
ঢাকা জেলার আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের বারইপাড়া এলাকা থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকা মূল্যের ৩০ কেজি গাঁজা ও একটি নোয়া (NOAH) গাড়ীসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৪, সিপিসি-২, সাভার।
র্যাব জানায়, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনের পাশাপাশি মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করতে নিয়মিত তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে র্যাব-৪। এরই অংশ হিসেবে গত ১ এপ্রিল ২০২৬ বিকাল ৩টা ৫ মিনিটে নবীনগর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহীনুর কবির ও স্কোয়াড কমান্ডার মো. হালিউজ্জামানের নেতৃত্বে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চেকপোস্ট বসানো হয়।
চেকপোস্টে তল্লাশিকালে বিকাল ৩টা ৩৫ মিনিটে একটি সিলভার রঙের টয়োটা নোয়া গাড়ীকে থামানোর সংকেত দিলে চালক তা অমান্য করে দ্রুত আশুলিয়ার বারইপাড়া এলাকার দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে র্যাব সদস্যরা গাড়ীটিকে ধাওয়া করে বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটে মহাসড়কেই থামাতে সক্ষম হন।
এ সময় গাড়ীর চালক মো. জুয়েল মিয়া (২৩)-কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়। গাড়ীর কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় তল্লাশি চালানো হয়। এক পর্যায়ে তিনি গাড়ীতে মাদক বহনের কথা স্বীকার করেন।
পরবর্তীতে তার দেখানো মতে গাড়ীর চালকের আসন ও পেছনের সিটের মাঝখানে লুকানো অবস্থায় খাকি রঙের স্কচটেপে মোড়ানো ১২টি পোটলা থেকে মোট ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত গাঁজার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা। এছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত গাড়ীটি (আনুমানিক মূল্য ৮ লাখ টাকা) ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত জুয়েল মিয়া হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানার ময়নাবাদ এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র্যাব জানায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে হবিগঞ্জের সীমান্ত এলাকা থেকে স্বল্পমূল্যে গাঁজা সংগ্রহ করে গাজীপুর, টাঙ্গাইলসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বেশি দামে বিক্রি করতেন।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। র্যাব জানিয়েছে, মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।