শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ন
শীতের তীব্রতা অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে দেশজুড়ে। রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় সকাল ও রাতে তীব্র ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। অন্যান্য বৎসরের তুলনায় ২০২৫ সালের শেষের দিকে সাড়াদেশ জুড়ে শীতের অনুভূতিটা একটু বেশি বলে মনে হচ্ছে।এই আবহাওয়ার প্রভাবে হাসপাতালে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। সর্দি, কাশি, জ্বর, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টে ভুগছেন সবচেয়ে বেশি শিশু ও বয়স্করা। চিকিৎসকরা বলছেন শীত ভাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডাজনিত রোগের সংখ্যা বেড়েছে। তাই শীতজনিত রোগ থেকে রক্ষা পেতে শিশু ও বয়স্কদের বাড়তি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। শীতের কারণে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। যাদের দৈনন্দিন ইনকামে সংসার চলে তারা প্রায় দিশাহাড়া।এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে জানুয়ারি মাসে দেশে ৪ থেকে ৫ টি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি মাঝারি এবং অন্তত একটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শীতের কারনে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে,ধান,আম,লিচু,তুলা, এবং অন্যান্য ফসলের ক্ষতি হতে পারে। এবং শীতকালীন সময়ে গবাদি পশুদের ও যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। তবে জানুয়ারি মাসের ১৪ ,১৫ তারিখের মধ্যে শীতের তীব্রতা কিছুটা কমে আসতে পারে।