শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
রাজনীতি মানেই ক্ষমতা নয়, রাজনীতি মানুষের সেবা করার একটি মহান সুযোগ— এমনই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন উল্লাপাড়া উপজেলার ৪নং বড় পাঙ্গাসী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম আঃ রাজ্জাক মিঠু। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, “আমি নেতা হতে চাই না, আমি মানুষের সেবক হয়ে থাকতে চাই।”দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এই নেতা এলাকার সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও তিনি নিজেকে একজন সমাজসেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের মতে, ব্যক্তিগত প্রচার-প্রচারণার চেয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তার রাজনীতির মূল দর্শন।এস এম মিঠু বলেন, “রাজনীতি যদি মানুষের কল্যাণে না আসে, তবে সেই রাজনীতির কোনো মূল্য নেই। আমি সবসময় চেষ্টা করি মানুষের কথা শুনতে, তাদের সমস্যার পাশে দাঁড়াতে এবং যথাসাধ্য সমাধানের উদ্যোগ নিতে।” তিনি আরও বলেন, দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকেই তিনি এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন।তিনি যুবসমাজকে ইতিবাচক কাজে সম্পৃক্ত করার ওপর জোর দিয়ে বলেন, “আমাদের তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারলে সমাজ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।” পাশাপাশি শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তিনি সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সামাজিক সংকট বা ব্যক্তিগত সমস্যায় সবার আগে এগিয়ে আসেন এস এম মিঠু। সাধারণ মানুষের প্রতি তার আন্তরিকতা, সহজ-সরল জীবনযাপন এবং সহযোগিতার মনোভাব তাকে এলাকায় একজন জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সময়ে এমন জনবান্ধব ও সেবামূলক মনোভাবের রাজনীতি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। এস এম মিঠুর এই বক্তব্য ও কার্যক্রম তৃণমূল রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিচ্ছে বলেও মনে করছেন অনেকে।সবশেষে তিনি বলেন, “মানুষের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। তাদের আস্থা নিয়েই আমি আগামীতেও সেবামূলক কাজ চালিয়ে যেতে চাই।”