মোঃ আতাউর রহমান :
বাংলাদেশ হোমিও চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিল এর খুলনা বিভাগীয় নিবন্ধিত চিকিৎসক প্রতিনিধি হিসাবে সুপারিশ প্রাপ্ত-ডাক্তারগন হলেন প্রিন্সিপাল (এক্স) ডা.মুন্সী মোজাম্মেল হক বিএ,ডিএইচএমএস, বিএইচএমএস (ঢা.বি.) তিনি প্রধান সমন্বয়ক, বৈষম্য বিরোধী হোমিও আন্দোলন বাংলাদেশ। হোমিও ডিগ্রি কোর্স বাস্তবায়নসহ হোমিও পেশার উন্নয়নে নিবেদিতপ্রাণ। ডা.খান আমজাদ হোসেন-ডিএইচএমএ তিনি পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতা বলে সুবিধা ভোগ করেন ২০১৫-২০১৮ মেয়াদ সহ দুইবার হোমিও বোর্ডের সদস্য। ১৬ বছর ধরে হোমিও বোর্ডের চেয়ারম্যান, সদস্য গনের অন্যতম যারা হোমিও সেক্টর কে দূর্নীতির আখড়ায় পরিনত করে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দাঁড় করিয়েছে।
ডা.গাজী আব্দুল আজিজ ডিএইচএমএস। তিনি গাজী হোমিও প্যারামেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক। সরকারি ভাবে হোমিও চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিল আইন-২৩ এ ডিএইচএমএস ও বিএইচএমএস কোর্সদুটি স্বীকৃত। বাকী সকল হোমিও কোর্স বা প্রতিষ্ঠান অবৈধ হলেও গাজী হোমিও প্যারামেডিকেল কোর্সের মাধ্যমে জনগণ কে ধোকা দিয়ে চলেছেন বলে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে। এবং হোমিও সেক্টরের খুলনা বিভাগের এই ডা.আমজাদ ও ডা. আজিজ, দূর্নীতিগ্রস্হ্য সাবেক বোর্ডের সদস্য ময়মনসিংহ বিভাগের ডা.আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার, রাজশাহী বিভাগের রহনপুর হোমিও কলেজ অধ্যক্ষ ডা.হাবিব উল্লাহ, বরিশাল বিভাগ থেকে ঢাকার হোপেস কলেজ শিক্ষক ডা.আলতাফ হোসেন, চট্টগ্রাম বিভাগে হ্যানিমান কলেজ কুমিল্লার শিক্ষক ডা.নুরুজ্জামান, ফেনী হোমিও কলেজ শিক্ষক ডা.জাকির হোসেন প্রমুখ সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছেন বলে বিশ্বস্হ্যসূত্রে জানা গেছে অন্যান্ন বিভাগেও বিতর্কিত ব্যক্তিগন হোমিও কাউন্সিল এর নির্বাহী পরিষদের সদস্য মনোনয়নে বিভাগীয় কমিশনার কতৃক সুপারিশ প্রাপ্ত হওয়ায় হোমিও সমাজে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে।
জুলাই ‘২৪ বিপ্লব পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে অন্য সেক্টরের মতো হোমিও সমাজ থেকে বৈষম্য মুক্তির লক্ষ্যে গঠিতব্য কাউন্সিল এ অবশ্যই বিগত সরকারের সুবিধা ভোগী বিতর্কিত ব্যক্তি, বোর্ড সদস্য এবং বর্তমানে হোমিও মেডিকেল কলেজে কর্মরত অধ্যক্ষ, শিক্ষক, মহিলাদের নির্ধারিত কোটা থাকায় তাদেরকে বাদ দিয়ে শুধুমাত্র বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে সম্পৃক্ত যোগ্য ডিএইচএমএস এবং বিএইচএমএস ডাক্তাদের সমন্বয়ে নিবন্ধিত বিভাগীয় প্রতিনিধি মনোনয়নে মাননীয় স্বাস্থ্য উপদেষ্টা, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যান বিভাগের সচিব, হোমিও কাউন্সিল এর চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মহোদয় সহ সংশ্লিষ্ট সকলের সতর্ক দৃষ্টি রাখার প্রত্যাশা সকল হোমিওপ্যাথিক এর ব্যত্যয় হোমিওপ্যাথিক বিক্ষুব্ধ করবে যা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে কাম্য নয়।