শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর ১৬৮ সদস্য বিশিষ্ট চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা। মাধবদীতে শিল্পপতি রাজু ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে অপপ্রচার: সত্যের জয় আইনি বিজয়, গাছা প্রেসক্লাবের নির্বাচিত সভাপতি হামিদ খানের মৃত্যুতে গাছা সাংবাদিক ক্লাবের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ ঘুম থেকে উঠেই পেট ফাঁপা? জেনে নিন দূর করার উপায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে আশুলিয়া থানা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত আওয়ামী প্রতিহিংসার শিকার তিতাস গ্যাস কর্মচারী শ্রমিক দল নেতা চাকরিচ্যুত শওকত ইমামের মানবেতর জীবনযাপন। বাকেরগঞ্জে উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও মালিকানার সংকট পঞ্চগড়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রম শক্তিশালী করতে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। রাজশাহী প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় নির্মাণাধীন মসজিদুল আকবর কমপ্লেক্সের ছাঁদ ধসে ক্ষয়ক্ষতি ! কন্ট্রাকটর ও প্রকৌশলীর গাফিলতির অভিযোগ !! প্রেমের অনন্য উপাখ্যান: কাপাসিয়ায় মালয়েশিয়ান তরুণী হাফিজা ও রাকিবের বিয়েতে নায়িকা প্রিয়াংকা ফোরকান মাস্টারকে ঘিরে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সত্য, মানবিকতা ও সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে এলাকাবাসীর আহ্বান গংগাচড়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কার্যকরী পরিষদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত মানবিক সহায়তার আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জি.আর চাল বিতরণ কোরবানির ঈদে পশুর সংকট নেই, ভারতীয় গরু ঠেকাতে কঠোর নজরদারি: সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন আমীরসহ তিন মরহুমের জানাজায় শোকাবহ পরিবেশ কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রে মিকাইল বিশ্বাসকে ঠেকানো যাবে না বললেন এলাকার সাধারণ জনগণ গাজীপুরে জুতা কারখানায় আগুন ভোলায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, ৩ মাস ৭দিনের কারাদণ্ড। আত্রাইয়ে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান-চাল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন মুরাদনগরে মাদকবিরোধী অভিযানে বিদেশি মদ, ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ আটক ২ গাজীপুরে টিকটক করতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল ২ এসএসসি পরীক্ষার্থীর গাজীপুরে আলোচিত ৫ খুন: সেই ফোরকানের মরদেহ উদ্ধার পদ্মা নদীতে ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার চাল বিতর অনিয়মে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা গাজীপুরের তুরাগ নদীতে তলিয়ে যাওয়া বন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই কিশোরের মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত নূরনবীকে দেখতে জনতার ভিড়! বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোসলেহ, সম্পাদক শামীমা পারভীন রাণীশংকৈলে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, ধর্ষক কিশোর গ্রেপ্তার
জরুরী নোটিশ :
জরুরী নোটিশ এবং সতর্কবার্তা ""গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক  মিডিয়া ভুক্ত পত্রিকা দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।  কিছু কুচুক্তি মহল বিভিন্ন গণমাধ্যমের আইডি কার্ড নকল করে বিভিন্ন প্রকার অপরাধে জড়াচ্ছে কিছুদিন পর পর পত্রিকার এসব খবরে আমরা বিভ্রান্ত। এরকম বেশ কয়েকজন অপরাধী দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার আইডি কার্ড নকল করেছে এমন প্রমাণিত হওয়াতে আমরা তাদের বিরুদ্ধে  তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি। এবং সংবাদ প্রকাশ করে এসব অপরাধীদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নাই বলে আমরা ঘোষণা দিয়েছি।  সেই সাথে আমরা আমাদের প্রদত্ত বিগত দিনের সকল আইডি কার্ড পরিবর্তন করে স্ক্যানিং কোড সিস্টেম করে নতুন আঙ্গিকে আইডি কার্ড তৈরি করেছি।  দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের কে সম্মানের সাথে জানাচ্ছি আপনারা  আপনাদের পুরনো আইডি কার্ড পত্রিকা অফিসে জমা দিয়ে সেই সাথে নতুন করে ভোটার আইডি কার্ড এবং  আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদের সত্যায়িত ফটোকপি সহ জমা দিয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন আইডি কার্ড সংগ্রহ করার জন্য নির্দেশ দেয়া গেল। পত্রিকা কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশ যারা অমান্য করবে তাদেরকে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃত বলে গণ্য করবেন। আপনাদের জ্ঞাতার্থে আরও জানাচ্ছি যে  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশক্রমে সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার মান নির্ণয় সহ সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরি করছেন, মাননীয় সাবেক বিচারপতি প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ইতিমধ্যে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছেন। পুনরায় আপনার ভোটার আইডি কার্ড এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা অভিজ্ঞতার সনদ সকল কিছু সত্যায়িত করে নতুনভাবে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার   কর্তৃপক্ষকে জমা দিয়ে পুরনো কার্ডটি ফেরত দিয়ে নতুন আইডি কার্ড নেওয়ার জন্য নির্দেশ রইল।  আদেশক্রমে --আব্দুল্লাহ আল মামুন--প্রকাশক ও সম্পাদক--দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ ।

দস‌্যু‌দের সা‌থে চুক্তি ক‌রেই সুন্দরবনে যে‌তে হ‌চ্ছে জেলে বাওয়া‌লিদের

মেহেরব হোসেন-কয়রা-খুলনা-প্রতিনিধি: / ৯৫ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন

খুলনার কয়রায় উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন পেশার মানুষের বসবাস। বিশেষ করে সুন্দরবনের উপর বেশিরভাগ মানুষ নির্ভরশীল। মধু, মাছ, কাঁকড়া ও গোলপাতা আহরণ করে তাদের জীবন জীবিকা চালিয়ে আসছে বহুদিন যাবত। বনে রয়েছে বাঘ হরিণ বানর কুমিরসহ হরেক রকমের প্রাণী। জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা ভয়ংকর বাঘের ভয় না করে জীবন জীবিকার তাগিদে স্ত্রী সন্তানদের দুই বেলা দুই মুঠো খাওয়ানোর জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে বন জীবীরা।

ভয়ঙ্কর সাপ কুমির বাঘের মু‌খে মৃত্যু হতে পারে জেনেও নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিন রাত এক করে গহীন জঙ্গলে প্রবেশ করে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ করে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের জীবন যুদ্ধ।

বহুদিন যাবত সুন্দরবনে বনদস্যু বাহিনী নীরবে বনজীবীদের থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হা‌তি‌য়ে নিচ্ছেন। গরিব অসহায় বনজীবী তাদেরকে টাকা না দিলে নির্মম অত্যাচার নির্যাতন গুলি করে হাত-পা বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হচ্ছে। দিনের পর দিন বহু নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বহু বনজীবী।

বন রক্ষার জন‌্য রয়েছে বিভিন্ন বাহিনী। ফরেস্ট ক্যাম্প, নৌবাহিনী টহলসহ প্রশাসনের তৎপরতাও র‌য়ে‌ছে। তারপরও দস্যুরা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যা‌চ্ছে। তা‌দের নির্মম নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন জেলে বাওয়ালিরা।

বনজীবী মোঃ শহীদ (গাজী) জানান আমাদের উপকূলীয় অঞ্চলে তেমন কোন কাজ না থাকায় বেশিরভাগ মানুষ আমরা সুন্দরবনের বাঘ কুমির সাপের ভয় না করে ব‌নে যাই। মা বাবা স্ত্রীর সন্তানের মুখে খাবার দেওয়ার জন‌্য বনে গেলে মৃত্যু হতে পারে জেনেও মাছ কাঁকড়া মধু সংগ্রহ করতে যাই।

আমরা গরীব অসহায় কোন রকম করে সংসার চালিয়ে যাই। আগে সুন্দরবনে ডাকাতবাহিনীর সা‌থে দেখা হলে টাকা নিয়ে ছেড়ে দিত। এখন ‌বিভিন্ন দস্যু বাহিনী বনে রয়েছে। দুলাভাই বাহিনী জাহাঙ্গীর বাহিনী এরকম বহু বাহিনীকে টাকা দিতে হয়। দেখা গেল সক‌লের টাকা দিতে দিতে আমাদের আর তেমন কিছু থাকে না। কোনরকম সংসারটি টেনে টুনে চলে। তারপরও তাদের নির্মম অত্যাচার নির্যাতন গুলি বিভিন্ন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে মোবাইল ফোন নৌকা জিনিসপত্র সকল কিছু নিয়ে নেন। এখন তারা নিয়ম করেছে তাদের সাথে চুক্তি ছাড়া বনে প্রবেশ করলে হয়তো কারো জীবন দিতে হবে না হয় হাত-পা ভেঙ্গে ঝুলিয়ে বেঁধে রাখবে।

আলমগীর (হোসেন) বলেন আমরা গরিব মানুষ লেখাপড়া জানিনা মূর্খ মানুষ জীবনের তাগিদে বুদ্ধি হওয়ার পর থেকে বনে মাছ কাঁকড়া মধু সংগ্রহ করতে যাই। সব সময় ভ‌য়ে থাকি কখন জানি বাঘ চলে না আসে। আসলে তো বিপদ হয়তো মৃত্যু না হয় বেঁচে যাব যদি হায়াত থাকে। আগে বনদস্যু ছিল তারা এরকম নির্যাতন করতো কম কিন্তু এখন তাদের নির্যাতন অত্যাচারের তাৎপরতা বেড়ে গেছে টাকা না দিলে গাছের সাথে ঝুলিয়ে নির্মম অত্যাচার মারপিট নির্যাতন করে। আবার কাউকে জিম্মি করে বহু টাকা চাঁদা দাবি করে যদি তাদের চাহিদা মত টাকা না দেয়া হয় তখন মৃত্যুর হুমকিও থা‌কে। তারপরও কি করব ধার দেনা করে তাদের মুক্তিপ‌ণের টাকা পরিশোধ করতে হয়। এখন এমন ভাবে তারা অত্যাচার শুরু করেছে বনে যাওয়ার আগে তাদের থেকে আগে চুক্তি করে যেতে হবে না হলে হয়তো মৃত্যু না হয় হাত-পা ভেঙে বনে ফেলে রেখে চলে যাবে সবকিছু নিয়ে। এই নির্মম অত্যাচার আমরা আর কতদিন সহ্য করব! আমরা সরকার প্রশাসনের কাছে অনতি বিলম্বে বন থেকে বনদস্যু নির্মূল করার আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা যেন স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে কোনরকম খেটে খেয়ে বেঁ‌চে থাক‌তে পারি। দস্যু‌দের অত্যাচারে আমরা অ‌তিষ্ঠ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *