শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর ১৬৮ সদস্য বিশিষ্ট চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা। মাধবদীতে শিল্পপতি রাজু ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে অপপ্রচার: সত্যের জয় আইনি বিজয়, গাছা প্রেসক্লাবের নির্বাচিত সভাপতি হামিদ খানের মৃত্যুতে গাছা সাংবাদিক ক্লাবের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ ঘুম থেকে উঠেই পেট ফাঁপা? জেনে নিন দূর করার উপায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে আশুলিয়া থানা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত আওয়ামী প্রতিহিংসার শিকার তিতাস গ্যাস কর্মচারী শ্রমিক দল নেতা চাকরিচ্যুত শওকত ইমামের মানবেতর জীবনযাপন। বাকেরগঞ্জে উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও মালিকানার সংকট পঞ্চগড়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রম শক্তিশালী করতে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। রাজশাহী প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় নির্মাণাধীন মসজিদুল আকবর কমপ্লেক্সের ছাঁদ ধসে ক্ষয়ক্ষতি ! কন্ট্রাকটর ও প্রকৌশলীর গাফিলতির অভিযোগ !! প্রেমের অনন্য উপাখ্যান: কাপাসিয়ায় মালয়েশিয়ান তরুণী হাফিজা ও রাকিবের বিয়েতে নায়িকা প্রিয়াংকা ফোরকান মাস্টারকে ঘিরে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সত্য, মানবিকতা ও সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে এলাকাবাসীর আহ্বান গংগাচড়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কার্যকরী পরিষদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত মানবিক সহায়তার আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জি.আর চাল বিতরণ কোরবানির ঈদে পশুর সংকট নেই, ভারতীয় গরু ঠেকাতে কঠোর নজরদারি: সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন আমীরসহ তিন মরহুমের জানাজায় শোকাবহ পরিবেশ কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রে মিকাইল বিশ্বাসকে ঠেকানো যাবে না বললেন এলাকার সাধারণ জনগণ গাজীপুরে জুতা কারখানায় আগুন ভোলায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, ৩ মাস ৭দিনের কারাদণ্ড। আত্রাইয়ে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান-চাল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন মুরাদনগরে মাদকবিরোধী অভিযানে বিদেশি মদ, ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ আটক ২ গাজীপুরে টিকটক করতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল ২ এসএসসি পরীক্ষার্থীর গাজীপুরে আলোচিত ৫ খুন: সেই ফোরকানের মরদেহ উদ্ধার পদ্মা নদীতে ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার চাল বিতর অনিয়মে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা গাজীপুরের তুরাগ নদীতে তলিয়ে যাওয়া বন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই কিশোরের মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত নূরনবীকে দেখতে জনতার ভিড়! বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোসলেহ, সম্পাদক শামীমা পারভীন রাণীশংকৈলে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, ধর্ষক কিশোর গ্রেপ্তার
জরুরী নোটিশ :
জরুরী নোটিশ এবং সতর্কবার্তা ""গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক  মিডিয়া ভুক্ত পত্রিকা দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।  কিছু কুচুক্তি মহল বিভিন্ন গণমাধ্যমের আইডি কার্ড নকল করে বিভিন্ন প্রকার অপরাধে জড়াচ্ছে কিছুদিন পর পর পত্রিকার এসব খবরে আমরা বিভ্রান্ত। এরকম বেশ কয়েকজন অপরাধী দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার আইডি কার্ড নকল করেছে এমন প্রমাণিত হওয়াতে আমরা তাদের বিরুদ্ধে  তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি। এবং সংবাদ প্রকাশ করে এসব অপরাধীদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নাই বলে আমরা ঘোষণা দিয়েছি।  সেই সাথে আমরা আমাদের প্রদত্ত বিগত দিনের সকল আইডি কার্ড পরিবর্তন করে স্ক্যানিং কোড সিস্টেম করে নতুন আঙ্গিকে আইডি কার্ড তৈরি করেছি।  দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের কে সম্মানের সাথে জানাচ্ছি আপনারা  আপনাদের পুরনো আইডি কার্ড পত্রিকা অফিসে জমা দিয়ে সেই সাথে নতুন করে ভোটার আইডি কার্ড এবং  আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদের সত্যায়িত ফটোকপি সহ জমা দিয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন আইডি কার্ড সংগ্রহ করার জন্য নির্দেশ দেয়া গেল। পত্রিকা কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশ যারা অমান্য করবে তাদেরকে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃত বলে গণ্য করবেন। আপনাদের জ্ঞাতার্থে আরও জানাচ্ছি যে  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশক্রমে সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার মান নির্ণয় সহ সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরি করছেন, মাননীয় সাবেক বিচারপতি প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ইতিমধ্যে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছেন। পুনরায় আপনার ভোটার আইডি কার্ড এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা অভিজ্ঞতার সনদ সকল কিছু সত্যায়িত করে নতুনভাবে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার   কর্তৃপক্ষকে জমা দিয়ে পুরনো কার্ডটি ফেরত দিয়ে নতুন আইডি কার্ড নেওয়ার জন্য নির্দেশ রইল।  আদেশক্রমে --আব্দুল্লাহ আল মামুন--প্রকাশক ও সম্পাদক--দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ ।

কার্ড ছাড়াই মদ বিক্রির অভিযোগ মুক্তাগাছায় হরিজন পল্লীতে রাতভর চলছে প্রকাশ্য বেচাকেনা

মামুনুর রশীদ মামুন,ময়মনসিংহঃ / ৪৬ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ন

সরকারি নিয়মে পারমিটধারী বা কার্ডধারী ব্যক্তির জন্য সীমিত পরিমাণে দেশী মদ বিক্রির অনুমতি রয়েছে। কিন্তু ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় সেই অনুমোদিত মদই দোকানের বাইরে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বোতলপ্রতি ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শুধু বিক্রিই নয়—স্থানীয় হরিজন পল্লীর ভেতরে গড়ে উঠেছে একাধিক অননুমোদিত ‘বার’, যেখানে প্রকাশ্যেই বসে মদ পান,বোতল সরবরাহ ও পরিবেশনের ব্যবস্থা চলছে। সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা গেছে, লাইসেন্সধারী দেশী মদের দোকানটিকে কেন্দ্র করে আশপাশে গড়ে উঠেছে সমান্তরাল একটি অবৈধ নেটওয়ার্ক। দোকান থেকে মদ বের হওয়ার পর তা সরাসরি বাইরে বিক্রি করা হয় না; বরং স্থানীয় হরিজন পল্লীর ভেতরের কয়েকটি নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান নেয়া কয়েকজন ব্যক্তি ক্রেতাদের কাছে বোতল সরবরাহ করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ,সরকারিভাবে একজন পারমিটধারী বা কার্ডধারী ব্যক্তি দৈনিক ১ লিটার বা মাসে নির্ধারিত ৯ লিটারের বেশি মদ পাওয়ার কথা নয়। কিন্তু বাস্তবে ওই কার্ডের আড়ালে কয়েক গুণ বেশি মদ সংগ্রহ করে বাইরে বিক্রি করা হচ্ছে। ফলে একদিকে সরকারি নিয়ম ভঙ্গ হচ্ছে, অন্যদিকে অবৈধ বেচাকেনাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেট। পল্লীর ভেতরে একাধিক ‘বার’! প্রতিবেদকের সরেজমিন পর্যবেক্ষণে দেখা যায়,হরিজন পল্লীর সরু গলি ও হাফ বিল্ডিং বা টিনশেড ঘরের আড়ালে কয়েকটি স্থানে বসে মদ পান করার ব্যবস্থা রয়েছে। কোথাও প্লাস্টিকের চেয়ার
-টেবিল,কোথাও বেঞ্চ পেতে রাখা হয়েছে। সন্ধ্যার পর এসব স্থানে লোকজনের ভিড় বাড়তে থাকে। কয়েকজন একসঙ্গে বসে মদের বোতল খুলে পান করছেন—এমন দৃশ্যও দেখা গেছে। একটি স্থানে দেখা যায়,একজন ব্যক্তি ঘরের ভিতর থেকে বোতল এনে কয়েকজনের সামনে গ্লাসে ঢেলে দিচ্ছেন। আরেকটি স্থানে একজন ক্রেতা দাম জানতে চাইলে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তি বলেন, “এক বোতল দুই হাজার টাকা,যত লাগবে পাওয়া যাবে।” স্থানীয়দের ভাষ্য,দোকানের ভেতরে নিয়মের কথা বলা হলেও বাইরে সবই ‘ম্যানেজ’ করা হয়। দোকান থেকে মদ তুলে পল্লীর ভেতরে এনে বেশি দামে বিক্রি করা হয়। কেউ চাইলে সঙ্গে সঙ্গে বসে পান করা থেকে শুরু করে পার্সেলও নিতে পারেন আনলিমিটেড পরিমাণে। ২০০ টাকার মদ ২ হাজারে! অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, সরকারিভাবে যেসব দেশী মদ তুলনামূলক কম মূল্যে বিক্রির কথা,সেই মদই বাইরে এনে প্রায় ১০ গুণ বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি,যে মদের বোতল কয়েকশ টাকায় বিক্রির কথা,সেটি দোকানের বাইরে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতা পরিচয়ে কথা বললে সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত একজন বলেন,“কার্ড লাগবে না, আমাদের কাছে আছে-বোতল কয়টি লাগবে দেওয়া যাবে।” আরেকজনের ভাষ্য, “এক বোতল লাগলে দুই হাজার,বেশি নিলে ব্যবস্থা আছে।” ক্রেতা পুলিশি ভয় প্রকাশ করলে-
