1. amarpranerbd@gmail.com : news :
  2. amarpranerbangladesh@gmail.com : PRANER BD REPORTER : PRANER BD REPORTER
  3. editor.amarpranerbd.official@gmail.com : Newsdesk :
শিরোনাম :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গাইবান্ধায় আনন্দ র‍্যালি ও সমাবেশ শ্রীপুরের মানুষের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পুরাতন খলনায়ক নতুন করে আবির্ভাব। কুড়িগ্রামে পালিত হলো বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ডিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৭,  সরফভাটা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী ও গুণীজন সংবর্ধনা কবে হবে সুন্দরবন দস্যুমুক্ত আজ থেকে নিষেধাজ্ঞা শেষে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বনে ফিরছেন জেলে-বাওয়ালিরা কেশবপুরে জামায়াতে ইসলামীর ইউনিট দায়িত্বশীল সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত সওজ’র গাফলতি চরমে,অকেজো হচ্ছে কোটি টাকার ফেরি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে চৈতী কম্পোজিট  লিঃকে ৭৫ লক্ষ ৪ হাজার টাকা জরিমান ধার্য করা হয়  প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মোহনগঞ্জে পতাকা উত্তোলন ও রেলিতে এমপি বাবর- নবনির্মিত প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ

রাজধানীতে ডিবির জালে মোহাম্মদ হাসান ও রিফাতুর রহমান নামে ভয়ঙ্কর দুই প্রতারক গ্রেফতার! অনলাইন মার্কেটিংয়ের ফাঁদে চাকরিজীবীর ১৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ!!

সোহাগ হাওলাদার:
  • Update Time : Monday, August 24, 2026,
  • 60 Time View
রাজধানীতে অনলাইন মার্কেটিংয়ের নামে প্রতারণার অভিযোগে একটি চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন, মোহাম্মদ হাসান ও মো. রিফাতুর রহমান।
অভিযোগ রয়েছে, অনলাইন মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আর্থিক লাভের প্রলোভন দেখিয়ে চাকরিজীবী মো. জাহাঙ্গীরের কাছ থেকে বিভিন্ন কৌশলে প্রায় ১৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় অভিযুক্ত চক্রটি।
এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী মো: জাহাঙ্গীর ঢাকার সিএমএম আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার এজাহারে ভুক্তভোগী মো: জাহাঙ্গীর উল্লেখ করেন, গত ১৯/০৭/২০২৫ ইং তারিখে আনুমানিক সময় দুপুর ১১,৪৫ মিনিটে আমার নিজ  বাসায় অবস্থান কালে আমার ব্যবহৃত টেলিগ্রামে তানিয়া আহমেদ নামের একটি টেলিগ্রাম আইডি থেকে
অনলাইনে বাসায় বসে ইনকাম করার একটি মেসেজ আসে। কৌতুহল বসত আমি বিস্তারিত
জানতে চাইলে তিনি আমাকে বলেন,আমি আপনার নাম্বার আমাদের এজেন্টের কাছে ছিচ্ছি, সে আপনাকে বিস্তারিত জানাবে। কিছু সময় পরে, ফারিয়া জান্নাত নামের একটি টেলিগ্রাম আইডি থেকে আমাকে কাজ সম্পর্কে বিস্তারিত বলেন। এবং https//merinproperty-exolore.com/ এই লিংকটি পাঠিয়ে আমার মোবাইল নাম্বার এবং একটি পাসওয়ার্ড ব্যবহার
করে একাউন্ট খুলতে বলেন। তাদের কোম্পানির নাম “Merlin” for trust, আমার ব্যবহৃত
01723201524 এই মোবাইল নাম্বার ও একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে আমি একটি একাউন্ট খুলি। অ্যাকাউন্ট খােলার সাথে সাথে তাদের প্রদন্ত ওই লিংকের একাউন্টে ১০ হাজার টাকা ট্রাইল বোনাস দেয়া
হয়, এই ট্রাইল বােনাস ব্যবহার করে মূলত কাজ শেখানাে হয় থাকে। তাদের দেয়া ট্রাইল
বােনাস ১০ হাজার টাকা দিয়ে তিন ধাপে ৭৫ টি টাস্ক কমপ্লিট করে ৫৯১৯ টাকা প্রথম দিনে
লাভবান হই। পরের দিন এজেন্ট -ফারিয়া জান্নাত আমাকে একটি টেলিগ্রাম গ্রুপে এড
