মিরপুর প্রতিনিধি :
বারবার জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র চেয়ারম্যান এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন দলের নেতাকর্মীদেরকে কোন প্রকার অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে পারবে না। কিন্তু তার কথাকে উপেক্ষা করে একশ্রেণীর বিএনপি'র নাম ধারী নেতাকর্মীরা বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরপর নিজেদের ফায়দা হাসিলের জন্য চাঁদাবাজি, দখলবাজি সহ বিভিন্ন হুমকি দামকি দিয়ে অবৈধভাবে অর্থ কামানোর রাস্তায় নেমেছে। কে কার চেয়ে বেশী টাকা-পয়সা কামাবে তার প্রতিযোগিতায় তদবির বাণিজ্য সহ চলছে বিভিন্ন রকম জাল-জালিয়াতি। কামাল মিরপুরের সিগারেট ব্যবসায়ী যিনি এক সময় আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত থেকে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীদের পিছনে ঘুরে বেড়াতো। আওয়ামী লীগ পালিয়ে যাওয়ার পর বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরপর সে মিরপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ সিগারেটের ব্যবসা শুরু করে। সিগারেট সহ বিক্রি করে মাদক, বিভিন্ন মানুষের সাথে সিগারেটের ব্যবসা করবে সিগারেটের দোকান দিবে ইত্যাদি বলে টাকা পয়সা আত্মসাৎ করে এবং হিসাব-নিকাশ না দিয়ে উল্টো তার পরিচিত সাইফুল ইসলাম সজীব যিনি প্রচার সম্পাদক তার পোস্টারে লেখেন (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা মহানগর পশ্চিম তাকে দিয়ে ফোন করিয়ে ভুক্তভোগীদের উল্টো চাপ দিয়ে টাকা পাবে বলে অভিনব কায়দায় চাঁদা দাবি করে। প্রথমত সিগারেটের ব্যবসাটাই হচ্ছে অবৈধ যদি সরকারি নিয়ম না মেনে করে থাকে তারপর এ বিষয়ে আবার জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একজন নেতা কে ব্যবহার করা বা তাকে দিয়ে ফোন করানো আরেকটি অপরাধ। একজন বিচক্ষণ ছাত্রদলের কর্মী যিনি প্রচার সম্পাদকের মত দায়িত্ব পালন করে আসছেন তার পক্ষে নোংরা কাজে নিজেকে না জড়ানোই বুদ্ধিমানের কাজ বলে মনে করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির একজন নেতা। এ বিষয়ে সজিবের বক্তব্য নেয়ার জন্য তার মোবাইলে একাধিকবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে সিগারেট ব্যবসায়ী কামালের সাথে কথা বলে তিনি জানান আমি দীর্ঘদিন মিরপুরে সিগারেটের ব্যবসা করে আসতেছি, মিরপুরের নেতাকর্মীরা সবাই আমাকে চেনে আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় ছিল তখন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও আমাকে চিনত এখন বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে তারাও আমাকে চিনে আমি সবাইকে দিয়ে খাই একা খাই না। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশকে জানান কামাল একজন বিতর্কিত লোক সে মিরপুর সহ বিভিন্ন জায়গায় সিগারেট ব্ল্যাক করে বিক্রি করে। সে সন্ত্রাসী টাইপের লোকজনের সাথে চলাফেরা করে, দেনা পাওনার একটি বিষয় নিয়ে আমার সাথে কথা কাটাকাটি হয় সে আমাকে জানে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে এবং ছাত্রদলের একজন নেতাকে দিয়ে ফোন করিয়েছেন আমি আমার জীবনের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি।
| | প্রকাশক ও সম্পাদক : আব্দুল্লাহ আল মামুন, ||