শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
তৃণমূলের রাজনীতি থেকে নেতৃত্বের শিখরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একজন সাহসী, ত্যাগী ও আপসহীন নেতার নাম মিলন মিয়া । তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু একদম ছোটবেলা থেকেই । মানুষের অধিকার রক্ষায়, গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠায় এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য দাবি আদায়ে তিনি সব সময় এক অগ্রণী কণ্ঠস্বর। সবচেয়ে বড় মিছিল বড় সমাবেশে তার এবং তাকে পছন্দ করে এমন বিএনপির নেতাকর্মীদের এক বিশাল বহর প্রমাণ করে মিলন মিয়ার কোন বিকল্প নেই।
উত্তরা পশ্চিম থানার আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে তিনি সংগঠনের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে যুক্ত হওয়ার প্রত্যাশায় নিবেদিত প্রাণ হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন । সততা, নিষ্ঠা ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে যুবদলের প্রতিটি পদে তিনি সফলতা দেখান। দীর্ঘ রাজনীতির অভিজ্ঞতা ও ত্যাগের কারণে মোহাম্মদ মিলন মিয়া দ্রুত যুব রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন। রাজধানী উত্তরার উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় তার জনপ্রিয়তা সবার শীর্ষে। তার সংগঠন পরিচালনার দক্ষতা ও নিরলস পরিশ্রমে দলের সাংগঠনিক ভিত্তিকে আরও
শক্তিশালী করেছে ।
উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকা ১ নং ওয়ার্ড সহ আবদুল্লাপুর থেকে শুরু করে সর্বত্র তার রাজনৈতিক প্রভাব জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র কার্যক্রম আরো শক্তিশালী হয়েছে । প্রতিটি পদে থেকেই তিনি প্রমাণ করেছেন তিনি কেবল একজন নেতা নন, বরং সংগঠনকে এগিয়ে নেওয়ার এক শক্তিশালী মেরুদণ্ড। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের আমলে মিলন মিয়া একাধিকবার গ্রেফতার হন এবং বিনা দোষে জেল খেটে জীবনের অনেকটা সময় অতিবাহিত করেন। শত কষ্ট আর ত্যাগের মধ্য দিয়ে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় গুলো ব্যয় করেও অন্তর থেকে কখনোই জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির তথা প্রেসিডেন্ট মরহুম জিয়াউর রহমানের আদর্শ থেকে এক চুলও সরে যাননি । তার রাজনৈতিক অভিভাবক যাদের তত্ত্বাবধানে তিনি রাজনৈতিক প্লাটফর্মে নিজেকে আলোকিত করেছেন তাদের সকলের নির্দেশ কে সব সময় প্রাধান্য দিয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার সকল দিক নির্দেশনাকে তিনি অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন প্রতিটি পদে পদে।
উত্তরার প্রতিটি ওয়ার্ড ও থানায় দলকে সংগঠিত করতে তার ভূমিকা প্রশংসিত হচ্ছে।
দমন-নিপীড়নের শিকার, তবুও আপসহীন মোহাম্মদ মিলন মিয়ার রাজনৈতিক জীবন কেবল নেতৃত্ব ও সাফল্যের ইতিহাস নয়, বরং দমন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের গল্পও। গত হাসিনা সরকারের সময়ে তার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হয়। তাকে বারবার গ্রেপ্তার ও কারাবন্দি করা হয়েছে।
রাজপথে আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি বহুবার হামলার শিকার হয়েছেন। তবুও তিনি কখনো ভেঙে পড়েননি, দমে যাননি। বরং এসব দমন-পীড়ন তাকে আরও দৃঢ় ও অটল করেছে। তার সংগ্রামী নেতৃত্ব নেতাকর্মীদের অনুপ্রাণিত করেছে এবং আন্দোলনে সাহস যুগিয়েছে।
জনগণের আস্থাভাজন মোহাম্মদ মিলন মিয়া কেবল একজন রাজনৈতিক সংগঠক নন, তিনি জনগণের বন্ধু। করোনা মহামারীতে তিনি নিজ হাতে খাদ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী বিতরণ করেছেন। বন্যা ও দুর্যোগকালে অসহায় মানুষের পাশে ছুটে গেছেন।
দরিদ্র পরিবারের সহযোগিতা,অসুস্থ মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থা, শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে ভূমিকা সব ক্ষেত্রেই তিনি মানুষের পাশে থেকেছেন। তার মানবিক কর্মকাণ্ড তাকে সাধারণ মানুষের কাছে একজন সত্যিকারের জননেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
ছাত্রদল থেকে যুবদল, আর সেখান থেকে বিএনপির মূলে অগ্রযাত্রার পথে মোহাম্মদ মিলন মিয়ার রাজনৈতিক যাত্রা দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস। তিনি একাধারে ত্যাগী, আপসহীন, সাহসী, সৎ, মানবিক, সংগঠক ও দূরদর্শী নেতা।
উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকা সহ ১ নং ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা তাকে দেখছেন একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে, এলাকাবাসীর দাবি মিলন মিয়া আগামীতে কাউন্সিলর নির্বাচন করলে বিপুল ভোটে তিনি নির্বাচিত হবেন। তার দীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, দমন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই, জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং আন্দোলনে সক্রিয় উপস্থিতি তাকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১ নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে আলোচিত মনোনয়ন প্রত্যাশী করেছে।
মোহাম্মদ মিলন মিয়া বিশ্বাস করেন“রাজনীতি মানে কেবল ক্ষমতায় যাওয়া নয়, রাজনীতি মানে জনগণের দুঃখ-দুর্দশায় তাদের পাশে দাঁড়ানো।
দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন আমি অঙ্গীকার করেছি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করাসহ জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেতে,অবিচার ও দমন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই করবেন এবং সবসময় থাকবেন অসহায় মানুষের পাশে। তিনি উত্তরা পশ্চিম থানা যুবদলের আহ্বায়ক হিসেবে কেবল একটি পদে বহালি নন, তিনি নেতাকর্মীদের কাছে সাহসের প্রতীক এবং জনগণের কাছে আশার আলো