শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
জাতীয় স্মৃতিসৌধে আশুলিয়া থানা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত আওয়ামী প্রতিহিংসার শিকার তিতাস গ্যাস কর্মচারী শ্রমিক দল নেতা চাকরিচ্যুত শওকত ইমামের মানবেতর জীবনযাপন। বাকেরগঞ্জে উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও মালিকানার সংকট পঞ্চগড়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রম শক্তিশালী করতে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। রাজশাহী প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় নির্মাণাধীন মসজিদুল আকবর কমপ্লেক্সের ছাঁদ ধসে ক্ষয়ক্ষতি ! কন্ট্রাকটর ও প্রকৌশলীর গাফিলতির অভিযোগ !! প্রেমের অনন্য উপাখ্যান: কাপাসিয়ায় মালয়েশিয়ান তরুণী হাফিজা ও রাকিবের বিয়েতে নায়িকা প্রিয়াংকা ফোরকান মাস্টারকে ঘিরে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সত্য, মানবিকতা ও সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে এলাকাবাসীর আহ্বান গংগাচড়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কার্যকরী পরিষদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত মানবিক সহায়তার আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জি.আর চাল বিতরণ কোরবানির ঈদে পশুর সংকট নেই, ভারতীয় গরু ঠেকাতে কঠোর নজরদারি: সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন আমীরসহ তিন মরহুমের জানাজায় শোকাবহ পরিবেশ কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রে মিকাইল বিশ্বাসকে ঠেকানো যাবে না বললেন এলাকার সাধারণ জনগণ গাজীপুরে জুতা কারখানায় আগুন ভোলায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, ৩ মাস ৭দিনের কারাদণ্ড। আত্রাইয়ে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান-চাল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন মুরাদনগরে মাদকবিরোধী অভিযানে বিদেশি মদ, ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ আটক ২ গাজীপুরে টিকটক করতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল ২ এসএসসি পরীক্ষার্থীর গাজীপুরে আলোচিত ৫ খুন: সেই ফোরকানের মরদেহ উদ্ধার পদ্মা নদীতে ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার চাল বিতর অনিয়মে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা গাজীপুরের তুরাগ নদীতে তলিয়ে যাওয়া বন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই কিশোরের মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত নূরনবীকে দেখতে জনতার ভিড়! বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোসলেহ, সম্পাদক শামীমা পারভীন রাণীশংকৈলে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, ধর্ষক কিশোর গ্রেপ্তার প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিবের আস্থাভাজন ছাত্রনেতা তানভীর অসুস্থ, দোয়া কামনা ২০৬ পিস ইয়াবাসহ ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে গ্রেফতার ৫ মাদক ব্যবসায়ী সাতকানিয়ায় ২স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে আটক-৪!ভিকটিমদেরকে উদ্ধার। আটিগ্রাম ভূমি অফিসের ছত্রছায়ায় চলছে অবৈধ ড্রেজার ও মাটি বাণিজ্য কৃষিজমি ধ্বংসের অভিযোগ, প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ স্থানীয়দের
জরুরী নোটিশ :
জরুরী নোটিশ এবং সতর্কবার্তা ""গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক  মিডিয়া ভুক্ত পত্রিকা দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।  কিছু কুচুক্তি মহল বিভিন্ন গণমাধ্যমের আইডি কার্ড নকল করে বিভিন্ন প্রকার অপরাধে জড়াচ্ছে কিছুদিন পর পর পত্রিকার এসব খবরে আমরা বিভ্রান্ত। এরকম বেশ কয়েকজন অপরাধী দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার আইডি কার্ড নকল করেছে এমন প্রমাণিত হওয়াতে আমরা তাদের বিরুদ্ধে  তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি। এবং সংবাদ প্রকাশ করে এসব অপরাধীদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নাই বলে আমরা ঘোষণা দিয়েছি।  সেই সাথে আমরা আমাদের প্রদত্ত বিগত দিনের সকল আইডি কার্ড পরিবর্তন করে স্ক্যানিং কোড সিস্টেম করে নতুন আঙ্গিকে আইডি কার্ড তৈরি করেছি।  দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের কে সম্মানের সাথে জানাচ্ছি আপনারা  আপনাদের পুরনো আইডি কার্ড পত্রিকা অফিসে জমা দিয়ে সেই সাথে নতুন করে ভোটার আইডি কার্ড এবং  আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদের সত্যায়িত ফটোকপি সহ জমা দিয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন আইডি কার্ড সংগ্রহ করার জন্য নির্দেশ দেয়া গেল। পত্রিকা কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশ যারা অমান্য করবে তাদেরকে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃত বলে গণ্য করবেন। আপনাদের জ্ঞাতার্থে আরও জানাচ্ছি যে  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশক্রমে সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার মান নির্ণয় সহ সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরি করছেন, মাননীয় সাবেক বিচারপতি প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ইতিমধ্যে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছেন। পুনরায় আপনার ভোটার আইডি কার্ড এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা অভিজ্ঞতার সনদ সকল কিছু সত্যায়িত করে নতুনভাবে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার   কর্তৃপক্ষকে জমা দিয়ে পুরনো কার্ডটি ফেরত দিয়ে নতুন আইডি কার্ড নেওয়ার জন্য নির্দেশ রইল।  আদেশক্রমে --আব্দুল্লাহ আল মামুন--প্রকাশক ও সম্পাদক--দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ ।

যৌতুকের কালোয় ছায়ার ছোবলে খুন গৃহবধূ, আসামিরা এখনো ধরা-ছোঁয়ার বাইরে!

মোঃ জাহিদুল ইসলাম / ৪৭ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন

 

যৌতুকের দাবিতে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। হত্যার পর ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে মুখে বিষ ঢেলে প্রমাণ নষ্টের চেষ্টারও অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার এক মাস পেরিয়ে গেলেও মামলার কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় এলাকায় ক্ষোভ বাড়ছে, আর ভুক্তভোগী পরিবার বলছে—ন্যায়বিচার এখনো অধরাই।
নিহত গৃহবধূ মোছাম্মৎ সাদিয়া আক্তার মাহি (মাহিদা) হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়নের পিয়াইম গ্রামের বাসিন্দা। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে তিনি নাসিরনগরের খান্দুরা গ্রামের মোহাম্মদ আহাম্মদ আলী ওরফে আবুলের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ে করেন। পরবর্তীতে আদালতে এফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়েটি বৈধতা পায়। দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি আট মাস বয়সী ছেলে সন্তান রয়েছে—আরাফাত।
পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই মাহিদার ওপর পাঁচ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। স্বামী, দেবর, শ্বশুরসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন বলে অভিযোগ করেন তার স্বজনরা। বিষয়টি মাহিদা একাধিকবার তার বাবার পরিবারকে জানিয়েছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১১টার দিকে মাহিদার বাবা দিয়ারিশ মিয়া মেয়ের খোঁজ নিতে শ্বশুরবাড়িতে গেলে ঘরে মেয়ের মরদেহ দেখতে পান। তার দাবি, মাহিদার গলার পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন, গলায় ফোলা জখম এবং মুখে ফেনা দেখা যায়—যা তাকে হত্যাকাণ্ডের ইঙ্গিত দেয়। তিনি অভিযোগ করেন, “আমার মেয়েকে হত্যা করে পরে মুখে বিষ ঢেলে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে।”
আরও গুরুতর অভিযোগ হলো—ঘটনার পর মাহিদার আট মাস বয়সী সন্তান আরাফাতকে নিয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। এক মাস পেরিয়ে গেলেও শিশুটির অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে পরিবার দাবি করেছে।
এ ঘটনায় প্রথমে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) এবং পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়। মামলায় মোট ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে অভিযোগ উঠেছে, এখনো পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, আসামিরা প্রকাশ্যে এলাকায় অবস্থান করলেও পুলিশ কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এমনকি তদন্তে গাফিলতি ও প্রভাবশালীদের সঙ্গে আঁতাতেরও অভিযোগ তুলেছেন তারা।
নিহতের বাবা দিয়ারিশ মিয়া বলেন, “আমার মেয়েকে মেরে ফেলেছে, নাতিকেও নিয়ে গেছে। আমরা কি বিচার পাব না? এক মাস হয়ে গেল, কেউ ধরা পড়ল না।”
অন্যদিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাসিরনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন চন্দ্র দাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “নিহতের স্বজনরা তদন্তে যথাযথ সহযোগিতা করছেন না। তারা চাইলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করে অন্য কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারেন।”
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে এ ঘটনায় বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (খুন), ২০১ ধারা (অপরাধের প্রমাণ নষ্ট), ৩৪ ধারা (সম্মিলিত অপরাধ) এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। পাশাপাশি যৌতুক নিরোধ আইনেও ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, বিষয়টি অবিলম্বে বিশেষ নজরদারিতে এনে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত প্রয়োজন। বিশেষ করে শিশুসন্তান নিখোঁজের বিষয়টি মানবাধিকার ও শিশুর নিরাপত্তার দিক থেকেও গুরুতর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে, ঘটনার এক মাস পার হলেও আসামিদের গ্রেপ্তার না হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। দ্রুত গ্রেপ্তার ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির দাবি জোরালো হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *