শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
জাতীয় স্মৃতিসৌধে আশুলিয়া থানা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত আওয়ামী প্রতিহিংসার শিকার তিতাস গ্যাস কর্মচারী শ্রমিক দল নেতা চাকরিচ্যুত শওকত ইমামের মানবেতর জীবনযাপন। বাকেরগঞ্জে উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও মালিকানার সংকট পঞ্চগড়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রম শক্তিশালী করতে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। রাজশাহী প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় নির্মাণাধীন মসজিদুল আকবর কমপ্লেক্সের ছাঁদ ধসে ক্ষয়ক্ষতি ! কন্ট্রাকটর ও প্রকৌশলীর গাফিলতির অভিযোগ !! প্রেমের অনন্য উপাখ্যান: কাপাসিয়ায় মালয়েশিয়ান তরুণী হাফিজা ও রাকিবের বিয়েতে নায়িকা প্রিয়াংকা ফোরকান মাস্টারকে ঘিরে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সত্য, মানবিকতা ও সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে এলাকাবাসীর আহ্বান গংগাচড়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কার্যকরী পরিষদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত মানবিক সহায়তার আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জি.আর চাল বিতরণ কোরবানির ঈদে পশুর সংকট নেই, ভারতীয় গরু ঠেকাতে কঠোর নজরদারি: সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন আমীরসহ তিন মরহুমের জানাজায় শোকাবহ পরিবেশ কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রে মিকাইল বিশ্বাসকে ঠেকানো যাবে না বললেন এলাকার সাধারণ জনগণ গাজীপুরে জুতা কারখানায় আগুন ভোলায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, ৩ মাস ৭দিনের কারাদণ্ড। আত্রাইয়ে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান-চাল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন মুরাদনগরে মাদকবিরোধী অভিযানে বিদেশি মদ, ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ আটক ২ গাজীপুরে টিকটক করতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল ২ এসএসসি পরীক্ষার্থীর গাজীপুরে আলোচিত ৫ খুন: সেই ফোরকানের মরদেহ উদ্ধার পদ্মা নদীতে ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার চাল বিতর অনিয়মে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা গাজীপুরের তুরাগ নদীতে তলিয়ে যাওয়া বন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই কিশোরের মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত নূরনবীকে দেখতে জনতার ভিড়! বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোসলেহ, সম্পাদক শামীমা পারভীন রাণীশংকৈলে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, ধর্ষক কিশোর গ্রেপ্তার প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিবের আস্থাভাজন ছাত্রনেতা তানভীর অসুস্থ, দোয়া কামনা ২০৬ পিস ইয়াবাসহ ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে গ্রেফতার ৫ মাদক ব্যবসায়ী সাতকানিয়ায় ২স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে আটক-৪!ভিকটিমদেরকে উদ্ধার। আটিগ্রাম ভূমি অফিসের ছত্রছায়ায় চলছে অবৈধ ড্রেজার ও মাটি বাণিজ্য কৃষিজমি ধ্বংসের অভিযোগ, প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ স্থানীয়দের
জরুরী নোটিশ :
জরুরী নোটিশ এবং সতর্কবার্তা ""গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক  মিডিয়া ভুক্ত পত্রিকা দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।  কিছু কুচুক্তি মহল বিভিন্ন গণমাধ্যমের আইডি কার্ড নকল করে বিভিন্ন প্রকার অপরাধে জড়াচ্ছে কিছুদিন পর পর পত্রিকার এসব খবরে আমরা বিভ্রান্ত। এরকম বেশ কয়েকজন অপরাধী দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার আইডি কার্ড নকল করেছে এমন প্রমাণিত হওয়াতে আমরা তাদের বিরুদ্ধে  তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি। এবং সংবাদ প্রকাশ করে এসব অপরাধীদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নাই বলে আমরা ঘোষণা দিয়েছি।  সেই সাথে আমরা আমাদের প্রদত্ত বিগত দিনের সকল আইডি কার্ড পরিবর্তন করে স্ক্যানিং কোড সিস্টেম করে নতুন আঙ্গিকে আইডি কার্ড তৈরি করেছি।  দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের কে সম্মানের সাথে জানাচ্ছি আপনারা  আপনাদের পুরনো আইডি কার্ড পত্রিকা অফিসে জমা দিয়ে সেই সাথে নতুন করে ভোটার আইডি কার্ড এবং  আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদের সত্যায়িত ফটোকপি সহ জমা দিয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন আইডি কার্ড সংগ্রহ করার জন্য নির্দেশ দেয়া গেল। পত্রিকা কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশ যারা অমান্য করবে তাদেরকে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃত বলে গণ্য করবেন। আপনাদের জ্ঞাতার্থে আরও জানাচ্ছি যে  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশক্রমে সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার মান নির্ণয় সহ সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরি করছেন, মাননীয় সাবেক বিচারপতি প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ইতিমধ্যে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছেন। পুনরায় আপনার ভোটার আইডি কার্ড এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা অভিজ্ঞতার সনদ সকল কিছু সত্যায়িত করে নতুনভাবে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার   কর্তৃপক্ষকে জমা দিয়ে পুরনো কার্ডটি ফেরত দিয়ে নতুন আইডি কার্ড নেওয়ার জন্য নির্দেশ রইল।  আদেশক্রমে --আব্দুল্লাহ আল মামুন--প্রকাশক ও সম্পাদক--দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ ।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও মালিকানার সংকট

