শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
জাতীয় স্মৃতিসৌধে আশুলিয়া থানা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত আওয়ামী প্রতিহিংসার শিকার তিতাস গ্যাস কর্মচারী শ্রমিক দল নেতা চাকরিচ্যুত শওকত ইমামের মানবেতর জীবনযাপন। বাকেরগঞ্জে উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও মালিকানার সংকট পঞ্চগড়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রম শক্তিশালী করতে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। রাজশাহী প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় নির্মাণাধীন মসজিদুল আকবর কমপ্লেক্সের ছাঁদ ধসে ক্ষয়ক্ষতি ! কন্ট্রাকটর ও প্রকৌশলীর গাফিলতির অভিযোগ !! প্রেমের অনন্য উপাখ্যান: কাপাসিয়ায় মালয়েশিয়ান তরুণী হাফিজা ও রাকিবের বিয়েতে নায়িকা প্রিয়াংকা ফোরকান মাস্টারকে ঘিরে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সত্য, মানবিকতা ও সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে এলাকাবাসীর আহ্বান গংগাচড়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কার্যকরী পরিষদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত মানবিক সহায়তার আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জি.আর চাল বিতরণ কোরবানির ঈদে পশুর সংকট নেই, ভারতীয় গরু ঠেকাতে কঠোর নজরদারি: সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন আমীরসহ তিন মরহুমের জানাজায় শোকাবহ পরিবেশ কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রে মিকাইল বিশ্বাসকে ঠেকানো যাবে না বললেন এলাকার সাধারণ জনগণ গাজীপুরে জুতা কারখানায় আগুন ভোলায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, ৩ মাস ৭দিনের কারাদণ্ড। আত্রাইয়ে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান-চাল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন মুরাদনগরে মাদকবিরোধী অভিযানে বিদেশি মদ, ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ আটক ২ গাজীপুরে টিকটক করতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল ২ এসএসসি পরীক্ষার্থীর গাজীপুরে আলোচিত ৫ খুন: সেই ফোরকানের মরদেহ উদ্ধার পদ্মা নদীতে ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার চাল বিতর অনিয়মে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা গাজীপুরের তুরাগ নদীতে তলিয়ে যাওয়া বন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই কিশোরের মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত নূরনবীকে দেখতে জনতার ভিড়! বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোসলেহ, সম্পাদক শামীমা পারভীন রাণীশংকৈলে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, ধর্ষক কিশোর গ্রেপ্তার প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিবের আস্থাভাজন ছাত্রনেতা তানভীর অসুস্থ, দোয়া কামনা ২০৬ পিস ইয়াবাসহ ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে গ্রেফতার ৫ মাদক ব্যবসায়ী সাতকানিয়ায় ২স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে আটক-৪!ভিকটিমদেরকে উদ্ধার। আটিগ্রাম ভূমি অফিসের ছত্রছায়ায় চলছে অবৈধ ড্রেজার ও মাটি বাণিজ্য কৃষিজমি ধ্বংসের অভিযোগ, প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ স্থানীয়দের
জরুরী নোটিশ :
