রাজধানী ঢাকায় জমি কেনাবেচা ও কোটি কোটি টাকার আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে নিতাই চন্দ্র মণ্ডল নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে বড় অঙ্কের অর্থের লেনদেনে জড়িত ছিলেন এবং এসব লেনদেনকে কেন্দ্র করে কয়েকজন ব্যক্তি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তাদের মধ্যে সোহাগ জোয়াদ্দার নামে এক ব্যক্তি নিজেকে ভুক্তভোগী বলে দাবি করেছেন।
প্রাপ্ত একটি বায়না দলিলের তথ্য অনুযায়ী, তফসিলে বর্ণিত জমির মোট মূল্য ১০ কোটি টাকা। দলিলে বায়না বাবদ ৮ কোটি টাকা এবং অবশিষ্ট ২ কোটি টাকা পরিশোধের কথা উল্লেখ রয়েছে। দলিলটিতে নিতাই চন্দ্র মণ্ডলকে সংশ্লিষ্ট পক্ষ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে তার ঠিকানা ঢাকার তুরাগ থানার টেম্পুপুর এলাকার বলে উল্লেখ রয়েছে।
এদিকে অভিযোগকারী পক্ষ নিতাই চন্দ্র মণ্ডলের পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। তাদের দাবি, নিতাই চন্দ্র মণ্ডল নামের আড়ালে মজিবর রহমান নামে একজন ব্যক্তি পরিচয় পরিবর্তন করে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে লেনদেন ও প্রতারণা করে আসছেন। এমনকি তার নামে একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র থাকারও অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। বিশেষ করে মজিবর রহমান ও নিতাই চন্দ্র মণ্ডল একই ব্যক্তি কি না, তার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সঠিক কি না এবং পরিচয় পরিবর্তনের অভিযোগের পেছনে বাস্তব কোনো প্রমাণ রয়েছে কি না—এসব বিষয় সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি ও কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, জমি কেনাবেচা ও অর্থনৈতিক লেনদেনের সময় বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও পরবর্তীতে নানা জটিলতা তৈরি হয়। এতে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেন। সোহাগ জোয়াদ্দারও নিজেকে এ ধরনের লেনদেনের একজন ভুক্তভোগী হিসেবে দাবি করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে নিতাই চন্দ্র মণ্ডল ওরফে মজিবর রহমানের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র, জমির দলিল ও আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত নথি যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।