শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ন
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে হাঁড় কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত তিনদিন থেকে কনকনে হিমেল বাতাস ও শীতের তীব্রতায় সকল প্রকার কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটছে। তবে দিনের বেলা সূর্যের তাপে তেমন শীত অনুভূত না হলেও সন্ধ্যার পর থেকে ঠান্ডর তীব্রতা বাড়তে শুরু করে। রাত যতই গভীর হয় ঠান্ডার প্রকোপ ততই বাড়তে থাকে। এ অবস্থা চলে পরের দিন সূর্যোদয় পর্যন্ত।
ফলে হাড় কাঁপানো শীতে ছিন্নমুল ও খেটে খাওয়া মানুষেরা দুর্ভোগে পড়েছেন বেশি। যতই দিন যাচ্ছে তাপমাত্রার পারদ ততই নিচের দিকে নামছে। মধ্য মাঘে এসে যেন হামলে পড়েছে শীত। তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে উপজেলার মানুষ। বিশেষ করে চা বাগান গুলোতে এবং গ্রামগুলোতে শীতের কাঁপুনি বেশি।
এদিকে টাকা-পয়সার অভাবে শীতবস্ত্র কিনতে পারছেন না নিন্মআয়ের ও বাগানের অসহায় শ্রমিকরা। শীতবস্ত্রের অভাবে প্রাত্যহিক ভোরে শীতের তীব্রতার জন্য কাজে যেতে কষ্ট পোহাতে হচ্ছে তাদের, এ অবস্থায় রাতে গরম কাপড়ের অভাবে শীত কষ্টে ভুগছেন ছিন্নমূল মানুষেরা। রাতের বেলা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বৃদ্ধ ও শিশুদেরকে। সাথে সাথে দেখা দিচ্ছে রোগব্যাধীর প্রকোপ। রোগব্যাধীতে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধবয়সী পর্যন্ত সবাই। সর্দি, জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, নিউমনিয়াসহ ঠান্ডজনিত রোগ দেখা যাচ্ছে। শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা বেশি। তারা হাসপাতাল ও প্রাইভেট চিকিৎসকদের কাছে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এম মাহবুবুল আলম ভুঁইয়া বলেন, ঠান্ডায় সর্দি, জ্বর, কাশি ও ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাদের মধ্যে শিশু ও বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি। তবে পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে বলে তিনি জানান।