বিগত বছর ৩ বছর যাবত এভাবেই চলছে স্কুলের যাওয়া আসা কেবল রাস্তাটাই সমস্যা না। বিদ্যালয়টার ভবন জরাজীর্ণ হয়ে গেছে অনেক আগেই। এই স্কুল সম্পর্কে এবং স্কুলের যাতায়াতের রাস্তা সম্পর্কে জানতে চাইলে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকা কে এলাকার বিভিন্ন মানুষের মন্তব্যটা কেমন ছিল একটু আমরা জানি। শ্রেণিকক্ষগুলোতে ঢুকলে দম বন্ধ হয়ে আসে।
এই এলাকায় বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ অন্য যেসব রাজনৈতিক দল সক্রিয় আছে, তাদের অনেক নেতা-কর্মীকেই চিনি। ওনারা বোধহয় না আমি বা আমাদের মতো আম মানুষকে তেমন একটা চেনেন।
তবুও ওনাদেরকে আমার চেনার জায়গা থেকে খুবই সাধারণ কিছু প্রশ্ন করতে চাই।
১. আপনারা কেন রাজনীতি করেন?
২. আপনাদের উপর এ এলাকার জনগণ আস্থা রাখবে কেন?
৩. আওয়ামী আমল বাদ দিলাম। ৫ আগস্টের পর থেকে এই এলাকার জনগণের জীবনমান ভালো করার জন্য আপনারা কী ভূমিকা রেখেছেন?
চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, জুরাইন ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডে যারা বিভিন্ন দলের হয়ে রাজনীতি করেন, তাদের কারো বাচ্চা-কাচ্চা এই স্কুলে পড়ে না। এই স্কুলে তাদের বাচ্চারাই পড়ে যাদের সামর্থ বা অন্য কোনো উপায় নাই।
বিগত বছরগুলোয় বহুবার আমরা এলাকার ড্রেন, রাস্তা পরিষ্কারের কাজ করেছি। মানুষের প্রতি দরদের জায়গা থেকে স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে সেসব কাজ করেছি।
সামাজিকভাবে উদ্যোগ নিয়ে এই রাস্তাটাও আমরা সংস্কার করতে পারি। কিন্তু কেন করব?
যদি আমাদেরকেই কাজ করতে হয় তাহলে সিটি কর্পোরেশন আছে কী করতে?
যদি সাধারণ মানুষকেই কাজ করতে হয় তাহলে সিটি কর্পোরেশন কোন অধিকারে আমাদের কাছ থেকে নানা ধরনের ট্যাক্স দাবি করে?
যদি আমাদের মতো সাধারণ মানুষদেরকেই বছরের পর বছর এসব নিয়ে কথা বলতে হয়, তাহলে রাজনৈতিক দলগুলো আছে কেন? এলাকায় তাদের কাজ কী?
সিটি কর্পোরেশনের আরাম কেদারায় বসে থাকা মাননীয় কর্মকর্তাবৃন্দ এবং এলাকায় রাজনীতি করা বিভিন্ন দলের মহান নেতৃবৃন্দ, আপনাদের লজ্জা করা উচিত। যদি আদৌ তা থেকে থাকে।