শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন
আমরা সবাই মানুষ ! শুধু মানুষের আকৃতি হলেই কি প্রকৃত মানুষ হওয়া যায়? প্রকৃত মানুষ হতে হলে মানুষের মধ্যে মনুষ্যত্ববোধ থাকাটা অতীব জরুরী। কিন্তু এই মনুষ্যত্ববোধ ক’জন মানুষের মধ্যে বিরাজমান সেটাই প্রশ্ন?
খুব বেশী দিন ধরে তাঁকে আমি চিনিনা। এইতো অল্প ক’দিনের পরিচয়। এখনো ব্যক্তিগতভাবে তাঁর সাথে আমার ঠিকমতো কথোপকথনও হয়নি। কিন্তু তাঁর সততা, উদারতা, ন্যায়পরায়ণতা, কর্মনিষ্ঠতা, নিরহংকারী, নির্ভীক, যে কোন শ্রেণীর মানুষের সাথে সৌহার্দপূর্ণ আচরণ এবং অসহায় মানুষের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালবাসা সত্যিই আমাকে মুগ্ধ করেছে।
এমন নির্লোভ বহুমাত্রিক কৃতিত্বের অধিকারী একজন আলোকিত মানুষ, যিঁনি সারা জীবন অসহায় মানুষ ও সমাজের জন্য নীরবে-নিভৃতে কাজ করে চলেছেন। সমাজকে আলোকিত করার এক মহাকর্মযজ্ঞে তিনি ব্যস্ত রয়েছেন সারাটি জীবন। বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী এ সাদা মনের আলোকিত মানুষটির নাম গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ ইসরাইল হাওলাদার ।
গাজীপুরের মত একটি ব্যস্ততম এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানের পুলিশ কমিশনার হয়েও সব শ্রেণির মানুষকে আপন করে নেয়ার গুণ রয়েছে তাঁর মধ্যে। তিঁনি সকলের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন খোলা মনে। একজন সফল পুলিশ কমিশনার হিসেবে ইতিমধ্যেই জায়গা করে নিয়েছেন গাজীপুর সহ বাংলাদেশের অনেক অঞ্চলের সাধারন মানুষের কাছে যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিঁনি ।
গাজীপুরে যোগদানের পরপরই অপরাধ ধমনের কাজে সহযোগিতার লক্ষে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করে অপরাধ দমন ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। গাজীপুরের অপরাধীদের আতংকের নাম পুলিশ কমিশনার মোঃ ইসরাইল হাওলাদার।
সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন অসহায় সাধারন মানুষের সেবায়। তাঁর মতো ভালো পুলিশ যদি বাংলাদেশের প্রত্যেকটা স্থানে দায়িত্ব পালন করতেন তাহলে সাধারন মানুষ পুলিশের প্রতি আস্থা হারাতো না।
যান্ত্রিক এ যুগে মানুষ বড়ই আত্মকেন্দ্রিক। নিজের জগত নিয়ে ব্যস্ত হওয়ায় অন্যকিছু নিয়ে ভাবার সময় কারোর নেই। মানুষ যেন ভুলে গেছে স্রষ্টার সৃষ্টির মধ্যেই সৃষ্টিকর্তা বিরাজমান। আর সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টিকে ভালবাসলেই স্রষ্টার নৈকট্য লাভ সম্ভব। স্বার্থপর পৃথিবীতে নিজস্বার্থ ছেড়ে নিস্বার্থ হওয়া সাদা মনের মানুষ পাওয়া ভার। কিন্তু এই কঠিন ব্যস্তবতায়ও কিছু মানুষ থাকে যাঁদের জন্যই বোধকরি এগিয়ে যাবার আলো দেখতে পাই। তেমনি একজন আলোকিত মানুষ পুলিশ কমিশনার ইসরাইল হাওলাদার ।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) বর্তমান পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ ইসরাইল হাওলাদার । তিনি ১৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে নিয়োগ পান এবং ১৯ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন । তিনি এর আগে শিল্পাঞ্চল পুলিশের ডিআইজি হিসেবে কর্মরত ছিলেন
পুলিশ কমিশনার: জনাব মোঃ ইসরাইল হাওলাদার
পদবি: ডিআইজি (শিল্পাঞ্চল
ব্যাচ: ১৭তম বিসিএস (পুলিশ)
দায়িত্ব: গাজীপুর মহানগর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দেওয়া।
তিনি তার চাকরিজীবনে যেখানেই চাকরি করেছেন তার দিকনির্দেশনায় পুলিশের মধ্যে একটি নীতি নির্ধারকের কাজ হিসেবে গণ্য হয়ে তিনি তার অধীনস্থ সকল পুলিশের কাছে নিজেকে আদর্শের উচ্চ শিখরে অবস্থান করতে সক্ষম হয়েছেন । তার দিক নির্দেশনা এবং বুদ্ধিমত্তায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড দমনে নিষ্ঠার সাথে কাজ করে চলেছেন পুলিশ সমাজ , দ্রুত সময়ের মধ্যে মূল রহস্য উদঘাটন ও আসামীদেরকে গ্রেফতার করা সহ মাদক, জুয়া,খুন,গুম, ইভটিজিং এর মত অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধের অভিযান অব্যাহত সহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাধারণ মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন তিনি। বৃহত্তর গাজীপুরে তার অধীনস্থ প্রত্যেকটি পুলিশ সদস্যদের মধ্যে শৃঙ্খলা, থানা প্রাঙ্গণে বাগান করা, সৌন্দর্য বর্ধন সহ অনেক অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদন করছেন তার দিক নির্দেশনায় ।
তার কাছে কোনো মানুষ অভিযোগ নিয়ে যেতে চাইলে কোনো দালাল বা কারো মারফতে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকাকে দালাল, বাটপার ও টাউট মুক্ত পরিবেশে ফিরিয়ে দিয়েছেন পুলিশ কমিশনার ইসরাইল হাওলাদার ।
একজন সংস্কৃতিমনষ্ক ও ইসলামিক মানুষ হিসাবেও তাঁর কাজ ছড়িয়ে আছে এ দেশের সর্বত্র। তাঁর কাজকর্মের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত উন্নত মানসিকতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন। যা সমাজের অন্যসব মানুষদের মধ্যে খুঁজে পাওয়া দুস্কর। সুন্দর ও ভাল মনের মানুষ হলে জীবনের সকল পর্যায়ে ভাল কাজ করা সম্ভব এ বিষয়টির অন্যতম নিদর্শন পুলিশ কমিশনার ইসরাইল হাওলাদার । তিঁনি ভালবাসা, দয়া ও সৌহার্দ্যরে এক অনন্য প্রতিমূর্তি। তার সেই স্বত্তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসার বদান্যতায়। আমার দেখা একজন চৌকস, সৎ, দায়িত্বশীল ও মানবিক পুলিশ অফিসার তিনি।