
ছোট একটি ছাদ বিভিন্ন ফল গাছে ভরা মরু অঞ্চলের সুস্বাদু ত্বীন ফলসহ বেশ কয়েক প্রকারের গাছে ফল ধরে আছে। বাড়ির পরিত্যাক্ত আঙ্গিনা ও ছাদে গড়ে তুলেছেন দেশি-বিদেশী দুষ্পাপ্য ফলের বাগান। প্রথম দিকে সখের বশে শুরু করলেও এখন এটি একটি বানিজ্যিক নার্সারীতে পরিনত হয়েছে। দোহারের চর লটাখোলা গ্রামের মৃত মঙ্গল মৃধার ছোট ছেলে বিদেশ ফেরত রফিক মৃধা।বাড়ির ছাদে করেছেন নানান ফলের বাগান। তার ছাদ বাগান দেখতে প্রতিনিয়ত দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসছেন। ফেরার সময় কোন কোন ফলের চারা নিয়ে যাচ্ছেন। চেখে দেখছেন বিদেশী ফল। রফিক জানান, এ পর্যন্ত তিনি আনার ও আঙুরের চারা বিক্রি করেছেন লক্ষাধিক টাকার। সময় কাটাতে ছাদে প্রথমে দুইটি কমলা লেবুর চারা লাগান। এই দুইটি চারার জন্য তাকে প্রতিনিয়ত ছাদে ওঠা লাগে। তাই তিনি ধীরে ধীরে সংগ্রহ করেন আরও দেশি বিদেশি ফলের চারা। অনলাইনে যাচাই করে দেশ বিদেশ থেকে নানান জাতের ফল ও ফুলের চারার সংগ্রশালা তৈরী করেছেন। তার নার্সারীতে বিভিন্ন প্রজাতির ফল ও ফুলের চারা আছে। এগুলোর মধ্যে ব্যনানা, কিউজাই, কিং অপ চাকাপাতা, ব্রুনাই কিংসহ বিভিন্ন জাতের আম। কমলার মধ্যে রয়েছে ,দার্জেলিং কমলা, নাগপুরি কমলা, ছাতকি কমলা, মেন্ডারিন কমলা, কেনু কমলা। এছাড়া চায়না-৩ কাগুজে লেবু, এলাচি কাগুজে লেবু, সিডলেচ কাগুজে লেবু, থাই কাগুজে লেবু।আনারের মধ্যে আছে ১ জি এম টু ২ থাই ৩ মিদুলা ৪ ফুল আরাক্তা ৫ অস্ট্রেলিয়ার ৬ রিমন ৭ তিউনিসিয়া ৮ পাকিস্তানি ৯ সুপার বাগুয়া ১০ কাস্মীরী মোট দশ জাতের আনার । আঙুরের মধ্যে আছে ১ বাইকুনুর ২ অস্ট্রেলিয়ার ৩ ভেলেন্সিয়া এছাড়া বিদেশি বিভিন্ন ফল ও ফুলের গাছ আছে এই বাগানে। এখন তার বাগানে বিদেশী আনার ও আঙুরের চারা তৈরি করছেন ও বিক্রি করছেন বিভিন্ন দামে। বর্তমানে তার নাসার্রী থেকে প্রতি মাসে যে চারা বিক্রি হয় তাতে খরচ বাদে মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় হয় বলে তিনি জানান।
রফিক জানান, তিনি পরিচিত জন ও এলাকার চাষীদের উদ্বুদ্ধ করছেন বিদেশি ফল চাষে। তার প্রেরণায় অনেকে বানিজ্যিকভাবে বিদেশী ফলের চাষ শুরু করেছেন। তার ছাদ বাগান ও বাড়ির আঙ্গিনায় নার্সারী দেখে এখন অনেকে তাদের নিজ বাড়ির পতিত জমিতে বিভিন্ন ফলের চারা রোপন করছেন বলে তিনি জানান।
সরকারি সহোযোগীতা পেলে আরও এগিয়ে নিয়ে জেতে পারবেন বলে রফিক জানান।