করেন, যেই গ্রুপের নাম – “Merlin discussion UD Group 4048 ” যেখানে দুইজন গ্রপ এডমিন
আরিফুর রহমান, এহেসান সারােয়ার, ফারিয়া জান্নাত ও হাবিব ভুইয়া মোট ৫৩ জন মেম্বার
ছিল। এছাড়া কাস্টমার সার্ভিস নামে আরো একটি টেলিগ্রাম আইডি থেকে ডিপোজিট কৃত
টাকা ভরিফাই করা হতো। পরবর্তীতে ২২/০৭/২০২৫ ইং তারিখে এজেন্ট ফারিয়া জান্নাতের
নির্দেশনায় তাদের দেয়া সিটি ব্যাংক একাউন্ট 2304513629001 নাম্বারে ৫০ হাজার টাকা NPSB
করি এবং কাজ শুরু করি। প্রথম সেট কমপ্লিট করার পরে আমার একাউন্টে ১.৫৬,২৪২/- টাকা
ব্যালেন্স দেখায়, এরপর আমি দ্বিতীয় সেট কমপ্লিট করার জন্য তদেরকে রিকোয়েস্ট করি।
তারপর আমি দ্বিতীয় সেট শুরু করি,এবং অর্ধেক কাজ শেষ করার পরে, আমার সামনে দুইটি স্ক্রেস কার্ড শো করে,আমি একটি স্ক্রেস কার্ডে টাচ করলে একটি বোনাস পাই, তখন আমার একাউন্টে ৩,৮১,৫৩৮/- টাকা দেখায়, এই টাকা দেখানোর পরে বােনাসের জন্য আমার কাছে আরো এক লক্ষ ৫২ হাজার
টাকা ডিপােজিট করতে বলে, আমি আবার ওই একই সিটি ব্যাংক একাউন্টে ১ লক্ষ ৫২
হাজার টাকা ডিপোেজিট করি, এরপর আমি আমার দ্বিতীয় সেটের কাজ কমপ্লিট করি এবং
তৃতীয় সিটেটর কাজ শুরু করি, যখন তৃতীয় সেট কাজ শেষ করব তখনই আমাকে একটি বড়
বােনাস দেয় যার ফলে আমার একাউন্টে ব্যালেন্স দেখায় ৮,৯৬,৮৩০ টাকা, তখন আমার
মাইনাস ব্যালেন্স দেখার ৪ লক্ষ ৫ হাজার টাকা, আমি আবার ৪ লক্ষ ৫ হাজার টাকা
তাদের দিয়া ওই একই ব্যাংক একাউন্টে ডিপােজিট করি, এরপর কাজ কমপ্নিট করে যখন শেষ করব তখন আমার ব্যালেন্স দেখায় ২১,৭৫,৮৫০ টাকা, কিন্তু তথন আমার মাইনাস ব্যালেন্স দেখায় ৮ লক্ষ ৬৪ হাজার
টাকা, তখন তারা বলে এই টাকা জমা দিলে আমি পুরো ২৩,৯৬,০০০ টাকা পাব। পরে
নিরুপায় হয়ে আমি ৮ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা তাদের একাউন্ট জমা দেই। এরপরে যখন ক্যাশ
উত্তোলন করতে যাই তখনই তারা আমার সবকিছু ব্লক করে দেয়। এরপর যখন আমি তাদের
সাথে যোগাযোগ করি তখন তারা বলে এটা তাদের পলিসিতে নাই একসাথে এত টাকা ক্যাশ
আউট করা।  এরপর তখন তারা বলে এই টাকা
উঠাইতে হলে আমাকে আরাো ১১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা সিকিউরিটি মানি জা দিতে হবে
তাহল আমি পুরো টাকাটাই তুলতে পারব। পরে আমি আমার কলিগদের সাথে কথা বলে বুঝতে পরি আমি এক ধরনের বড় আকারের প্রতারণার
শিকার  তাই তাদের সাথে আর কোন লেনদেন না করে  তাদেরকে আজকে কালকে বলে
আমি তাদেরকে ঘুরাইতে থাকি, বাকি ১১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা জমা দেওয়ার কথা বলে। আমি পুরো টাকাটা আমার সিটি ব্যাংকের একাউন্ট থেকে তাদের একটি সিটি ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে জমা দেই। যার একাউন্টে টাকাটা জমা দেই তার নাম মো: খাইরুল আলম বাবলু। তার কাছ থেকে আরো পাঁচ ছয়জনের লিংক পাওয়া গেছে যারা তাদের
টাকাগুলাে একজন আরেকজনকে ট্রান্সফার করছে
MD. KHAIRUL ALAM BABLU City Bank PLC A/C No: 2304513629001
MST. MAHFUZA KHATUN CITY BANK PLC A/C NO: 2224342345001
R R INTERNATIONAL CITY BANK PLC A/C NO: 1503643393001
MD. HASAN CITY BANK PLC A/C NO: 2304023301001
MAHMUDUL HASAN CITY BANK PLC A)C NO: 2302517866001
MOHAMMED HASAN CITY BANK PLC A/C NO: 2803345036001
এই পুরাে প্রক্রিয়ার তারা লেয়ারিং মাধ্যমে একজন থেকে আরেকজনের কাছে দিয়েছে এবং মূল
হােতার কাছে টাকাগুলো পৌছে দিয়ছে। যেহেতু আমি একজন সিটি ব্যাংকের কর্মকর্তা তাই
আমি সকল অ্যাকাউন্ট গুলো দেখতে পেরেছি এবং তাদের যাবতীয় তথ্য নিতে সক্ষম হয়েছেি।
পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে মামলাটি তদন্তের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে ন্যস্ত করা হয়। মামলাটি তদন্তে নিয়ে ডিবি পুলিশ প্রায় নয় মাস ধরে অভিযোগের বিভিন্ন দিক যাচাই-বাছাই করে এবং  তদন্তের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য, আর্থিক লেনদেনসহ প্রতারণার অভিযোগের বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা হয় বলে জানা গেছে। পরে প্রতারণার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে মোহাম্মদ হাসান ও মো: রিফাতুর রহমানকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, অনলাইন মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে সহজে ও দ্রুত অর্থ উপার্জনের প্রলোভন দেখিয়ে তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নেওয়া হয়। পরে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা ফেরত না দেওয়ায় তিনি আইনের আশ্রয় নেন।
এছাড়া গ্রেফতার দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা তদন্ত ও আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে। তবে ডিবির জালে আটক হওয়া প্রথম ব্যক্তি মোহাম্মদ হাসান, পিতার নাম- আব্দুল মোনাফ,মাতা- মুসলিমা,এবং এই একই মামলার ৫ নম্বর আসামি মাহমুদুল হাসান এর পিতা-মাতার নাম এক হওয়া নিশ্চিত হওয়া গেছে তারা দুজন আপন ভাই।  তাদের বর্তমান ঠিকানা দেওয়া হয়েছে রাজধানীর ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার। মূলত এই ঠিকানা থেকেই গ্রেফতার করা হয় মোহাম্মদ হাসান নামের এই প্রতারককে। গ্রেপ্তারকৃত দ্বিতীয় ব্যক্তি মোহাম্মদ রিফাতুর রহমান, পিতা- মোহাম্মদ রফিকুর রহমান,মাতা- রাশিদা রহমান, এছাড়া তার স্ত্রী – হালিমা আক্তার লাবনি,তিনি এল এ ইভেন্টস নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার। প্রতারক রিফাতুর রহমানের ব্যাংক একাউন্টে দেদেখানো মোবাইল নম্বরটি তিনিই ব্যবহার করেন এবং এল এ ইভেন্টস এর ফেসবুক পেইজেও ওই একই মোবাইল নম্বর দেয়া হয়েছে। ব্যাংক একাউন্টে দেয়া নাম্বারের সূত্র ধরে রিফাতুল রহমানের বিস্তারিত যাচাই করতে ওই নাম্বারে ফোন দিলে তার স্বামী রিফাতুর রহমানের সাথে সম্পর্ক অস্বীকার করেন, স্ত্রী হালিমা আক্তার লাবনী। তিনি প্রতিবেদককে বলেন, কোন বিষয়ে প্রতারণা হয়ে থাকলে সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দেখবে এখানে সাংবাদিকদের কাজ কি? এই বলে তিনি ফোন রেখে দেন। কিছু সময় পড়ে রায়হান চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি প্রতিবেদককে ফোন দিয়ে পরিচয় জানতে চেয়ে কর্কট ভাষায় কথা বলেন, এবং প্রতিবেদকের প্রশ্নের জবাবে এক পর্যায়ে তিনি বাধ্য হয়ে স্বীকার করেন হালিমা আক্তার লাবনী রিফাতুর রহমানের স্ত্রী। রিফাতুর রহমান গ্রেফতারের পরের দিন মগবাজার চৌরাস্তার মোড়ে একটি রেস্টুরেন্টে, প্রতিবেদককে ফোন দেওয়া সেই রায়হান চৌধুরী ও তার সাথে আরেকজন লোক নিয়ে মামলার বাদী মো: জাহাঙ্গীরকে নগদ ৩ লাখ টাকা দিয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন। আসামির পক্ষে রায়হান চৌধুরীর এখানে কর্মকাণ্ডই প্রমান করে আসামি রিফাতুর রহমান প্রকৃতপক্ষে প্রতারক চক্রের একজন সক্রিয় সদস্য। এছাড়া কথিত রায়হান চৌধুরী নামের ওই ব্যক্তি এই গ্রুপেরই সদস্য কিনা সেটা খতিয়ে দেখার বিষয়। এদিকে ডিবির তদন্তে প্রতারণার ঘটনার সাথে আরও বেশ কিছু রাঘব বোয়ালদের জড়িত থাকার তথ্য নিশ্চিত  হওয়া গেছে। যার মধ্য উল্লেখযোগ্য রয়েছে, মেসার্স আই এস টেলিকম নামের সিটি ব্যাংকের একটি যৌথ অ্যাকাউন্ট। যার কর্ণধার মো: রোকন উদ্দিন ও প্রবাল কর নামের দুই ব্যক্তি। যেখানে প্রতিদিন কোটি টাকার উপরে লেনদেন হয় বলে জানিয়েছেন, মামলার বাদী মো: জাহাঙ্গীর
Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 প্রানের বাংলাদেশ