শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে ফিরছে না স্থিতি—প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও বাড়ছে দাম। ভোক্তা–অভিযোগ, বাজারে কার্যকর মনিটরিং না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা নিজেদের ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছে। ফলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
ডিমলা উপজেলার বিভিন্ন হাট–বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চাল, ডাল, আটা–ময়দা, তেলসহ বেশিরভাগ নিত্যপণ্যের দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ৫–১০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে মাঝারি মানের চাল কেজিতে ৫ টাকা, ডাল ৮–১০ টাকা, সয়াবিন তেল লিটারে ৫ টাকা এবং সবজির বাজারে ১০–২০ টাকার বেশি পর্যন্ত উর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে।
বাজারে সবজি বিক্রেতারা বলছেন, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি ও পরিবহন ভাড়ার চাপ দাম বাড়ার অন্যতম কারণ। তবে ক্রেতাদের ভিন্ন অভিযোগ—“অতি লাভের আশায় ব্যবসায়ীরা অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়াচ্ছে।”
একজন ভুক্তভোগী দিনমজুর জানান, “আগের মতো বাজার করা যাচ্ছে না। যা আয় হয় তার অর্ধেকই চলে যায় বাজারে। পরিবার চালানোই কঠিন হয়ে গেছে।”
ব্যবসায়ীদের একটি অংশ দাবি করেন, পাইকারি বাজার থেকেই মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে; তাই তাদের বাধ্য হয়ে খুচরা বাজারে দাম বাড়াতে হচ্ছে। তবে নিয়মিত বাজার তদারকি না থাকায় ভোক্তারা যে ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না, সেটি অনেকেই স্বীকার করেন।
উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, “বাজারে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে খুব শিগগিরই নিয়মিত অভিযান জোরদার করা হবে।”
এদিকে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা—সরকারি মনিটরিং আরও কঠোর করা, নিত্যপণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।
বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে সাধারণ জনগণের দুশ্চিন্তা যেন আরও বেড়ে গেছে—কখন কমবে দাম, মিলবে স্বস্তি—তাই এখন বড় প্রশ্ন।