শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন
চট্টগ্রাম নগরীর ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের বন্দরটিলা এল.এ. টাওয়ার শপিং সেন্টারে “এমবি মিডিয়া ব্রাঞ্চ” নামে একটি অফিস খুলে অনলাইন আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র।
তথ্যসূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি অনলাইনে পাঁচশত অধিক অ্যাকাউন্ট খুলে গ্রাহকদের কাছ থেকে তিন হাজার থেকে শুরু করে এক লাখ ৪৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সদস্যফি গ্রহণ করত। সব মিলিয়ে এই চক্র এখন পর্যন্ত প্রায় ৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ চক্রের সঙ্গে জড়িতদের মধ্যে রয়েছেন—খাদিজা হালিমা এবং চক্রের মূল হোতা হিসেবে অভিযুক্ত ম্যানেজমেন্ট ম্যানেজার সুলতানা আক্তার নূরী। জানা গেছে, নূরী পূর্বে ফুটপাতে কসমেটিকস ব্যবসা করতেন। পরে “অনলাইনে প্রশ্নের উত্তর দিয়ে উপার্জন”–এর লোভ দেখিয়ে শত শত গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ শুরু করেন তারা।
গণমাধ্যমকর্মীরা অফিসে গিয়ে কোম্পানির কোনো বৈধ কাগজপত্র পাইনি। শুধু একটি সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স দেখানো হলেও সেটির সত্যতা যাচাই করতে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা জানান—ভুল তথ্য দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স তৈরি করা হয়েছে। পরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তদন্তে প্রতিষ্ঠানটির কোনো বাস্তব ট্রেনিং সেন্টার না থাকার প্রমাণ মেলে। ফলে তাদের ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, এই চক্র মূলত ইপিজেড এলাকার বিভিন্ন শিল্পকারখানার শ্রমিকদের টার্গেট করে প্রতারণা চালিয়ে আসছে। টাকা লেনদেনে তারা একাধিক বিকাশ ও নগদ নম্বর ব্যবহার করত—
বিকাশ: 01717740899, 01346301918, 01818913785, 01341016276
নগদ: 01849469260, 01619486146, 0160561246, 101626605123
01894444210
সদস্যরা দাবি করেছেন, এই সব মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতেন সুলতানা আক্তার নূরী। এমবি মিডিয়া ব্র্যান্ডের সদস্য আমেনা বেগম তার একাউন্টের টাকা উত্তোলনের বিষয় কথা কাটাকাটি হলে তাকে এসিড মারার হুমকি দেন সুলতানা আক্তার নূরী এ বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয় জিডি নং ১৫১২
এ বিষয়ে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, এ বিষয়টি কোন অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”