প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ১৬, ২০২৬, ৯:২২ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ৮, ২০২৬, ১:২৪ অপরাহ্ণ
কয়রায় ছোট এজেন্টদের মাধ্যমে গাঁজা-ইয়াবা-ফেনসিডিলের রমরমা কারবার, নেশার ফাঁদে হাজারো যুবক

সুন্দরবন ঘেঁষা উপকূলীয় উপজেলা কয়রায় মাদকের কারবার ছড়িয়ে পড়েছে পাড়া-মহল্লা পর্যন্ত। গাঁজা, ইয়াবা ও ফেনসিডিল এখন বিক্রি হচ্ছে ‘ছোট এজেন্ট’দের হাত ধরে। ফলে হাতের নাগালে মাদক পেয়ে নেশায় জড়িয়ে পড়ছে হাজারো যুবক।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মূল কারবারিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে ১০-১৫ জনের ছোট এজেন্ট গ্রুপ তৈরি করেছে। এরা চায়ের দোকান, মাছের ঘাট, ইটভাটা ও নির্জন বাগানকে স্পট বানিয়ে ১০০-৩০০ টাকায় ইয়াবা, পুরিয়া গাঁজা ও ৫০০-৮০০ টাকায় ফেনসিডিল বিক্রি করছে। মোটরসাইকেল ব্যবহার করে রাতের আঁধারে চালান ঢোকে মহারাজপুর, বাগালী, আমাদী, উত্তর ও দক্ষিণ বেদকাশী কয়রাতে।
স্কুল শিক্ষকদের দাবি কিশোর-তরুণ। অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির অনেক ছাত্র ক্লাস ফাঁকি দিয়ে স্পটে ভিড় করছে। একজন অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, "আমার ছেলেটা ইটভাটায় কাজ করত। এখন ইয়াবার টাকা জোগাড় করতে ঘরের জিনিস বিক্রি করে দিচ্ছে।"
মোঃ আশরাফুল বলেন
মাদকের টাকা জোগাড় করতে চুরি, ছিনতাই ও পারিবারিক সহিংসতা বাড়ছে। জনসম্মুখে প্রকাশ্যে গাজা ইয়াবা সেবন করছে। নিশার টাকা জোগাড় করতে অপহরণ মারামারি ধর্ষণের মতো অপরাধে অভিযুক্ত হচ্ছে তরুণ যুবকেরা।
সচেতন মহল বলছে, মাদক সেবনকারীদের গ্রেফতার নয়, মূল হোতাদের চিহ্নিত করা জরুরি। প্রতি ইউনিয়নে মাদক প্রতিরোধ কমিটি সক্রিয় করা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, এবং মাদকাসক্তদের জন্য উপজেলায় পুনর্বাসন কেন্দ্র চালুর দাবি উঠেছে।
কয়রাবাসীর প্রত্যাশা, সমন্বিত ও কঠোর পদক্ষেপেই থামবে এজেন্টদের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মাদকের এই জাল।
কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম জানান এ বিষয়ে এখনও সেভাবে অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
| | প্রকাশক ও সম্পাদক : আব্দুল্লাহ আল মামুন, ||
দুঃখিত আপনি এই সাইট থেকে কন্টেন কপি করতে পারবেন না। দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ ওয়েব সাইট থেকে কন্টেন কপি করা আইনানুক অপরাধ। ধন্যবাদ