ডেক্স রিপোর্ট / ৩৩ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশের গণমাধ্যম জগতে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো আবারও প্রমাণ করছে—এ দেশের সাংবাদিকতা এখনো একটি অনিরাপদ, অনিশ্চিত ও বৈপরীত্যপূর্ণ পেশা। বিশেষ করে এখন টিভির বার্তা বিভাগের চার সাংবাদিককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠিয়ে পরবর্তীতে চাকরিচ্যুত করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের প্রশ্ন নয়; বরং এটি বাংলাদেশের সামগ্রিক গণমাধ্যম কাঠামো, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা এবং মালিক-রাষ্ট্র সম্পর্কের গভীর সংকটকে সামনে নিয়ে এসেছে।

‘এখন টিভি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO) ও সম্পাদকীয় প্রধান তুষার আবদুল্লাহ পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে দীর্ঘদিন পরিচিত ও প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু তার নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিক ছাঁটাইয়ের ঘটনায় ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে- জামাত ও বিএনপি সমর্থক) মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি এবং ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম (টিভি অফিস তালাবদ্ধ করে দেয়া!) নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—বাংলাদেশে সাংবাদিকদের চাকরির নিরাপত্তা আদৌ কতটুকু?

একটি পক্ষ বলছে, কোনো প্রতিষ্ঠানের যেমন নিয়োগ দেওয়ার অধিকার আছে, তেমনি প্রয়োজনবোধে চাকরিচ্যুত করারও প্রশাসনিক ক্ষমতা রয়েছে। তবে সেই ক্ষেত্রে শ্রম আইন, চুক্তি, প্রাপ্য সুবিধা ও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতেই হবে। এই যুক্তি কোনও ভাবেই অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু অন্য পক্ষের উদ্বেগও অমূলক নয়। কারণ সংবাদমাধ্যমে “যেকোনো অজুহাতে” বার্তা বিভাগের কর্মীদের অপসারণের সংস্কৃতি সাংবাদিকদের মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি করে ইদানীং’ মব’ সংস্কৃতি রয়েছে এটা দানবের আচরণ । এর ফলে স্বাধীন সাংবাদিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সম্পাদকীয় স্বাধীনতা সংকুচিত হয়ে পড়ে।

বাংলাদেশে সাংবাদিকদের অন্যতম বড় সংকটগুলো হলো—তাদের জন্য কার্যকর চাকরি বিধি, বেতন কাঠামো ও ট্রেড ইউনিয়ন অধিকারের অভাব। আমেরিকা ও বিশ্বব্যাংকের সবক অনুযায়ী গার্মেন্টস শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে যেসব সংবাদপত্র ও মিডিয়া সোচ্চার, সেসব প্রতিষ্ঠানের ভেতরেও সাংবাদিকদের শ্রম অধিকার প্রশ্নে নির্কাক বধির নীরবতা দেখা যায়।

দেশের ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল মিডিয়ায় এখনো কোনো কার্যকর জাতীয় বেতন কাঠামো নেই। ফলে কোথাও একজন শীর্ষ নির্বাহীর বেতন লাখ টাকায় পৌঁছায়, আবার একই পেশায় সাংবাদিকতায় গ্র্যাজুয়েট একজন তরুণকে ১৫ হাজার টাকায় কাজ করতে হয়। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অসংখ্য সংবাদকর্মী আছেন, যারা কোনো বেতন বা সম্মানি ছাড়াই “প্রতিনিধি” পরিচয়ে স্বেচ্ছাসেবী কাজ করেন।