জরুরী নোটিশ এবং সতর্কবার্তা ""গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক  মিডিয়া ভুক্ত পত্রিকা দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।  কিছু কুচুক্তি মহল বিভিন্ন গণমাধ্যমের আইডি কার্ড নকল করে বিভিন্ন প্রকার অপরাধে জড়াচ্ছে কিছুদিন পর পর পত্রিকার এসব খবরে আমরা বিভ্রান্ত। এরকম বেশ কয়েকজন অপরাধী দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার আইডি কার্ড নকল করেছে এমন প্রমাণিত হওয়াতে আমরা তাদের বিরুদ্ধে  তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি। এবং সংবাদ প্রকাশ করে এসব অপরাধীদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নাই বলে আমরা ঘোষণা দিয়েছি।  সেই সাথে আমরা আমাদের প্রদত্ত বিগত দিনের সকল আইডি কার্ড পরিবর্তন করে স্ক্যানিং কোড সিস্টেম করে নতুন আঙ্গিকে আইডি কার্ড তৈরি করেছি।  দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের কে সম্মানের সাথে জানাচ্ছি আপনারা  আপনাদের পুরনো আইডি কার্ড পত্রিকা অফিসে জমা দিয়ে সেই সাথে নতুন করে ভোটার আইডি কার্ড এবং  আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদের সত্যায়িত ফটোকপি সহ জমা দিয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন আইডি কার্ড সংগ্রহ করার জন্য নির্দেশ দেয়া গেল। পত্রিকা কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশ যারা অমান্য করবে তাদেরকে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃত বলে গণ্য করবেন। আপনাদের জ্ঞাতার্থে আরও জানাচ্ছি যে  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশক্রমে সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার মান নির্ণয় সহ সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরি করছেন, মাননীয় সাবেক বিচারপতি প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ইতিমধ্যে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছেন। পুনরায় আপনার ভোটার আইডি কার্ড এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা অভিজ্ঞতার সনদ সকল কিছু সত্যায়িত করে নতুনভাবে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার   কর্তৃপক্ষকে জমা দিয়ে পুরনো কার্ডটি ফেরত দিয়ে নতুন আইডি কার্ড নেওয়ার জন্য নির্দেশ রইল।  আদেশক্রমে --আব্দুল্লাহ আল মামুন--প্রকাশক ও সম্পাদক--দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ ।

ময়মনসিংহে মাদকের অন্ধকার সাম্রাজ্য‘মাসোয়ারা’ বাণিজ্যে টিকে আছে স্পট, প্রশ্নের মুখে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কিছু সদস্য

মামুনুর রশীদ মামুন, ময়মনসিংহ / ৬২ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন

ময়মনসিংহ শহর ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে চলা মাদক বাণিজ্যকে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, জেলার বিভিন্ন কুখ্যাত মাদক স্পট থেকে নিয়মিত “মাসোয়ারা” আদায় করছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কিছু অসাধু সদস্য। অভিযোগ রয়েছে—সাপ্তাহিক ও মাসিক নির্ধারিত টাকার বিনিময়ে বহাল তবিয়তে চলছে গাঁজা, ইয়াবা ও দেশি-বিদেশি মদের রমরমা ব্যবসা।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, মাঝেমধ্যে লোকদেখানো অভিযান কিংবা দু-একটি মামলা হলেও প্রকৃতপক্ষে বন্ধ হচ্ছে না কোনো মাদক স্পট। বরং অভিযানের আড়ালেই চলছে অর্থ লেনদেনের এক অদৃশ্য সিন্ডিকেট।
অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, ময়মনসিংহ নগরী থেকে শুরু করে ত্রিশাল, গৌরীপুর, ফুলবাড়িয়া, নান্দাইল, হালুয়াঘাট ও তারাকান্দাসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালী মাদক কারবারিদের কাছ থেকে নিয়মিত মাসোয়ারা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
শহরের ব্রীজ মোড় এলাকার আলোচিত “সুরমা স্পট” থেকে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৮ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। একইভাবে “মাদক সম্রাজ্ঞী” হিসেবে পরিচিত হামের স্পট থেকে নেওয়া হয় প্রায় ৬ হাজার টাকা। নগরীর ভৈরব রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় সুবর্না গ্রেপ্তার হলেও বন্ধ হয়নি তার নিয়ন্ত্রিত মাদক ব্যবসা—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। ওই এলাকা থেকে মাসোয়ারার পরিমাণ প্রায় ২০ হাজার টাকা বলে দাবি করা হয়েছে। একই এলাকার গাঁজা ব্যবসায়ী জহিরুল সপ্তাহে ৫ হাজার টাকা দিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলাতেও একই চিত্র দেখা গেছে। হালুয়াঘাটের ধারা বাজারের মদ ব্যবসায়ী এতিনের কাছ থেকে প্রায় ১৫ হাজার টাকা, ফুলবাড়িয়ার কথিত গাঁজা ও ইয়াবা ব্যবসায়ী জীবন বাবুর কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত মাসোয়ারা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
গৌরীপুর ও ভালুকা সংলগ্ন এলাকার মদপল্লী থেকে মাসে প্রায় ২৮ হাজার টাকা এবং গরুরহাট এলাকার আরেকটি মদপল্লী থেকে ১০ হাজার টাকা আদায়ের তথ্য দিয়েছেন স্থানীয়রা। ত্রিশালের ধলা বাজারের মেতরপল্লীতে মদের ব্যবসার সমন্বয়কারী হিসেবে পরিচিত লিটন জেলা কার্যালয়কে ২২ হাজার এবং গোয়েন্দা শাখাকে ১৮ হাজার টাকা দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এছাড়া দাপুনিয়া এলাকার হাফিজুল সপ্তাহে ৫ হাজার টাকা, বাড়েরা এলাকার আনু ৫ হাজার টাকা এবং খানা পাড়া এলাকার মোখলেস ১২ হাজার টাকা মাসোয়ারা দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শ্যামগঞ্জ বাজারের আলোচিত গাঁজা ব্যবসায়ী আখালি ১৫ হাজার টাকা এবং একই এলাকার মদ ব্যবসায়ী স্বাধীন ১৫ হাজার টাকা নিয়মিত দিচ্ছেন বলে দাবি স্থানীয়দের।
নান্দাইলের কথিত গাঁজা ও ইয়াবা ব্যবসায়ী রঙ্গুর কাছ থেকে সপ্তাহে ১৫ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। পরানগঞ্জ এলাকার মদ ব্যবসা কেন্দ্রিক মাসোয়ারার পরিমাণ প্রায় ৪০ হাজার টাকা বলেও অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। তারাকান্দা বাজারের পশ্চিম পাশে গাঁজা ব্যবসায়ী সোহেলের কাছ থেকেও প্রায় ২০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগ রয়েছে, এসব মাসোয়ারা আদায়ে সরাসরি জড়িত রয়েছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা ও গোয়েন্দা শাখার কয়েকজন সদস্য। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, এসআই আজগর, এএসআই মাইন উদ্দিন ও এএসআই মাহাবুবের নাম বারবার উঠে আসছে। তবে এসব অর্থ আদায় সংশ্লিষ্ট অফিস প্রধানের অলিখিত নির্দেশনায় হয়ে থাকে বলেও জনশ্রুতি রয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের অভিযোগ—মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো তাদের কাছ থেকেই সুবিধা নেওয়ার কারণে তরুণ সমাজ ভয়াবহ ঝুঁকিতে পড়ছে। শহর ও গ্রামাঞ্চলে কিশোর-তরুণদের মধ্যে মাদকাসক্তি আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। পরিবারে পরিবারে তৈরি হচ্ছে অস্থিরতা, বাড়ছে চুরি, ছিনতাই ও সহিংস অপরাধ।
একাধিক সচেতন নাগরিক বলেন, “যেসব জায়গা প্রশাসনের নজরদারিতে থাকার কথা, সেসব জায়গাতেই দিনের পর দিন প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি হচ্ছে। সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে পারে না। যারা অভিযোগ করে, তারাই পরে হয়রানির শিকার হয়।”
এদিকে অভিযোগগুলো নিয়ে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে। জনশ্রুতি রয়েছে, অভিযুক্তদের কেউ কেউ ঊর্ধ্বতন পর্যায়েও প্রভাবশালী মহলের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে রয়েছেন। এমনকি ডিজি অফিস পর্যন্ত তাদের “অদৃশ্য ক্ষমতার উৎস” রয়েছে বলেও আলোচনা রয়েছে স্থানীয় মহলে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কথা বলা হলেও মাঠপর্যায়ে যদি দুর্নীতি ও অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে, তাহলে পুরো ব্যবস্থাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। শুধু বাহক বা ছোটখাটো বিক্রেতাদের আটক করলেই সমস্যার সমাধান হবে না; বরং মাদক সিন্ডিকেটের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক পৃষ্ঠপোষকদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে।
তারা আরও বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সরকারের মাদকবিরোধী অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠবে।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *