আসন্ন রামনা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে উৎসাহ-উদ্দীপনা বাড়ছে। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে ভোটারদের মধ্যেও চলছে নানা আলোচনা। এরই মধ্যে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে আলোচনায় উঠে এসেছে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেনের নাম।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের দাবি, নির্বাচনের সময়ের বাইরে সারা বছর সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তিনি অনেকের আস্থা অর্জন করেছেন।
এলাকার কয়েকজন ভোটারের ভাষ্য, তারা এমন একজন জনপ্রতিনিধি চান যিনি নির্বাচিত হওয়ার পরও জনগণের পাশে থাকবেন এবং এলাকার উন্নয়নে কাজ করবেন। তাদের মতে, জাহাঙ্গীর হোসেন সেই প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হতে পারেন।
তবে নির্বাচন নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সম্ভাব্য প্রার্থীর পক্ষেই প্রচারণা ও জনসংযোগ কার্যক্রম চলছে। কে শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন পাবেন এবং ভোটারদের সমর্থন অর্জন করবেন, তা নির্ধারিত হবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই।
নিজের অবস্থান সম্পর্কে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, তিনি নিজেকে জনগণের একজন সেবক হিসেবে মনে করেন। নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পেলে রামনা ইউনিয়নকে আধুনিক, সুশাসনভিত্তিক ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করবেন। এ লক্ষ্যে তিনি ইউনিয়নবাসীর দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই বিভিন্ন সম্ভাব্য প্রার্থীর জনসংযোগ কার্যক্রম জোরদার হচ্ছে। তবে ভোটের ফলাফল নির্ধারণ করবেন রামনা ইউনিয়নের ভোটাররাই। নির্বাচনের দিন জনগণের রায়েই নির্ধারিত হবে ইউনিয়নের আগামী নেতৃত্ব।