শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ন
জামালপুর ইসলামপুর পৌরসভা ৮ নং ওয়ার্ড মোশারফগঞ্জ বাজার মোড় গত ২০-০৩-২০২৬ তারিখ আমি জাতীয় দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার । আমার মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে শপিং করার জন্য ইসলামপুর উদ্দেশ্যে রওনা হইলে মোশারফগঞ্জ বাজার মোরে পৌছাইলে অতর্কিত ভাবে আওয়ামী লীগের ক্যাডার বাহিনী ১ মোঃ মনিরুজ্জামান মনি (৪২) পিতা মৃত ছয়রুউদ্দিন ২ মোহাম্মদ মাসুদ (৩৮) পিতা মৃত আব্দুল লতিফ (নতু) ৩ আহসান হাবিব হীরা (৩৭) পিতা মৃত আব্দুল করিম (কালাম) ৪ শফিকুল ইসলাম (৩২) পিতা মৃত নবীন ৫ সোহাগ (৩২) পিতা মৃত আব্দুল লতিফ (নতু) গং সহ আমার উপর হামলা চালায় । বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ৮ নং ওয়ার্ডের মনিরুজ্জামান মনি নেতা ছিল । সে ক্ষমতা অপব্যবহার করিয়া বিগত দিনে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করিয়া এলাকার জন সাধারণের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিসহ জনমনে বিরূপ উপদ্রব কায়েম করিয়াছিল । সম্প্রতি আওয়ামী লীগ সরকার আমলে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রবি নামে লোককে দিবালোকে বাজারে ভিতরে পিটিয়ে হাত, পা, ভেঙ্গে দিয়েছিল এই মনিরুজ্জামান গ্রুপ । এখনো সেই মামলার আসামি রয়েছে । নারী নির্যাতন মামলার আসামি সে । আওয়ামীলীগ সরকার আমলে এমন কোন কাজ ছিল না মনিরের দ্বারা হয়নি । চাঁদাবাজি, ধর্ষণ, টেন্ডারবাজি, সহ সব ধরনের অপকর্ম এই মনিরের দ্বারা হয়েছে । মনিরুজ্জামান মনি পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক, গরুর চিকিৎসা করে । মনি চোরাই গরু বিক্রির সঙ্গেও জড়িত । সে নারীর লোভী, মনির এর দ্বারা এলাকাবাসী প্রতিষ্ঠিত হয়ে পড়েছে । আওয়ামী লীগ সরকারের দাপট এখনো বিস্তার করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে । মনি একজন ভূমিদস্যু সঙ্গে জড়িত । সব সময় ধারালো অস্ত্র ও পিস্তল সঙ্গে নিয়ে ঘুরে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার পাঁয়তারা করে আসিতেছে । গত ২০-০৩-২০২৬ তারিখ রাত ৮ ঘটিকার সময় আমাকে মনির বাহিনী আক্রমণ করে । আমাকে তিল ঘুসি মারিয়া পিস্তল বাহির করিয়া আমার হাতে থাকা মানিব্যাগ যার মধ্যে ৩৫০০০/ টাকা ছিল ছিনিয়ে নেয় । আমার চোখের চশমা ভাঙ্গিয়া ফেলে যার মূল্য ৪৫০০/ টাকা । আমার নবম শ্রেণী পড়ুয়া মেয়েকে ধাক্কা মারিয়া পাকা রোডে ফেলে দেয় । পরে এলাকার লোকজন আসিলে পালিয়ে যায় । আমি সাথে সাথে ইসলামপুর থানায় হাজির হইয়া অভিযোগ দাখিল করি । মনে গ্রুপ যাওয়ার সময় উচ্চস্বরে বলে সুযোগমতো তোকে তোর বংশ কে গুলি করে মেরে ফেলবো । এলাকাবাসী এই সন্ত্রাসীর হাত হইতে বাঁচতে চায় । মনি টাকার বিনিময়ে প্রশাসনকে ব্যবহার করে আসিতেছিল । আওয়ামী লীগ সরকার আমলে চেনাডুলি এলাকার লোকজন বাইন্ধে রেখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করার পর নির্বাহী কর্মকর্তা ভ্রাম্যমান আদালতে মনিরকে সাত দিনের জেল দেয় । এরপর হইতে আরও অপরাধ দিন দিন বেড়েই চলছে । এ যেন দেখার মত কেউ নেই ।