শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
জাতীয় স্মৃতিসৌধে আশুলিয়া থানা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত আওয়ামী প্রতিহিংসার শিকার তিতাস গ্যাস কর্মচারী শ্রমিক দল নেতা চাকরিচ্যুত শওকত ইমামের মানবেতর জীবনযাপন। বাকেরগঞ্জে উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও মালিকানার সংকট পঞ্চগড়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রম শক্তিশালী করতে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। রাজশাহী প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় নির্মাণাধীন মসজিদুল আকবর কমপ্লেক্সের ছাঁদ ধসে ক্ষয়ক্ষতি ! কন্ট্রাকটর ও প্রকৌশলীর গাফিলতির অভিযোগ !! প্রেমের অনন্য উপাখ্যান: কাপাসিয়ায় মালয়েশিয়ান তরুণী হাফিজা ও রাকিবের বিয়েতে নায়িকা প্রিয়াংকা ফোরকান মাস্টারকে ঘিরে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সত্য, মানবিকতা ও সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে এলাকাবাসীর আহ্বান গংগাচড়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কার্যকরী পরিষদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত মানবিক সহায়তার আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জি.আর চাল বিতরণ কোরবানির ঈদে পশুর সংকট নেই, ভারতীয় গরু ঠেকাতে কঠোর নজরদারি: সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন আমীরসহ তিন মরহুমের জানাজায় শোকাবহ পরিবেশ কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রে মিকাইল বিশ্বাসকে ঠেকানো যাবে না বললেন এলাকার সাধারণ জনগণ গাজীপুরে জুতা কারখানায় আগুন ভোলায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, ৩ মাস ৭দিনের কারাদণ্ড। আত্রাইয়ে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান-চাল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন মুরাদনগরে মাদকবিরোধী অভিযানে বিদেশি মদ, ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ আটক ২ গাজীপুরে টিকটক করতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল ২ এসএসসি পরীক্ষার্থীর গাজীপুরে আলোচিত ৫ খুন: সেই ফোরকানের মরদেহ উদ্ধার পদ্মা নদীতে ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার চাল বিতর অনিয়মে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা গাজীপুরের তুরাগ নদীতে তলিয়ে যাওয়া বন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই কিশোরের মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত নূরনবীকে দেখতে জনতার ভিড়! বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোসলেহ, সম্পাদক শামীমা পারভীন রাণীশংকৈলে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, ধর্ষক কিশোর গ্রেপ্তার প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিবের আস্থাভাজন ছাত্রনেতা তানভীর অসুস্থ, দোয়া কামনা ২০৬ পিস ইয়াবাসহ ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে গ্রেফতার ৫ মাদক ব্যবসায়ী সাতকানিয়ায় ২স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে আটক-৪!ভিকটিমদেরকে উদ্ধার। আটিগ্রাম ভূমি অফিসের ছত্রছায়ায় চলছে অবৈধ ড্রেজার ও মাটি বাণিজ্য কৃষিজমি ধ্বংসের অভিযোগ, প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ স্থানীয়দের
জরুরী নোটিশ :
জরুরী নোটিশ এবং সতর্কবার্তা ""গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক  মিডিয়া ভুক্ত পত্রিকা দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।  কিছু কুচুক্তি মহল বিভিন্ন গণমাধ্যমের আইডি কার্ড নকল করে বিভিন্ন প্রকার অপরাধে জড়াচ্ছে কিছুদিন পর পর পত্রিকার এসব খবরে আমরা বিভ্রান্ত। এরকম বেশ কয়েকজন অপরাধী দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার আইডি কার্ড নকল করেছে এমন প্রমাণিত হওয়াতে আমরা তাদের বিরুদ্ধে  তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি। এবং সংবাদ প্রকাশ করে এসব অপরাধীদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নাই বলে আমরা ঘোষণা দিয়েছি।  সেই সাথে আমরা আমাদের প্রদত্ত বিগত দিনের সকল আইডি কার্ড পরিবর্তন করে স্ক্যানিং কোড সিস্টেম করে নতুন আঙ্গিকে আইডি কার্ড তৈরি করেছি।  দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের কে সম্মানের সাথে জানাচ্ছি আপনারা  আপনাদের পুরনো আইডি কার্ড পত্রিকা অফিসে জমা দিয়ে সেই সাথে নতুন করে ভোটার আইডি কার্ড এবং  আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদের সত্যায়িত ফটোকপি সহ জমা দিয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন আইডি কার্ড সংগ্রহ করার জন্য নির্দেশ দেয়া গেল। পত্রিকা কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশ যারা অমান্য করবে তাদেরকে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃত বলে গণ্য করবেন। আপনাদের জ্ঞাতার্থে আরও জানাচ্ছি যে  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশক্রমে সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার মান নির্ণয় সহ সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরি করছেন, মাননীয় সাবেক বিচারপতি প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ইতিমধ্যে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছেন। পুনরায় আপনার ভোটার আইডি কার্ড এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা অভিজ্ঞতার সনদ সকল কিছু সত্যায়িত করে নতুনভাবে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার   কর্তৃপক্ষকে জমা দিয়ে পুরনো কার্ডটি ফেরত দিয়ে নতুন আইডি কার্ড নেওয়ার জন্য নির্দেশ রইল।  আদেশক্রমে --আব্দুল্লাহ আল মামুন--প্রকাশক ও সম্পাদক--দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ ।

