শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন
জানে না, চিনে না কোনদিন দেখে নাই অথচ একটি মিথ্যা লেনদেনের মামলায় রিনা আক্তার আসামি এই মিথ্যা মামলায় জেল পর্যন্ত খেটেছেন তিনি। মিথ্যা মামলার হোতা মোঃ লিটন মিয়া পিতা মরম আলী গ্রাম নন্দনপুর থানা এবং জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া। অনুসন্ধান করে জানা যায় মোহাম্মদ লিটন মিয়ার কাজ হচ্ছে বিভিন্ন ধনী ও অসহায় মানুষের খোঁজখবর নিয়ে তাদেরকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করে তাদের কাছ থেকে ব্ল্যাকমেইলিং এর মাধ্যমে হাতিয়ে নেয় অর্থ। বাংলাদেশে মিথ্যা মামলা দায়ের করা একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ দন্ডবিধির ২১১ ধারা অনুযায়ী কাউকে ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা করলে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। মামলাটি যদি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের হয় তবে মিথ্যা মামলাকারীর ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। রিনা আক্তার একজন গৃহিণী তার উপর অর্পিত মিথ্যা মামলাটি, ৪২০ বা ফোর টুয়েন্টি যার সাথে রিনা আক্তারের কোন প্রকার সম্পর্ক নাই। যিনি বাদী হয়ে বামলাটি করেছেন তার সাথে কোনদিন মোবাইলে কথা বলেন নাই চিনেন না জানেন না অথচ মামলার আসামি এ বিষয়ে রিনা আক্তারের সাথে সংবাদের প্রতিবেদকের কথা হলে তিনি জানান আমার জীবনে কোনদিন মামলার বাঁদিকে দেখি নাই। তিনি আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা করেছে আমি এই মামলায় বিনা দোষে জেল খেটেছি। মামলাটি যখন হল তখন পুলিশ ভাইয়েরা কিভাবে অনুসন্ধান করলো, তারা তদন্তের নামে চোখে কাঠের চশমা পড়ে এসব মিথ্যা মামলার বাদীদের নিকট থেকে কিছু অবৈধ অর্থ প্রাপ্তি হয়ে নিরীহ মানুষকে হয়রানি করে। কে এই লিটন মিয়া কেন সে মিথ্যা মামলা করে কি তার পরিচয় তার ইতিবৃত্ত নিয়ে আগামী পর্বে থাকবে লিটন মিয়ার ফিরিস্তি চোখ রাখুন দৈনিক আমার প্রাণে বাংলাদেশ পত্রিকায় খবরের পিছনের খবর দেখার জন্য আমাদের সাথে থাকুন। ৫ ই আগস্ট এর গণঅভ্যুত্থানের পর একটি নির্বাচিত সরকার জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আমলে কোন মিথ্যা প্রতারক মিথ্যা মামলার হোতা মানুষকে হয়রানি করে যারা স্টিমরোলার চালিয়ে মানুষের জীবনকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলে এরকম সবাই আসবে আইনের আওতায় এমনটাই প্রত্যাশা সবার। আগে সোনার বাংলা পরে অন্য সব সাধু সাবধান।