এই বাস্তবতায় দেশের সাংবাদিকদের একটি বড় অংশ পেশাগত সততা নয়, বরং ভাত কাপড়ের জন্য টিকে থাকার লড়াইয়ে বাধ্য হয়ে মালিকপক্ষ বা রাষ্ট্রক্ষমতার অনুগত হয়ে পড়েন। কারণ তারা জানেন—একবার চাকরি হারালে বিকল্প কর্মসংস্থান প্রায় অসম্ভব । বিশেষ করে উচ্চপদে দায়িত্ব পালনকারীদের ক্ষেত্রে এই সংকট আরও প্রকট। এর ফলে অনেকেই মালিক ও সরকারের “স্বার্থরক্ষাকারী ব্যবস্থাপক” হয়ে ওঠেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের গণমাধ্যম বাস্তবতা এই নির্মম সত্যকে আরও উন্মোচিত করেছে। মালিকপক্ষের তুলনায় শতগুণ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকরা। হত্যা মামলার আসামি হয়ে অনেকে কারাগারে গেছেন, বছরের পর বছর বিনা বিচারে আটক থেকেছেন। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে মালিকপক্ষ নিরাপদ থেকেছে, বরং নতুন ক্ষমতাকাঠামোর সঙ্গে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে।

একই রাজনৈতিক বাস্তবতায় কারও বিরুদ্ধে “ফ্যাসিস্ট দোসর” তকমা জোটে, আবার কারও ক্ষেত্রে তা হয় না—এমন দ্বৈত মানদণ্ডও গণমাধ্যমের সংকটকে স্পষ্ট করে। কোনো কোনো সম্পাদক বা সংবাদ ব্যবস্থাপক জেলে গেছেন, কিন্তু একই প্রতিষ্ঠানের মালিকরা বহাল তবিয়তে থেকেছেন। আবার এমনও দেখা গেছে, রাজনৈতিক আনুগত্যের অভিযোগে সাংবাদিকদের বহিষ্কার বা মামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে, অথচ একই ধরনের অবস্থান নেওয়া অন্যরা প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছেন। এই বৈষম্য দেখায় যে, দেশে সাংবাদিকতার বিচার প্রায়ই নীতির ভিত্তিতে নয়, বরং ক্ষমতার ভারসাম্যের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়।

বাংলাদেশের গণমাধ্যম খাতের এই অস্থিরতা দূর করতে হলে কয়েকটি মৌলিক প্রশ্নের সমাধান জরুরি। প্রথমত, গণমাধ্যমের অনুমোদন ও মালিকানায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, নিয়োগ, পদায়ন ও চাকরিচ্যুতির ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট ও কার্যকর চাকরি বিধি প্রণয়ন ও প্রয়োগ প্রয়োজন। তৃতীয়ত, সাংবাদিকদের জন্য ন্যূনতম বেতন কাঠামো, সামাজিক নিরাপত্তা ও পেশাগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। চতুর্থত, সাংবাদিক সংগঠনগুলোর বিভাজন ও রাজনৈতিক প্রভাব কমিয়ে পেশাভিত্তিক ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে তথ্য মন্ত্রণালয় ও ডিএফপির মতো প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিও জরুরি।

গণমাধ্যম ও গণতন্ত্র একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। গণমাধ্যম যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে গণতন্ত্রও নিরাপদ থাকে না। সাংবাদিকরা কোনো প্রতিষ্ঠানে তালা দিতে চান না; তারা চান কাজের মর্যাদা, ন্যায্য বেতন এবং পেশাগত নিরাপত্তা। তারা মালিকের ব্যবসায়িক স্বার্থের পাহারাদার বা সরকারের পিআর মেশিন হতে চান না। আবার মালিক ও সরকারকেও বুঝতে হবে—সাংবাদিকদের অনিশ্চয়তার ওপর দাঁড়িয়ে কোনো বিশ্বাসযোগ্য গণমাধ্যম গড়ে ওঠে না।
আজ বাংলাদেশের সাংবাদিক সমাজের সবচেয়ে বড় দাবি হওয়া উচিত—একটি মানবিক, জবাবদিহিমূলক ও পেশাদার গণমাধ্যম কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে সাংবাদিকরা ভয়ের মধ্যে নয়, দায়িত্ববোধ ও মর্যাদার সঙ্গে কাজ করতে পারবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *