শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন
কুকুরের বাচ্চা পানিতে ডুবিয়ে মারার অপরাধে বিচারের দাবিতে ভাইরাল সংবাদ
শের ই গুল
সম্প্রতি কুকুরের বাচ্চা পানিতে ডুবিয়ে মারার সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সকল মহল থেকে প্রতিবাদ উঠেছে এই হত্যাকারী মহিলার উপযুক্ত বিচারের। বিষয়টি যদি এভাবে হিসাব করি একজন মহিলা যেমন মা তেমন অন্যান্য প্রাণী এবং কুকুরের মধ্যেও মা হওয়ার প্রবণতা রয়েছে তাহলে প্রকৃতি কি বলে। সৃষ্টিকর্তা কিভাবে সৃষ্টি করেছেন।
মহিলা মানুষের স্তনে mammary glands থাকে দুটো। কুকুরের থাকে ৮-১০টি। কোন নারীর সন্তান যখন জন্মের পর মারা যায় – সন্তানকে দুধ খাওয়ানোর আর সুযোগ থাকে না।
তখন স্তনে দুধ জমে ভার থাকে। আর এই জমে থাকা দুধের কারণে হতে পারে সিরিয়াস ব্যথা, সেই সাথে হতে পারে ইনফেকশন! রয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। এই সমস্যাকে Mastitis বলে।
নারীর চেয়ে কুকুরের Glands বেশী থাকায়। কষ্টের পরিমাণটা আরও বেশী হতে পারে। নারীরাই এই কষ্ট সহ্য করতে না পেরে ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা নিয়ে থাকেন।
আর যেই কুকুরের ৮টি সন্তানকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছে। সেই কুকুরের শারীরিক কন্ডিশনের কথা ভাবুন! মানসিক অবস্থা কেমন সেটা তো ঐ মা কুকুরটার সন্তানদের জন্য ছটফট দেখলেই বুঝা যায়।
তবে গুডনিউজ হচ্ছে – সন্তান হারা মা কুকুরটিকে চিকিৎসা দিচ্ছেন প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তারা।
হত্যায় অভিযুক্ত নারীর সাক্ষাৎকার দেখলাম। ভাজা মাছটাও উল্টিয়ে খেতে পারেন না। এত নরম সুর। বস্তায় ভরার কথা স্বীকার করলেও, ডুবিয়ে হত্যার দায় এড়িয়ে যাচ্ছেন। তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। এই কামনা।
আগামী ১২ জানুয়ারী বিড়াল হত্যায় অভিযুক্ত এক আসামীর আত্মপক্ষ সমর্থনে হাজিরা রয়েছে। এই আসামী গত ফেব্রুয়ারি মোহাম্মদপুর এপার্টমেন্টের একটি বিড়ালকে বিনা কারণে হত্যা করেন। সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছিলো। প্রমান কিন্তু রয়েছে। তারপরেও এই মামলা আজকে ১ বছর ধরে চলছে!
সেখানে ৮টি কুকুরের বাচ্চা হত্যার বিচার কী আদৌ মিলবে?
তবুও সুষ্ঠ বিচার হোক। এই প্রার্থনায় দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ।