
নীলফামারী জেলা সদরের টুপামারী ইউনিয়নের কিসামত দোগাছি গ্রামে পরকিয়া সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মতিউল ইসলাম (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক পলাতক থাকলেও তার বাবা-মা ও ছোট ভাইকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত মতিউল ইসলাম একই এলাকার হামিদ হোসেন (৬০)-এর ছেলে। তার তিন মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কিছুদিন আগে মতিউল ইসলাম একই এলাকার একরামুল হকের স্ত্রী সাহের বানুকে নিয়ে পালিয়ে যান। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হলে সাহের বানু পুনরায় সংসারে ফিরে আসেন।
তবে ওই ঘটনার জের ধরে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাতে সাহের বানুর ছেলে আলামিন ইসলাম (২৩)-এর সঙ্গে মতিউল ইসলামের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে আলামিন ধারালো তামাক কাটার কাস্তি দিয়ে মতিউল ইসলামের গলায় আঘাত করেন। গুরুতর আঘাতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান মতিউল ইসলাম।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।
এদিকে, ঘটনার পরপরই খুনি আলামিন পালিয়ে যায় তবে পুলিশ আলামিনের বাবা একরামুল হক, মা সাহের বানু এবং ছোট ভাই আপন ইসলাম (১৬)-কে আটক করেছে।
পুলিশ জানায়, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।