1. amarpranerbd@gmail.com : news :
  2. amarpranerbangladesh@gmail.com : PRANER BD REPORTER : PRANER BD REPORTER
  3. editor.amarpranerbd.official@gmail.com : Newsdesk :
শিরোনাম :
কবে হবে সুন্দরবন দস্যুমুক্ত আজ থেকে নিষেধাজ্ঞা শেষে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বনে ফিরছেন জেলে-বাওয়ালিরা কেশবপুরে জামায়াতে ইসলামীর ইউনিট দায়িত্বশীল সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত সওজ’র গাফলতি চরমে,অকেজো হচ্ছে কোটি টাকার ফেরি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে চৈতী কম্পোজিট  লিঃকে ৭৫ লক্ষ ৪ হাজার টাকা জরিমান ধার্য করা হয়  প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মোহনগঞ্জে পতাকা উত্তোলন ও রেলিতে এমপি বাবর- নবনির্মিত প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ মানুষের কল্যাণে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম – মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ৪ নং পৈল ইউনিয়ন বাসীকে ভালবাসা ও শুভেচ্ছা জানালেন ফ্রান্স প্রবাসী ৪ নং পৈল ইউনিয়নের  চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ সোহেল রানা ভাই ।  শিবচরে গণউন্নয়ন সমবায় সমিতির প্রতারণায় নিঃস্ব নিম্নআয়ের মানুষ মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন বিএনপি’র ৪৮- তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে শীতলক্ষ্যা নদীতে মৎস্য অবমুক্ত করন। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করতে ২৪ লাখ ডলারের চিকিৎসা সরঞ্জাম দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নীলফামারীতে হানাদারমুক্ত দিবস পালিত,

নবিজুল ইসলাম নবীন
  • Update Time : Saturday, December 13, 2025,
  • 55 Time View

আজ ১৩ ডিসেম্বর—নীলফামারী হানাদারমুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে ১৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার জীবন উৎসর্গের বিনিময়ে পাক হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয় নীলফামারী জেলা শহর।

মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ৬ নম্বর সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধারা সম্মিলিত আক্রমণের মাধ্যমে নীলফামারীকে শত্রুমুক্ত করেন এবং শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন।

১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট থেকে অগ্রসর হয়ে পাক হানাদার বাহিনী নীলফামারী দখল করে নেয়। দখলের পরপরই জেলার বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে হানাদার বাহিনীর তীব্র সংঘর্ষ শুরু হয়। চারদিক থেকে আক্রমণের মুখে একপর্যায়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাক বাহিনী।

নীলফামারী জেলা শহরকে মুক্ত করতে ১২ ডিসেম্বর রাত থেকেই মুক্তিযোদ্ধারা চারদিক থেকে সশস্ত্র স্থলযুদ্ধে অংশ নেন। প্রচণ্ড আক্রমণের মুখে পাক সেনারা পিছু হটে সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় নেয়।

১৩ ডিসেম্বর ভোরে মুক্তিযোদ্ধারা শহরে প্রবেশ করে নীলফামারীকে সম্পূর্ণ হানাদারমুক্ত করেন। এ সময় মুক্তিকামী মানুষ আনন্দে রাস্তায় নেমে আসে এবং চৌরঙ্গী মোড়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে বিজয়ের উল্লাস প্রকাশ করে।

বর্তমানে চৌরঙ্গী মোড়ে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে ‘স্মৃতি অম্লান’ নামে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হয়েছে, যা নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেয়।

টানা নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে নীলফামারীতে শহীদ হন ক্যাপ্টেন বাশার, আলী হোসেন, আহমেদুল হক প্রধান, আনজারুল হক ধীরাজ, জাহেরুল ইসলাম, মোজাম্মেল হক, মিজানুর রহমান, মির্জা হাবিবুর রহমান সহ মোট ১৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা।

অবস্থা বেগতিক দেখে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও রসদ ফেলে ১৩ ডিসেম্বর ভোরে পাক সেনারা নীলফামারী ছেড়ে রংপুর সেনা ক্যাম্পে পালিয়ে যায়। এর মধ্য দিয়েই শত্রুমুক্ত হয় নীলফামারী।

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 প্রানের বাংলাদেশ