শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ন
সৌদি আরব প্রবাসী সবুজ হোসেনের নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ করে পরকীয়ায় জড়িয়ে উল্টো মিথ্যা মামলা দায়ের করে জেলে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে প্রতারক স্ত্রী পপি আক্তারের বিরুদ্ধে।
২৫ শে ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে রায়পুর সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী প্রবাসী সবুজ হোসেন।ভুক্তভোগী সবুজ হোসেন বলেন, আমি সৌদিতে যাওয়ার আগে ২২/০৩/২০১৯ সালে রায়পুর উপজেলার ৪নং সোনাপুর ইউনিয়নের চরবগা কাজি বাড়ির আব্দুল কাদেরে মেয়ে পপি আক্তার (২২) কে বিয়ে করি।এর পরে আমি গত ১২/০৯/২০১৯ সালে সৌদি আরবে পাড়ি দেই। দীর্ঘ ৫ বছর যাবত সৌদিআরবের একটি কোম্পানিতে কর্মরত ছিলাম ।আমি প্রবাসে থাকাকালীন আমার স্ত্রী পপি আক্তার টিকটক ভিডিও করে এবং সেই সুবাদে অন্য পুরুষের সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়। এবিষয়ে তাকে বারবার সর্তক করেও তাকে ফেরাতে পারিনি।
খবর পেয়ে আমি ২০২৪ সালের ২৫শে মে সৌদিআরব থেকে দেশে ছুটিতে আসি।এবিষয়ে আমি তার অন্যায় কাজে বাধা দিলে আমাকে গত ২১/০১/২০২৪ সালে একটি মিথ্যা যৌতুকের মামলা দায়ের করে এবং সেই মামলায় গত ১৮/১১/২০২৫ সালে আমাকে গ্রেফতার করিয়ে ১ সপ্তাহ কারাবাস করানো হয়।এযাবৎ প্রবাসে থাকাকালীন পপি আক্তার আমার নিকট হতে নগদ অর্থ এবং স্বর্ণালংকার বাবদ প্রায় ৭ লক্ষ ২০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে। পরবর্তীতে আমি তার সম্মতি নিয়ে তাকে তালাক দিয়ে অন্যত্রে বিবাহ করি। বর্তমানে পপি আক্তার বিভিন্ন উপায়ে আমাকে ভয়ভীতি ও হয়রানি করে আসছে ।ভুক্তভোগী সবুজ হোসেন কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আমি একজন প্রবাসী হিসাবে সরকারের নিকট আকুল আবেদন, আমার কষ্টার্জিত খোয়া যাওয়া নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার দ্রুত ফেরত পাওয়াসহ অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।এদিকে অভিযুক্ত পপি আক্তারের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তার মুঠো ফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।