
নাউতারা নদীর ভাঙ্গনকবলিত বাম তীরের কাকড়া নামক এলাকায় অবশেষে সম্পন্ন হয়েছে পূর্ব সতর্কতামূলক প্রতিরক্ষা কাজ। দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ শেষে এই কাজ বাস্তবায়নের ফলে স্বস্তি ফিরে এসেছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বিভাগের বাস্তবায়নে প্রায় ৫০ মিটার এলাকায় এ প্রতিরক্ষা কাজ সম্পন্ন করা হয়। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। পুরো কাজের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডালিয়া পওর শাখার ১এর কর্মকর্তা গোলাম ওয়াদুদ। কার্যসহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বকুল চন্দ্র বিশ্বাস। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে মেসার্স হকএন্টারপ্রাইজ কাজটি বাস্তবায়ন করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, নাউতারা নদীর নব্যতা বৃদ্ধি পেয়ে যখন নদীটি বিস্তৃত ও ভয়াবহ রূপ ধারণ করে, তখন একের পর এক আঘাতে এই কাকড়া এলাকাটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নদীভাঙনে বহু মানুষের বসতভিটা, গবাদিপশু এমনকি কবরস্থান পর্যন্ত নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং বারবার সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরা হয়।
পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী একাধিকবার সরেজমিন পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি প্রশাসনিক পর্যবেক্ষণ ও তদারকির মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত উদ্যোগেই আজকের এই কার্যকর প্রতিরক্ষা কাজ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, এই কাজটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে তাদের নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে। তারা আশা করছেন, ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে নাউতারা নদীর ভাঙন থেকে স্থায়ীভাবে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হবে।