একজন কিংবদন্তি পুরুষ, সৎ ও নির্ভিক বাংলাদেশের যুবসমাজের আইডল কিভাবে ব্যবসা বাণিজ্য করে স্বনির্ভর হয়ে একজন উদ্যোক্তা হওয়া যায় তার জীবন চর্চার মধ্য দিয়ে মানুষ উপলব্ধি করতে পারবে প্রতিটি পদক্ষেপে । দরিদ্র,অসহায়, সমাজের সুবিধা বঞ্চিত এবং অসুস্থ মানুষদের সেবায় তিনি নিয়োজিত। যিনি সমাজে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় অবিচল ভাবে চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি প্রমিস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ আলম। যিনি কখনো অন্যায়ের সঙ্গে কোন রকম আপোষ করেন নাই। যিনি মাদক, সন্ত্রাস এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার এক বলিষ্ঠ কন্ঠ স্বর। জীবনে কখনো কোন লোভ,লালসা কিংবা কোন অনিয়ম,দূর্নীতি যাকে স্পর্শ করতে পারে নাই। যিনি সর্বদা ভীত একমাত্র মহান আল্লাহর নিকট। যিনি সমাজের পরিবর্তন তথা শান্তি আনয়নের জন্য বেছে নিয়েছেন শিক্ষাকে ও নীতি আর্দশ প্রতিষ্ঠাকে। অথচ সমাজের কিছু দুষ্ট প্রকৃতির লোক যারা হিংসাত্মক ভাবে তাদের হীন চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে এই মহান ব্যক্তিত্ব কে নিয়ে কুৎসা রটাতে চেষ্টা করে। কোন হিংসা কুচুক্রী মহলের চক্রান্তের মিথ্যা তথ্য বিভ্রান্তমূলক সংবাদে জাতি বিভ্রান্ত হবে না। তিনি দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেন সমাজের উন্নতি প্রতিষ্ঠায় একমাত্র মাধ্যম শিক্ষা এবং নীতি-আদর্শ। শিক্ষা ও নীতি আদর্শ ছাড়া কখনো কোন জাতির পক্ষে উন্নতির দ্বার প্রান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়। এক মাত্র শিক্ষা ও নীতি-আদর্শই পাড়ে জাতির ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে। তিনি বিশ্বাস করেন নীতি, নৈতিকতা ও আদর্শিক শিক্ষাই পারে মানুষের জীবন বদলাতে। এই নীতি,নৈতিকতা ও আদর্শিক শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ই লার্নিং, ফ্রিল্যান্সিং, প্রমিস গ্রুপ সহ অনেক প্রতিষ্ঠান যার মধ্যে গণমাধ্যমসহ রয়েছে দুই ডজনেরও বেশি প্রতিষ্ঠান। প্রায় এক লক্ষ স্কয়ার ফিটের উপরে রয়েছে তার অফিস, যেখানে শত শত হাজার হাজার মানুষ কাজ করে উপকৃত হচ্ছে লক্ষ লক্ষ যুবক থেকে শুরু করে দেশের জনগণ যার ব্যবসার পরিধি এখন বাংলাদেশ থেকে বিদেশ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁর সুদক্ষ পরিচালনায় ও নিপুণ হাতের স্পর্শে আজ প্রতিষ্ঠান গুলো শুধুমাত্র রাজধানী ঢাকা নয় এটি এখন সমগ্র বাংলাদেশে একটি মডেল প্রতিষ্ঠানে হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।তিনি সমগ্র প্রতিষ্ঠান টিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের ঘোষণা অনুযায়ী ডিজিটালাইজড প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলেছেন। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ইনহাউজ ট্রেনিং-এর সুব্যবস্থা করেছেন। নিশ্চিত করেছেন বায়োমেট্রিক হাজিরা।পাশাপাশি সুনিশ্চিত করেছেন এস,এম,এস। প্রতিষ্ঠানটিকে আরো একধাপ এগিয়ে নেওয়ার জন্য চালু করেছেন অন লাইনে কার্যক্রম । প্রতিষ্ঠিত করেছেন সুবিস্তৃত সুন্দর পরিকল্পিত একটি মাইলফলক অধ্যায় ও আকর্ষণীয় বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তিনি তার প্রতিষ্ঠানকে একটি সুন্দর অবস্থানে নিয়ে গিয়েছেন । তিনি মনে করেন, আজকের শিশুরা এবং যুবকরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। সকলের মাঝে সততার বীজ ছড়িয়ে দিতে হবে। শিশুরা সততার চর্চা শিখবে পরিবার ও বিদ্যালয় থেকে। পরিবার ও বিদ্যালয়ই হল শিক্ষার্থীদের নির্ভর যোগ্য জায়গা। তারই আলোকের ধারাবাহিকতায় তিনি তার প্রতিষ্ঠানগুলো স্থাপন করেছেন সততা দিয়ে।
তিনি মনে করেন আনন্দহীন শিক্ষা, শিক্ষা নহে। আনন্দের সঙ্গে গৃহীত শিক্ষাই প্রকৃত শিক্ষা। তাই তিনি প্রতি বছর নিজ অর্থায়নে প্রতিষ্ঠানের সকলকে উৎসাহ দিতে আয়োজন করেন বিভিন্ন অনুষ্ঠান। পিকনিক বা বার্ষিক বনভোজনের সুব্যবস্থা করে থাকেন।
এছাড়াও তিনি প্রতি নিয়ত প্রতিষ্ঠানে আসেন। সকলের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজ - খবর নেন।এমন কি তিনি নীতি,নৈতিকতা ও আদর্শিক শিক্ষার উপর সকলের সাথে কাউন্সেলিং করেন ।
এত ক্ষন আমি যে,ব্যক্তির কথা বর্ননা করলাম, তিনি হলেন শরীয়তপুরের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান মান্যবর, প্রমিস গ্রুপ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ আলম।
তিনি একজন বিজ্ঞান মনস্ক, সৃজনশীল, প্রতিভাবান, নিষ্ঠাবান,কর্তব্যপরায়ণ, রুচিশীল, উদার, দানবীর ব্যক্তি এবং সাদা মনের মানুষ ।
| | প্রকাশক ও সম্পাদক : আব্দুল্লাহ আল মামুন, ||