বিক্রেতা জানান,সেটাও ম্যানেজ! তা না-হলে,ব্যবসা করি কিভাবে? অভিযোগ রয়েছে,কয়েকজন মধ্যস্বত্বভোগী পারমিটধারী বা কার্ডধারীর পরিচয়ে মদ সংগ্রহ করে বাইরে এনে বিক্রি করেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে একই কার্ড ব্যবহার করে একাধিকবার মদ তোলার ঘটনাও ঘটছে বলে স্থানীয়দের দাবি। দোকানের বাইরে গড়ে উঠেছে ‘দ্বিতীয় বাজার’: অনুসন্ধানে দেখা যায়,লাইসেন্সধারী দোকানের সামনে ও আশপাশে সারাক্ষণ কয়েকজন ব্যক্তি অবস্থান করেন। দোকানে যাওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে তারা আগে কথা বলেন। পরে তাদের হরিজন পল্লীর ভেতরের নির্দিষ্ট জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বোতল দেখিয়ে দরদাম করা হয়,পরে টাকা নিয়ে বোতল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। দিনের বেলায় তুলনামূলক কম হলেও সন্ধ্যার পর বেচাকেনা বাড়ে। কোনো কোনো সময় ব্যাগ বা কার্টনে করে একসঙ্গে কয়েকটি বোতল পল্লীর ভেতর থেকে নিয়ে যেতে দেখা যায়। ফলে দোকানের বাইরে কার্যত আরেকটি ‘দ্বিতীয় বাজার’ গড়ে উঠেছে,যেখানে সরকারি নিয়মের কোনো প্রয়োগ নেই। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, “দোকানে যা হয়,তার চেয়ে বাইরে বেশি বিক্রি হয়। দোকানের সামনে কয়েকজন থাকে,তারা ক্রেতা নিয়ে ভেতরে যায়।” আরেকজন বাসিন্দার ভাষ্য, “রাতে এখানে ছোট ছোট কয়েকটা বারের মতো হয়ে যায়। বাইরে থেকে মানুষ আসে, বোতল নেয়,বসে খায়।” নিরাপত্তাহীনতায় স্থানীয়রা: এলাকাবাসীর অভিযোগ,অবৈধ এই বেচাকেনা ও বসে পান করার কারণে আশপাশে প্রায়ই মাতলামি,উচ্চস্বরে চিৎকার,ঝগড়া ও ছোটখাটো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর নারী,শিশু ও শিক্ষার্থীদের চলাচলে সমস্যা তৈরি হয়। একজন স্থানীয় দোকানদার বলেন, “রাতে নেশাগ্রস্ত লোকজন রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে হৈচৈ করে। এতে আমাদের ব্যবসাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।” আরেকজন বাসিন্দা বলেন, “পল্লীর ভেতরে যেভাবে খোলাখুলি বসে মদ খাওয়া হচ্ছে,তাতে এলাকার পরিবেশ খারাপ হয়ে যাচ্ছে।” প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন: স্থানীয়দের প্রশ্ন,দোকানের বাইরে যদি প্রকাশ্যে বোতল বিক্রি,টাকা লেনদেন,বসে পান করা এবং অতিরিক্ত দামে সরবরাহ চলতেই থাকে,তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে তা কীভাবে সম্ভব? তাদের দাবি,মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালালে এই অবৈধ বেচাকেনা একদিনেই বন্ধ করা সম্ভব। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে একই ভাবে চললেও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় থানা পুলিশের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে মুক্তাগাছা থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,উত্থাপিত অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে,মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের কোনো বক্তব্য প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। কী বলছে আইন: প্রচলিত বিধি অনুযায়ী,দেশী মদ কেবল বৈধ পারমিটধারী বা কার্ডধারী ব্যক্তির কাছে নির্ধারিত সীমার মধ্যে বিক্রি করা যাবে। দোকানের বাইরে পুনর্বিক্রি,অতিরিক্ত মজুদ, অনুমতি ছাড়া সরবরাহ কিংবা বসে পান করার ব্যবস্থা রাখা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু মুক্তাগাছায় বাস্তবে দেখা যাচ্ছে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। সরকারি অনুমোদনের আড়ালে একটি দোকানকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে অবৈধ সরবরাহচক্র, অতিরিক্ত দামে বিক্রির নেটওয়ার্ক এবং হরিজন পল্লীর ভেতরে একাধিক অননুমোদিত বার।
কার্ডধারীদের জন্য বরাদ্দকৃত মদ যদি প্রকাশ্যে বাইরে এনে বিক্রি হয়,আর সেই মদকে কেন্দ্র করে যদি বসে পান করার অবৈধ বার গড়ে ওঠে,তবে প্রশ্ন উঠবেই—কারা এই সিন্ডিকেটকে রক্ষা করছে? মুক্তাগাছার এই চিত্র কেবল একটি দোকানের অনিয়ম নয়; বরং এটি সরকারি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ফাঁক ব্যবহার করে গড়ে ওঠা সংঘবদ্ধ অবৈধ বাণিজ্যের প্রতিচ্ছবি। এখন দেখার বিষয়,প্রশাসন অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে ব্যবস্থা নেয় কি না,নাকি হরিজন পল্লীর ভেতরে ‘কার্ডের মদ’-এর এই সাম্রাজ্য আগের মতোই চলতে থাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *