউনিয়নসহ পুরো ডিমলা উপজেলার শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।