
পরকীয়া সংক্রান্ত বিরোধের জেরে অপহরণের পর ঢাকায় খুন করে লাশ মাধবপুরে ফেলে রেখেছিল ঘাতকচক্র।
লাশ গুম করতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া এলাকায় পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মাধবপুর উপজেলার উল্লেখিত স্থান থেকে প্লাস্টিককে মোড়ানো মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঢাকা মহানগর পুলিশের বাড্ডা থানা পুলিশের একটি দল মাধবপুর থানা পুলিশ সহায়তায় লাশটি উদ্ধার করে সুরতহাল করে।
নিহত যুবকের নাম ফরহাদ হোসেন মাহির (২৩)। সে ঢাকার উত্তরখান এলাকার চানপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল আউয়ালের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ এপ্রিল থেকে মাহির নিখোঁজ হলে গত ২রা মে তার বোন বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় এজাহার নং ৩ দায়ের করে। এজাহারের তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই হানিফ অভিযান চালিয়ে মৃদুল সরকারে (২০)কে আটক করে।
মৃদুলের স্বীকারোক্তিতে হত্যা ও গুমের মূল রহস্যে উন্মোচন হয়।
জানা য়ায়, ওই দিন মোবাইল বিক্রির কথা বলে ঢাকার আফতাবনগর এলাকায় ফরহাদকে নিয়ে আসে এজাহার নামিয় আসামী রাকিবসহ সঙ্গীয়রা।
একটি বাসায় আটকে রেখে শারীরিকভাবে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়।
লাশ গুম করতে ১ মে একটি প্রাইভেটকারে করে মরদেহটি নরসিংদী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয়ে হবিগঞ্জের মাধবপুর এলাকায় এনে ফেলে রাখা হয়।
ধৃত আসামি মৃদুলের দেওয়া তথ্যে মতে বাড্ডা থানার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই হানিফের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আন্দিউড়া এলাকা থেকে মরদেহ উদ্ধার। সুরতহাল তৈরী করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর পাঠানো হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনে নারী সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে জড়িত সকল অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে।