নীলফামারীতে হাসপাতালের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করে প্রতিনিধি দল
চীন সরকারের অনুদানে প্রস্তাবিত ১০০০ হাজার শয্যার ‘বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল’ প্রকল্পের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে ওই এলাকা পরিদর্শন করেছে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গঠিত একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে তারা নীলফামারীর দারোয়ানি টেক্সটাইল মিল (সুতাকল) এলাকায় হাসপাতালের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ও কমিটির সভাপতি কামরুজ্জামান চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে।
এ সময় প্রকল্পের সম্ভাব্যতা, অবকাঠামোগত প্রস্তুতি এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা নিয়ে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা শেষে নীলফামারী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন করে প্রতিনিধি দল।
পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব জানান, প্রাথমিক পর্যায়ের জরিপে দেখা গেছে এলাকাটিতে সড়ক, রেল ও আকাশপথে যোগাযোগের সুবিধা রয়েছে, যা আরও উন্নত করা সম্ভব। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি এই অঞ্চল থেকে সার্কভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগও সহজ হবে বলে তিনি আশা করেন।
পাশাপাশি, ইন্টার্নশিপের শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে নীলফামারী সরকারী মেডিক্যাল কলেজটি এই বিশেষায়িত হাসপাতালের পাশে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এক হাজার শয্যার মধ্যে ৫০০টি সাধারণ এবং ৫০০টি বিশেষায়িত শয্যায় বিভক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এই পরিদর্শনের ভিত্তিতে যে সুপারিশমালা প্রস্তুত করা হবে, তা আগামী ১৬ এপ্রিলের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে জমা দেওয়া হবে।
প্রতিনিধি দলে ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসসহ জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।