শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন
খুলনা রূপসা উপজেলার নন্দনপুর গ্রাম খোকনের বাড়ি থেকে পথের বাজার মেইন রোড আদিলের বাড়ির মোড় পর্যন্ত সরকারি রাস্তার মাটি কেটে ইট পুড়িয়েছেন ইসহাক সরদার বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যে রাস্তাটি মাটি কেটে ইট পুড়িয়েছেন, সেই রাস্তাটি চেনার কোন উপায় নাই। রাস্তার সামনে একটা নেটের বেড়া বানিয়ে রেখেছেন যাতে করে কেউ বুঝতে না পারে যে, এখানে একটি রাস্তা ছিল। এ বিষয়ে এলাকার জনসাধারণ আমাদের প্রতিবেদক কে বলেন, জন্মের পর থেকে দেখে আসতেছি এই রাস্তাটি ছিল এবং আমরা খেলাধুলা করতাম এই রাস্তার উপরে, গরমের সময় প্রশান্তির জন্য এই রাস্তা দিয়ে হাঁটাহাঁটি করতাম এবং নন্দনপুর পথের বাজার যাতায়াতের জন্য সহজ উপায় ছিল কিন্তু আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এবং ২নং শ্রীফলতলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও আজাদ ব্রিকস এর মালিক ইসহাক সরদার এবং তার ছেলে রনি সরদার রাস্তাটি জোরপূর্বক মাটি কেটে ইট পোড়াচ্ছে এবং এ ব্যাপারে আসে পাশে বিভিন্ন লোকজন বলেন যে ৫-৬টি বাড়ির পাশ থেকে এমনভাবে মাটি কেটেছেন, তাদের বাড়িতে থাকা হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সব মাটি ইট তৈরির কাজে লাগিয়েছে এলাকাবাসী দাবি। আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এবং ২নং শ্রীফলতলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য, এলাকাবাসী ইসহাক সরদার ও তার বাহিনীর ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। নাম গোপন রাখার শর্তে অনেকেই কিছু তথ্য দিয়েছেন।
উক্ত বিষয়ে স্থানীয়রা জানান এখানে একটি রাস্তা ছিল, কিছু মানুষের জমি ও ঘর বাড়ি ছিল, পরবর্তীতে আজাদ ব্রিকস এর মালিক ইসহাক সরদার ও রনি সরদার তাদেরকে ভয় দেখিয়ে সেখান থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে ও জায়গাটি এখনো পর্যন্ত জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে।
অপরদিকে ইটভাটার কর্মচারীরা সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে হট্টগোল করার চেষ্টা করে এবং স্থানীয়রা বক্তব্য দেয়ার জন্য এগিয়ে আসেন তাদেরকে এক প্রকার ভয় ভীতি দেখিয়ে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয়।
এ বিষয়ে আজাদ ব্রিকস এর মালিক ইসহাক সরদারের সাথে বারবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তা সম্ভব হয়নি। ইসহাক সরদারের ছেলের কাছে এসব বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকারি রাস্তাটি কোন কাজে লাগতো না এবং রাস্তাটির উভয় পাশে আমাদের জমি রয়েছে তাই আমরা এই রাস্তার জায়গাটুকু নিজেদের মতো করে ব্যবহার করছি।
অন্য মানুষের জায়গা জোরপূর্বক দখল প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন সেখানে যাদের কাছ থেকে আমরা জমি নিয়েছি তার বিনিময়ে অন্যস্থান থেকে তাদেরকে জমি দিয়ে দিয়েছি।
তিনি সাংবাদিকদের আরো বলেন এসব বিষয় নিয়ে আগে অনেকবার পত্রিকায় লেখালেখি হয়েছে অনুসন্ধান তদন্ত হয়েছে এগুলো নতুন কিছু নয়।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা বলেন, আমাদের জায়গা নিয়েছে কিন্তু কোথাও কোন জায়গা দেয়নি। এলাকাবাসী সরকারে প্রতি এ বিষয় তদন্তের জন্য রুপসা উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমরা ব্যাপারটা দেখতেছি এই বলে মোবাইলটি কেটে দেন।
পরবর্তী পর্বে থাকছে আরও বিস্তারি থাকছে আগামী পর্বে