শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ন
চির নিদ্রায় নিজ গ্রামের দারুস সালাম জামে মসজিদের কবরস্থানে শায়িত করা হলো রাজনের লাশ। গত রোববার বেলা সাড়ে বারোটায় খুলনা আদালত চত্বরের সামনেই দুষ্কৃতীদের হাতে নির্মমভাবে খুন হয় রাজন ও তার এক সহযোগী।
গত রোববার বেলা সাড়ে বারোটায় একটি অস্ত্র মামলায় খুলনা জেলা জজ কোটে হাজিরা দিয়ে নিচে নামার সাথে সাথে ৬-৭ জন দুষ্কৃতকারী প্রথমে বোমা পরে গুলি ও সর্বশেষ কুপিয়ে তাদের মৃত্যু নিশ্চিত করে সন্ত্রাসীরা বীরদর্পে ঘটনা স্থল ত্যাগ করে। ওই সময় আদালত প্রাঙ্গনে শতশত লোক সরগম সহ পুলিশের উপস্থিতি থাকলেও কেউ তাদের রক্ষা করতে আসেনি ফলে হত্যাকারীরা বীর দর্পে রাজন ও তার এক সহযোগীকে ফিল্ম ষ্টাইলে হত্যা করে। নিহত রাজনের বাড়ি খুলনা জেলার রূপসা থানার বাগমারা গ্রামে। সে ওই গ্রামের এজাজ শেখের একমাত্র পুত্র। মৃত্যুকালে সে তিন বছরের একটি কন্যা সন্তান স্ত্রী পিতা-মাতা চাচা চাচি সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছে। সবাই বলে পোস্টমর্টেম শেষে তার লাশ বাড়িতে পৌছালে এক হৃদয়বিদারক ঘটনার অবতারণা হয়। গতকাল আসর বাদ বাগমারা দারুস সালাম মসজিদ প্রাঙ্গণে তার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার নামাজ পড়ান বাগমারা বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাজমুল হাসান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, ৩ নং নৈহাটি ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শেখ ইলিয়াস হোসেন রূপসা বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ মহিউদ্দিন, মোঃ আখতার হোসেন খান, বাগমারা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মোঃ আরাফাত হুসাইন, সাংবাদিক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সভাপতি এডভোকেট মোল্লা মহব্বত আলী, সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেনজীর হোসেন, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মোঃ: শাহ আলম ভূঁইয়া, শামসুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ: হায়দার আলী, বিএনপি নেতা দিদারুল ইসলাম, মাইনুল হাসান, যুবদল নেতা মিজানুর রহমান, ছাত্রদল নেতা জান্নাতুল নাঈম, গোলাম মাওলা, রেজাউল ইসলাম, হানিফ শেখ, শরীফ শেখ সহ এলাকার শত শত লোক জানাজার নামাজে শরিক হন