শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন
পটুয়াখালীর দশমিনায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বহুতল ভবন নির্মানের কাজ চালিয়ে যাচ্ছ অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। তবে প্রতিপক্ষের দাবী আদালতের কোন নিষেজ্ঞা বা নিষেজ্ঞার কোন নোটিশ পাইনি। শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় দশমিনা উপজেলা পরিষদ এলাকায় এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জহিরুল ইসলাম সবুজ বলেন, আমার বাবা আলী আকবর খান এবং একই বাড়ির জাকির খানের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ জমাজমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। পশু হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় ৩৩ ফুট জমির মধ্যে ২০ ফুট অংশ আলী আকবর খানের নামে রেকর্ডভুক্ত এবং পূর্বের সালিশের রায়েও তা উল্লেখ রয়েছে। জাকির খান ওই জমি বিক্রির উদ্দেশ্যে এক ক্রেতার কাছ থেকে বায়না গ্রহণ করেন এবং সাইনবোর্ড স্থাপন করেন। এতে আলী আকবর খান বাধা দিলে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সালিশ ব্যবস্থার আয়োজন করেন ২০২৫ সালের ১ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সালিশ প্রক্রিয়া চললেও কোনো সমাধান হয়নি। পরে ১৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখে আলী আকবর খান বাদী হয়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত সন্তোষ্ট হয়ে মামলাটি আমলে নিয়ে বিবাধী জাকির খানকে নোটিশ করেন। তবে আদালতে মামলা চলাকালীন জাকির খান ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ২৮ আগস্ট বিরোধীয় জমিতে বালু ফেলে জমি দখলে নেয়ার চেষ্টা করেন। কাজে বাধা দিতে গেলে আমার বাবা আলী আকবর খান ও আমার চাচা নজরুল ইসলাম এবং আমি জহিরুল ইসলাম সবুজকে আসামী করে ভিত্তিহীন চাঁদাবাজির মামলা দিয়ে আমার বাবা ও চাচাকে থানা পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরন করেন। লিখিত বক্তব্যে আরো বলেন জহিরুল ইসলাম সবুজ, আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমার বাবা ও চাচা জেলে হাজতে থাকার কারনে জাকির খান দিন-রাত কাজ করে বিরোধীয় জমিতে বাউন্ডারি নির্মাণ করে। কয়েকদিন পর জামিনে কারামুক্তি হয়ে আমার বাবা আলী আকবর খান পুনরায় আইনের আশ্রয় নেন।
এবিষয়ে জাকির খান বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা হয়েছে এমন কোন নোটিশ আমি পাইনি। বরং আমার জমিতে আমি কাজ করাইতেছি।
এবিষয়ে দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ বলেন, “ওই জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। আকবর আলী খান প্রাথমিকভাবে জায়গার আকার-আকৃতি পরিবর্তন না করার একটি স্টে অর্ডার’ এনেছেন। আমরা একাধিকবার পুলিশ পাঠিয়ে কাজ বন্ধ রাখতে বলেছি। তবে মাঝে মাঝে ফাঁকে ফাঁকে কাজ করার অভিযোগ শুনছি। কেউ যদি আদালতের নির্দেশ অমান্য করে কাজ করে সে ক্ষেত্রে অভিযোগ দিলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।