শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় চরভূমি রক্ষা নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে রানি গাঁও মৌজার শতাধিক মালিকানাধীন জমি বিআইডব্লিউটিএ’র নাম করে কৌশলে ড্রেজারের মাধ্যমে কেটে নেওয়ার প্রস্তুতির অভিযোগ জমির মালিকদের।এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে ওই জমির স্থাপিত পিলার ও গাছপালা উপড়ে ফেলার সময় ভিডিও ধারণ করায় দুই স্কুল শিক্ষার্থীকে মারধর ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে আটক করে রাখার অভিযোগ অভিযোগ উঠেছে পোর্ট অফিসার নেওয়াজ মোহাম্মদ খানের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রানি গাঁও মৌজার আরএস দাগ নং—৪২৬, ৪২৫, ৪২৪, ৪১২, ৪১৩, ৪১৪, ৪১৫, ৪২৩, ৪১৬, ৪২৭, ৪২৮, ৪২৯, ৪৩০, ৩৩৭, ৪৩১, ৪৩২, ৩৩৮, ৩৩৬ নম্বর খতিয়ানভুক্ত জমিগুলো বহু বছর আগে থেকেই স্থানীয়দের বসতভিটা ছিল। এখানে যখন শিমুলিয়া ঘাট হয় তখন এখানে খনন করে নৌজান চলাচলের রুট করা হয়। জনগণের চলাচলের স্বার্থে তখন জমির মালিকরা কোন বাধা দেয়নি কিন্তু, এখন পদ্মা সেতু চালুর পর নৌপথের চাপ কমায় মালিকেরা তাদের পুরনো জমি চাষাবাদ ও বসবাস উপযোগী করে তোলেন। তারা দাবি করেন, জমির সকল কাগজপত্র, হাল-সন ও খাজনা নিয়মিত পরিশোধ করা রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় বালু–ভূমিদস্যু সিন্ডিকেটের স্বার্থে পোর্ট অফিসার নেওয়াজ মোহাম্মদ খান কৌশলে নতুন টলার চলাচলের নাম করে চ্যানেল খননের অনুমতি দেখিয়ে শতাধিক একর মালিকানা জমি ড্রেজারের মাধ্যমে কেটে বিক্রির পাঁয়তারা করছেন। স্থানীয়রা জানান, এই মাটি বিক্রি করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে, আর সেই কারণেই মালিকদের পিলার ও গাছপালা অপসারণ করা হয়।
এ ঘটনার