দিনাজপুর ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ডিআইএসটি)-তে ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের ৭ম পর্বের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে দিনাজপুর শহরের পাহাড়পুরে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানের ৪ নম্বর ভবনের চতুর্থ তলায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. মাজহারুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিআইএসটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মাহমুদুর রশীদ। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. মামুনুর ফেরদৌস।
সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজির ৩য় পর্বের শিক্ষার্থী মুসাব্বির হাসান তালুকদার এবং পবিত্র গীতা পাঠ করেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ৩য় পর্বের শিক্ষার্থী লিলি রাণী। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মানপত্র পাঠ করেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ৩য় পর্বের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান।
বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য দেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থী মোছা. নওশিন শারমিলা এবং সিভিল টেকনোলজির শিক্ষার্থী ফাহিম হোসেন। অভিভাবকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী মমতাজ বেগমের বাবা মমিনুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, “যদি তুমি দক্ষ হও, তবে তুমি বেকার নও। দক্ষতা অর্জন করতে পারলে কর্মসংস্থানের সুযোগ অবশ্যই সৃষ্টি হবে।” তিনি শিক্ষার্থীদের সততা, নৈতিকতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে মাহমুদুর রশীদ বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিগত শিক্ষার পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যোগ্য, দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।
স্বাগত বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. মামুনুর ফেরদৌস বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সফল কর্মজীবন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে বলেন, “তোমাদের শিক্ষা ও অর্জিত জ্ঞান যেন দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজে লাগে।”
আলোচনা পর্ব শেষে অতিথিবৃন্দ বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উত্তরীয় পরিয়ে সম্মাননা ও সনদ প্রদান করেন। পরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।