1. amarpranerbd@gmail.com : news :
  2. amarpranerbangladesh@gmail.com : PRANER BD REPORTER : PRANER BD REPORTER
  3. editor.amarpranerbd.official@gmail.com : Newsdesk :
শিরোনাম :
টঙ্গীতে শান্তা জুয়েলার্সের মালিক কাস্টমারের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ,থানায় একাধিক লিখিত অভিযোগ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গাইবান্ধায় আনন্দ র‍্যালি ও সমাবেশ শ্রীপুরের মানুষের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পুরাতন খলনায়ক নতুন করে আবির্ভাব। কুড়িগ্রামে পালিত হলো বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ডিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৭,  সরফভাটা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী ও গুণীজন সংবর্ধনা কবে হবে সুন্দরবন দস্যুমুক্ত আজ থেকে নিষেধাজ্ঞা শেষে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বনে ফিরছেন জেলে-বাওয়ালিরা কেশবপুরে জামায়াতে ইসলামীর ইউনিট দায়িত্বশীল সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত সওজ’র গাফলতি চরমে,অকেজো হচ্ছে কোটি টাকার ফেরি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে চৈতী কম্পোজিট  লিঃকে ৭৫ লক্ষ ৪ হাজার টাকা জরিমান ধার্য করা হয় 

গাজীপুর মেট্রোপলিটন জিএমপি ট্রাফিক বিভাগ ( ডিসি,)এস এম আশরাফুল আলম বলেন ভিআইপি নয়, চাই শান্তি শৃঙ্খলা

মোঃ সাদেকুল ইসলাম
  • Update Time : Monday, October 20, 2025,
  • 130 Time View

সবার অভিযোগ শুধু পুলিশের বিরুদ্ধে কেউ বলে তারা অন্যায় করে, কেউ বলে তারা উদাসীন, কেউ বলে তারা দুর্নীতিগ্রস্ত, কিন্তু কখনোও কি আমরা ভেবে দেখেছি ,পুলিশ কার কাছে অভিযোগ করবে, দিনের পর দিন,রাতের পর রাত, একটানা দায়িত্বের ভারে তারা দাঁড়িয়ে থাকে জনতার নিরাপত্তার প্রহরী হয়ে, আমরা দেখেছি গাজীপুর জেলা মেট্রোপলিটন জিএমপি ট্রাফিক বিভাগের ( ডিসি )এস এম আশরাফুল আলম। গাজীপুর আসার পর থেকে চিত্র পাল্টে গেছে। আগের মত ঢাকা মহা সড়ক বিআরটি রোডে কোথাও কোন গাড়ির দীর্ঘ লাইন দেখা যায়নি। তিনি রাস্তার যানজট মুক্ত রাখতে স্কুল কলেজ অফিসগামী ও জনগণের যাতায়াত সুবিধার্থে নিয়মিত রুটিন অনুযায়ী অক্লান্ত পরিশ্রম করে দক্ষতার সহিত কাজ করে যাচ্ছেন। গাজীপুর মেট্রোপলিটন জিএমপি ট্রাফিক বিভাগের ( ডিসি) এস এম আশরাফুল আলম, আরোও বলেন আমি ভিআইপি সুবিধা চাইনি। আমি রুটিন অনুযায়ী সব সময় জনগনের নিরাপত্তার স্বার্থে কাজ করে যেতে চাই। এদিকে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ রোদ বৃষ্টি, ঝড় তুফান, অপেক্ষা করে, রাস্তার মোড়ে, আদালতের সামনে, রাজপথে, কিংবা অন্ধকার গলিতে সবচেয়ে যে মানুষটি আগে পৌঁছে যায় সেই হচ্ছে পুলিশ। তবুও সমাজে তাদের নামের পাশে লেখা থাকে। অভিযোগ শব্দটি। অভিযোগের বার তারা নিতে নিতে শরীর মন আজ ক্লান্ত। এদিকে তারা মানুষ, অন্যদিকে পেশার কঠোর নিয়মে বাধা। কখনোও রাজনৈতিক চাপ। কখনোও জনতার রাগ। আবার কখনোও নিজের জীবনের ঝুঁকি। সব মিলিয়ে এক অদৃশ্য যন্ত্রণার বার ভয়ে চলেছে তারা। অথচ তাদের কন্ঠ কেউ শোনে না। আমরা দেখি না সেই পুলিশ সদস্যকে যিনি ঈদের রাতে সন্তানকে রেখে টহলে যান। দেখি না সেই নারী পুলিশকে যিনি রাত্রিবেলা ভিগটিমের পাশে দাঁড়িয়ে সান্তনা দেন। দেখিনা সেই ট্রাফিক সার্জেন্ট কে ঘন্টাকানেক রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে শৃঙ্খলা রক্ষা করেন। অথচ এক ফোটা পানি খেতেও ভুলে যান। পুলিশ ও মানুষ, তাদেরও কষ্ট আছে, ক্লান্তি আছে, স্বপ্ন আছে। সমাজ যদি শুধু ত্রুটি খোঁজে উৎসর্গকে না দেখে। তবে মনোবল হারায় পুরো বাহিনী। এখন সময় এসেছে ভারসাম্যের চোখে দেখার। ভুল থাকলে সমালোচনা হোক। কিন্তু পাশাপাশি স্বীকৃতিও আসুক তাদের ভাগ্যের জন্য। অভিযোগের ভার কমাতে হলে দরকার সহমর্মিতা। বোঝাপড়ায় সংস্কারের মনোভাব। শেষে একটি কথাই বলবো, যে সমাজ নিজের প্রহরীদের সম্মান করতে শেখে না। সে সমাজ কখনো সত্যিকারের নিরাপদ হতে পারে না। আসুন আমাদের মনের ভাব চিন্তা ভাবনা পাল্টিয়ে সবাই মিলে দেশের স্বার্থে জনগণের স্বার্থে কাজ করি। তবেই হবে আপনার আমার চলার সুব্যবস্থা। ট্রাফিক আইন মেনে চলি রাস্তায় সুশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনি। এটা আপনার আমার সকলের দায়িত্ব।

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 প্রানের বাংলাদেশ