কুমিল্লা দেবিদ্বার উপজেলার পৌর এলাকার পান্নারপুল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এইচবিসি ব্রিকস ফিল্ড হাইকোর্টে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এইচবিসি ইটভাটার মালিক সাইদুর রহমান সবুর ভূঁইয়া জানান, তিনি দীর্ঘ ৪২ বছর ধরে এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সবসময় আইনকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করেই ব্যবসা পরিচালনা করেছেন। তাঁর দাবি, কেউ বলতে পারবে না যে তিনি কখনো কারও ক্ষতি করেছেন। তবুও তাঁর ইটভাটাটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাংবাদিকদের কাছে নিজের কষ্ট ও হতাশার কথা তুলে ধরেন এইচবিসি ব্রিকস ফিল্ডের মালিক সাইদুর রহমান সবুর ভূঁইয়া।
এ সময় দেবিদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল মতিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ, মুরাদনগর ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউজের মো. আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা, কুমিল্লা র্যাব-১১’র ডিএডি মো. মনসুর আহমেদের নেতৃত্বে র্যাব সদস্যসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার দাস জানান, “আমরা কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা ব্যক্তি বিবেচনায় অভিযান পরিচালনা করছি না।”
তিনি আরও জানান, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩-এর ১৫(১) ধারায় দুটি ইটভাটার চুলার চিমনি ও কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই ইটভাটার মালিককে পাঁচ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
দেবিদ্বার উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফয়সল উদ্দিন জানান, দেবিদ্বারের ২৪টি ইটভাটার মধ্যে ১৬টির কোনো বৈধ কাগজপত্র বা পরিবেশ ছাড়পত্র নেই। আজকের অভিযানে দুইটিসহ মোট সাতটি ইটভাটা ধ্বংস করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি আটটি অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধেও অভিযান পরিচালনা করা হবে।