গাইবান্ধায় সেনা সদস্য দেলোয়ারের অবৈধ সম্পদের উৎস কোথায়? জনমনে নানান প্রশ্ন

রিপোর্টার নাম / ৫২০ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন

 

 

মোঃ জাহিদ হোসেন জিমু, গাইবান্ধা প্রতিনিধি :

 

গাইবান্ধা সদর উপজেলার বোয়ালি ইউনিয়নের উত্তর ফলিয়া এলাকার অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও হঠাৎ আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ বনে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

তিনি কি কোনো আলাউদ্দিনের চেরাগ পেয়েছেন? নাকি রাষ্ট্রবিরোধী কোন অন্যায় কর্মের সাথে জড়িয়ে এমন অসংগতিপূর্ণ সম্পদের পাহাড় গড়েছে কিনা, এ নিয়ে জনমনে নানা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে ১৯৯৯ সালে দেলোয়ার হোসেন অবসর গ্রহণের সময় প্রায় ২৭ লক্ষাধিক টাকা হাতে পেয়েছিলেন। সেই টাকার পুরোটাই তিনি সদর উপজেলার ফলিয়ার পাথার নামক এলাকায় আবাদী জমি ক্রয় করেন। এর কিছুদিন পর তিনি তার বড় মেয়ের বিয়ের সময় কিছু জমি আবারও বিক্রি করে দেন ও বাড়ি করার সময়েও কিছু জমি বিক্রি করেন।

তারপর থেকে কোন মতভাবে চলে আসছিল দেলোয়ার হোসেনের পরিবার। কিন্তু ২০১৯ সালের দিকে হঠাৎ করেই আবারো আলোচনায় উঠে আসেন এই দেলোয়ার হোসেন। গায়ে দামি স্যুট বুট, হাতে দামি ব্রান্ডের ঘড়ি সহ অস্বাভাবিক পরিবর্তন চলে আসে তার চলাফেরায়।

কদিন আগেও চোখে পড়ার মতো যার কিছুই ছিল না খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসের ৩ তারিখে রংপুর সিটি কর্পোরেশনে ০৬.৩১ শতাংশ জমি ক্রয় করেছেন এই দেলোয়ার হোসেন। যার বর্তমান বাজার মূল্য এক কোটি টাকা। ওই জমির দলিল নম্বর ১৯৯১৩।

পর্যায়ক্রমে ২০২২ সালের ৩০ অক্টোবর গাইবান্ধা পৌর এলাকার চকমামরোজপুর মৌজায় প্রায় অর্ধকোটি টাকা দিয়ে ৪ শতাংশ জমি ক্রয় করেন, যার দলিল নম্বর ৯৭৫৫। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ১০ তারিখে আবারো রংপুর লালকুঠি এলাকায় ০.৫২ শতাংশ জমি সহ ফ্ল্যাট ক্রয় করেন যার বর্তমান মূল্য প্রায় ৯০ লক্ষ্য টাকা, দলিল নম্বর -২০২৪৬।

একজন অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক এত অল্প সময়ে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ ক্রয় করেন কিভাবে?

খোঁজ নিয়ে আরো জানা যায়, এই দেলোয়ার হোসেনের বাড়ি ছিল রায়দাশবাড়িতে। যা ব্রহ্মপুত্র নদের গর্ভে বিলীন হয়েছে অনেক আগেই। পরে গাইবান্ধা সদর উপজেলার উত্তর ফলিয়ায় কিছু জমি ক্রয় করে বসবাস শুরু করেন। প্রথম দিকে সেখানে টিনের ঘর থাকলেও বর্তমানে সেখানে করেছেন রাজকীয় বাড়ি।
এছাড়া দেলোয়ার হোসেন তার শ্বশুর বাড়িতে স্ত্রী নাজমিন নাহার মিনির নামে ও ফলিয়ার বিলে কমপক্ষে সাত থেকে আট বিঘা আবাদি জমি ক্রয় করেন।

একজন অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক কিভাবে কোটি কোটি টাকার সম্পদ ক্রয় করেন, তা নিয়ে জনমনে রয়েছে নানান প্রশ্ন।

সুধী মহলের দাবি, এই দেলোয়ার হোসেনের আয় বহির্ভূত সম্পদের উৎস বের করে আইনের আওতায় নেয়া দরকার তাঁকে।

দেলোয়ার হোসেনকে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই তার আয় বহির্ভূত সম্পদের প্রকৃত হিসাব সহ এর সাথে জড়িত কে বা কাহারা রয়েছে তা বেরিয়ে আসবে।

এসব বিষয়ে সাবেক সেনা সদস্য দেলোয়ার হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি ২৫ লাখ টাকা একটি জমির কাগজ শুধু দেখাতে পেরেছেন। এছাড়া অন্য কোন কাগজ দেখাতে পারেন নি এবং কোটি টাকার সম্পদ কিভাবে ক্রয় করলেন এর সঠিক কোনো জবাব দিতে পারেনি।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *