
সাভারের আশুলিয়ায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে ধর্ষণের অ’ভিযোগে ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
অভিযোগে ইয়ারপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি আবু বক্কর ভূইয়া ওরফে বাবু ভূইয়াকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্কের নামে শারীরিক সম্পর্কে মামলার বাদী ঐ নারী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গেছে।
তার অভিযোগ, বাবু ভূইয়া নিজেকে স্থানীয় ছাত্রদলের প্রভাবশালী নেতা পরিচয় দিয়ে ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপে নিয়মিত যোগাযোগে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন।
পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।
নারী’টি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে, বাবু কৌশলে সম্পর্ক অস্বীকার করেন এবং বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান।
বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ভয়ভীতি দেখানো ও টাকার বিনিময়ে মীমাংসার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
নারীর পরিবারের দাবি, চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ওই নারী এখন সামাজিক ও মানসিক চাপে ভেঙে পড়েছেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীর কঠোর শাস্তি চায় ।
ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ৪ মার্চ আশুলিয়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করা হয়।
মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে আশুলিয়া থানার ওসি রুবেল হাওলাদার জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর মামলা গ্রহণ করে অভিযুক্ত বাবু ভূইয়াকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কিছু বাসিন্দা জানান, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হলে শেষ পর্যন্ত তা ব্যর্থ হয়।
আশুলিয়া থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন বলেন, কোনো ব্যক্তির অপরাধের দায় দল নেবে না। অভিযোগ সত্য প্রমাণ হলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নারীর প্রতি সহিংসতার এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে মানবাধিকারকর্মীরা জানান, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সম্পর্ক স্থাপন, পরে অস্বীকার করা গুরুতর অপরাধ, ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান।